
জাপানের কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা শক্তিশালী টাইফুন নানমাদলের প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টিপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ায় বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ বাসিন্দা। হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ব্যাহত হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা।
জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, টাইফুন নানমাদলের কারণে প্রচণ্ড ঝড় এবং প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় রাজধানী টোকিও এবং কিউশুর একটা বড় অংশে বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ লাখ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে। শত শত ফ্লাইট এবং অন্যান্য পরিবহন বাতিল করা হয়েছে। বুলেটসহ আঞ্চলিক ট্রেন চলাচল বন্ধ এবং অন্তত পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
টাইফুন নানমাদলকে ‘নজিরবিহীন’ বলে আখ্যায়িত করেছে জাপানের আবহাওয়া বিভাগ। দক্ষিণাঞ্চলের কিউশু দ্বীপের কাগোশিমা অঞ্চলে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস হিসাবে কয়েক দশকের মধ্যে এ ধরনের সতর্কতা দেওয়া হয়নি।
জাপানের স্থানীয় সময় রোববার রাতে দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হানে টাইফুন নানমাদল। এটি বর্তমানে দেশটির অন্যতম বৃহত্তম দ্বীপ কিউশুতে তাণ্ডব চালাচ্ছে। টাইফুন নানমাদল মঙ্গলবার রাজধানী টোকিওতে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

নাইজেরিয়ার তেলসমৃদ্ধ নাইজার ডেলটার ওয়ারি (Warri) রাজ্য বহু দশক ধরে আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির জ্বালানি সরবরাহ করে আসছে। কিন্তু বিপুল তেলসম্পদ থাকার পরও এই অঞ্চলের অনেক মানুষ এখনো মৌলিক অবকাঠামো, বিশুদ্ধ পানীয় জল, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো প্রয়োজনীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
১৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে মালয়েশিয়া পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সুপারমার্কেটে ফিলিস্তিনি জলপাই তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর পেছনে রয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়া, ইসরায়েলি দখলনীতি, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং পশ্চিম তীরে চলমান অস্থিরতা।
১৬ ঘণ্টা আগে
শুধু গালাগাল, অশালীন বা অশ্রাব্য শব্দ ব্যবহার করলেই তা আইনের দৃষ্টিতে অশ্লীলতা (অবসিনিটি) হিসেবে গণ্য হবে না বলে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ২৯৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির করা আপিল শুনানিকালে এ পর্যবেক্ষণ দেন আদালত।
১৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব গণেশ চতুর্থীকে সামনে রেখে মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার হাজারো মৃৎশিল্পীর জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্যোগ। অস্বাভাবিক বর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যায় লাখ লাখ গণেশমূর্তি, কাঁচামাল এবং কর্মশালা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাঁদের কয়েক মাসের শ্রম মুহূর্তেই পানিতে ভেসে গেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে