
চলতি মাসের শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বেইজিং সফর এবং প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে চীন। আজ সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সম্ভাব্য আলোচনায় বাণিজ্য ইস্যুটিই প্রাধান্য পাবে।
তবে আসন্ন সফরের আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শর্ত দিয়েছেন, বেইজিং যদি পুনরায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে সহায়তা না করে, তবে তিনি সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক পিছিয়ে দিতে পারেন। এমনকি তাঁর এই অনুরোধ না মানলে তা চীনের মিত্র ‘ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত খারাপ’ হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীন সফর নিয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটন নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ের কূটনীতি একটি অপূরণীয় কৌশলগত নির্দেশকের ভূমিকা পালন করে।
তবে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ন্যাটো এবং চীনের ওপর দেওয়া চাপের বিষয়ে লিন জিয়ান সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। হরমুজ প্রণালি সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ‘উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি’ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুট এবং জ্বালানি সরবরাহকে বিঘ্নিত করেছে।
ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ট্রাম্প ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত চীন সফর করবেন। তবে বেইজিং এখনো তারিখ নিশ্চিত করেনি। এই সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে প্যারিসে দুই দেশের শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন।
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র চীনসহ ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে নতুন করে বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে। জোরপূর্বক শ্রম এবং অতিরিক্ত শিল্প সক্ষমতার অভিযোগে এই তদন্ত শুরু হয়েছে, যা নতুন করে শুল্ক আরোপের পথ খুলে দিতে পারে।
এর প্রতিক্রিয়ায় বেইজিং কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং ওয়াশিংটনকে তাদের ‘ভুল’ বাণিজ্য নীতি সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপকে ‘একপেশে, স্বেচ্ছাচারী এবং বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্রিটেন কোনোভাবেই কোনো ‘বিস্তৃত যুদ্ধে’ জড়াবে না বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে সামরিক সহায়তার চাপের মুখে আজ সোমবার ডাউনিং স্ট্রিটে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন।
১৬ মিনিট আগে
ভারতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাতালি জানিয়েছেন, অবরোধের মাঝেও ব্যতিক্রম হিসেবে কিছু ভারতীয় জাহাজকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভারতের বন্দর ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা নিশ্চিত করেছেন, দুটি ভারতীয় এলপিজি ট্যাংকার নিরাপদেই এই পথ পাড়ি দিয়েছে।
৪২ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত যখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, তখন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য ও জার্মানি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরোক্ষ সামরিক চাপের মুখেও এই দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। এই সংকটের সময়ে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করে আরাঘচি উর্দু ভাষায় একটি বার্তা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের আগ্রাসনের মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকার ও জনগণের পাশে দাঁড়ানো
৩ ঘণ্টা আগে