আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন হারিয়ে কিউবা এখন ‘পতনের জন্য প্রস্তুত’। তবে সিআইএর গোপন মূল্যায়ন বলছে ভিন্ন কথা।
সিআইএর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কিউবার অর্থনীতির মূল স্তম্ভ—কৃষি ও পর্যটন খাত এখন ধ্বংসের মুখে। এর পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো—ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কিউবায় বর্তমানে দৈনিক গড়ে ২০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। দ্বীপ রাষ্ট্রটির জনসংখ্যায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। সিআইএর এক কর্মকর্তার মতে, ২০২৩ সালে কিউবার জনসংখ্যা এক কোটির বেশি থাকলেও বর্তমানে তা ৯০ লাখের নিচে নেমে এসেছে।
পাশাপাশি ৫০ বছরের কম বয়সী বিশাল এক জনগোষ্ঠী দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য যে যুবশক্তির প্রয়োজন, তার অভাবেই সরকারবিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে পারছে না।
গত রোববার এয়ারফোর্স ওয়ানে বসে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিউবার পতন এখন সময়ের ব্যাপার। তাদের এখন কোনো আয় নেই। তারা তেলের জন্য সম্পূর্ণ ভেনেজুয়েলার ওপর নির্ভরশীল ছিল।’ তবে সিআইএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি নব্বইয়ের দশকের সেই ভয়াবহ ‘স্পেশাল পিরিয়ড’-এর (সোভিয়েত পতনের পরবর্তী সময়) মতো অতটা খারাপ পর্যায়ে এখনো পৌঁছায়নি।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক রিচার্ড ফেইনবার্গ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘যখন একটি জনগোষ্ঠী প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত থাকে, তখন তাদের একমাত্র চিন্তার বিষয় হয় পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দেওয়া। রাজনীতি নিয়ে ভাবার সময় তাদের থাকে না।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘মানুষ যখন একেবারেই মরিয়া হয়ে ওঠে, তখন তারা ভয় হারায় এবং রাজপথে নেমে আসে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০২১ সালে দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-ক্যানেলের সেই জনপ্রিয়তা নেই, যা বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ছিল। তাই সরকার পতনের ঝুঁকি বাড়ছে।’
মাদুরোকে আটকের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগুয়েজের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যাতে ভেনেজুয়েলার সব তেল এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। এর ফলে কিউবার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার সিয়েনফুয়েগোস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। রাশিয়া বা মেক্সিকো কিউবাকে সাহায্য করার চেষ্টা করলেও তেলের গুণগত মানের পার্থক্যের কারণে কিউবার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তা দিয়ে চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন হারিয়ে কিউবা এখন ‘পতনের জন্য প্রস্তুত’। তবে সিআইএর গোপন মূল্যায়ন বলছে ভিন্ন কথা।
সিআইএর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কিউবার অর্থনীতির মূল স্তম্ভ—কৃষি ও পর্যটন খাত এখন ধ্বংসের মুখে। এর পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো—ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কিউবায় বর্তমানে দৈনিক গড়ে ২০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। দ্বীপ রাষ্ট্রটির জনসংখ্যায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। সিআইএর এক কর্মকর্তার মতে, ২০২৩ সালে কিউবার জনসংখ্যা এক কোটির বেশি থাকলেও বর্তমানে তা ৯০ লাখের নিচে নেমে এসেছে।
পাশাপাশি ৫০ বছরের কম বয়সী বিশাল এক জনগোষ্ঠী দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য যে যুবশক্তির প্রয়োজন, তার অভাবেই সরকারবিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে পারছে না।
গত রোববার এয়ারফোর্স ওয়ানে বসে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিউবার পতন এখন সময়ের ব্যাপার। তাদের এখন কোনো আয় নেই। তারা তেলের জন্য সম্পূর্ণ ভেনেজুয়েলার ওপর নির্ভরশীল ছিল।’ তবে সিআইএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি নব্বইয়ের দশকের সেই ভয়াবহ ‘স্পেশাল পিরিয়ড’-এর (সোভিয়েত পতনের পরবর্তী সময়) মতো অতটা খারাপ পর্যায়ে এখনো পৌঁছায়নি।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক রিচার্ড ফেইনবার্গ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘যখন একটি জনগোষ্ঠী প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত থাকে, তখন তাদের একমাত্র চিন্তার বিষয় হয় পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দেওয়া। রাজনীতি নিয়ে ভাবার সময় তাদের থাকে না।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘মানুষ যখন একেবারেই মরিয়া হয়ে ওঠে, তখন তারা ভয় হারায় এবং রাজপথে নেমে আসে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০২১ সালে দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-ক্যানেলের সেই জনপ্রিয়তা নেই, যা বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ছিল। তাই সরকার পতনের ঝুঁকি বাড়ছে।’
মাদুরোকে আটকের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগুয়েজের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যাতে ভেনেজুয়েলার সব তেল এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। এর ফলে কিউবার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার সিয়েনফুয়েগোস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। রাশিয়া বা মেক্সিকো কিউবাকে সাহায্য করার চেষ্টা করলেও তেলের গুণগত মানের পার্থক্যের কারণে কিউবার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তা দিয়ে চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা গণবিক্ষোভের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে দিয়েছেন, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী যে কাউকেও ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সেই অনুসারে শাস্তি দেওয়া হবে। ইরানি আইন অনুযায়ী যে অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
৯ মিনিট আগে
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থী এক আইনপ্রণেতার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে অপহরণ করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী হস্তক্ষেপের তালিকায় থাকতে পারে ইরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার দাবি করেছে, তারা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত-সমর্থিত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) কাছ থেকে তার দেশের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে