
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী কমলা হ্যারিস জনমত জরিপে আবারও পেছনে ফেলেছেন রিপাবলিক পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। নির্বাচন সামনে রেখে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ইপসসের নতুন জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে যত দিন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ছিলেন, তত দিন জনমত জরিপে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানেই ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই অবস্থা পরিবর্তিত হয়েছে। বাইডেন সরে দাঁড়িয়ে তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলাকে সমর্থন দেওয়ার পর পাশার দান পাল্টে গেছে।
গত রোববার শেষ হয় রয়টার্স-ইপসসের তিন দিনব্যাপী জরিপ। গত ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে চলা এই জরিপে মোট ১ হাজার ২৫ জন ভোটার অংশ নেন। এতে ৪৩ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটারের সমর্থন পেয়েছেন কমলা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি রয়েছে ৪২ শতাংশ ভোটারের সমর্থন। অর্থাৎ ১ পয়েন্ট বেশি এগিয়ে আছেন কমলা। গত সপ্তাহে রয়টার্স-ইপসস জরিপেও এগিয়ে ছিলেন কমলা। সে সময় তিনি ৪৪ শতাংশ ভোটারের সমর্থন পান আর ট্রাম্প পান ৪২ শতাংশ।
এদিকে দলীয় চাপের মুখে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান। বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর পরে কমলা গত ১০ দিনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান মজবুত করেছেন। এর পর থেকে তিনি ব্যাপক অনুদান ও সমর্থন পাচ্ছেন। দলের চাপে নিজেকে সরিয়ে নিলেও কমলার প্রতি নিজের সমর্থন ও আস্থার কথা জানিয়েছেন বাইডেন।
সামগ্রিকভাবে গত মাস থেকেই ভোটারদের আগ্রহের জায়গায় আসতে শুরু করেন কমলা। সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, ৪৬ শতাংশ ভোটার তাঁকে সমর্থন করেন। বিপরীতে সমর্থন করেন না ৫১ শতাংশ ভোটার। এর আগে ২ জুলাই রয়টার্স-ইপসসের জরিপে ৪০ শতাংশ ভোটার হ্যারিসের পক্ষে থাকলেও ৫৭ শতাংশ ভোটার তাঁর বিপক্ষে অবস্থান নেন। তবে এ সময়ের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থনে খুব বেশি পরিবর্তন দেখা যায়নি। নিবন্ধিত ভোটারদের ৪১ শতাংশ তাঁকে পছন্দ করলেও জরিপের ৫৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী তাঁর প্রতি অপছন্দের কথা জানিয়েছেন।
জরিপে দেখা গেছে, ভোটারেরা অর্থনীতি, অভিবাসন ও অপরাধ বিষয়ে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিকে পছন্দ করেন। অন্যদিকে কমলাকে পছন্দের কারণ হিসেবে তাঁর স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা বেছে নিয়েছেন ভোটাররা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এসব জরিপের মাধ্যমে রাজনীতিবিদদের প্রতি ভোটারদের অবস্থান তুলে ধরা হয়। তবে নির্বাচনে অ্যারিজোনা, মিশিগান, জর্জিয়া ও পেনসিলভানিয়ার মতো রাজ্যেগুলো আলাদা গুরুত্ব পেয়ে থাকে। কারণ এই রাজ্যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী কমলা হ্যারিস জনমত জরিপে আবারও পেছনে ফেলেছেন রিপাবলিক পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। নির্বাচন সামনে রেখে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ইপসসের নতুন জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে যত দিন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ছিলেন, তত দিন জনমত জরিপে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানেই ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই অবস্থা পরিবর্তিত হয়েছে। বাইডেন সরে দাঁড়িয়ে তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলাকে সমর্থন দেওয়ার পর পাশার দান পাল্টে গেছে।
গত রোববার শেষ হয় রয়টার্স-ইপসসের তিন দিনব্যাপী জরিপ। গত ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে চলা এই জরিপে মোট ১ হাজার ২৫ জন ভোটার অংশ নেন। এতে ৪৩ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটারের সমর্থন পেয়েছেন কমলা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি রয়েছে ৪২ শতাংশ ভোটারের সমর্থন। অর্থাৎ ১ পয়েন্ট বেশি এগিয়ে আছেন কমলা। গত সপ্তাহে রয়টার্স-ইপসস জরিপেও এগিয়ে ছিলেন কমলা। সে সময় তিনি ৪৪ শতাংশ ভোটারের সমর্থন পান আর ট্রাম্প পান ৪২ শতাংশ।
এদিকে দলীয় চাপের মুখে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান। বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর পরে কমলা গত ১০ দিনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান মজবুত করেছেন। এর পর থেকে তিনি ব্যাপক অনুদান ও সমর্থন পাচ্ছেন। দলের চাপে নিজেকে সরিয়ে নিলেও কমলার প্রতি নিজের সমর্থন ও আস্থার কথা জানিয়েছেন বাইডেন।
সামগ্রিকভাবে গত মাস থেকেই ভোটারদের আগ্রহের জায়গায় আসতে শুরু করেন কমলা। সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, ৪৬ শতাংশ ভোটার তাঁকে সমর্থন করেন। বিপরীতে সমর্থন করেন না ৫১ শতাংশ ভোটার। এর আগে ২ জুলাই রয়টার্স-ইপসসের জরিপে ৪০ শতাংশ ভোটার হ্যারিসের পক্ষে থাকলেও ৫৭ শতাংশ ভোটার তাঁর বিপক্ষে অবস্থান নেন। তবে এ সময়ের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থনে খুব বেশি পরিবর্তন দেখা যায়নি। নিবন্ধিত ভোটারদের ৪১ শতাংশ তাঁকে পছন্দ করলেও জরিপের ৫৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী তাঁর প্রতি অপছন্দের কথা জানিয়েছেন।
জরিপে দেখা গেছে, ভোটারেরা অর্থনীতি, অভিবাসন ও অপরাধ বিষয়ে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিকে পছন্দ করেন। অন্যদিকে কমলাকে পছন্দের কারণ হিসেবে তাঁর স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা বেছে নিয়েছেন ভোটাররা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এসব জরিপের মাধ্যমে রাজনীতিবিদদের প্রতি ভোটারদের অবস্থান তুলে ধরা হয়। তবে নির্বাচনে অ্যারিজোনা, মিশিগান, জর্জিয়া ও পেনসিলভানিয়ার মতো রাজ্যেগুলো আলাদা গুরুত্ব পেয়ে থাকে। কারণ এই রাজ্যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্রিজিতের লৈঙ্গিক পরিচয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং এই দম্পতির মধ্যকার ২৪ বছরের বয়সের ব্যবধান নিয়ে ‘বিদ্বেষমূলক মন্তব্য’ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ডেনমার্কের অধীনস্থ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে সামরিক হামলা চালান, তবে তা ন্যাটো জোটের শেষ পরিণতি ডেকে আনবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।
২ ঘণ্টা আগে
এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মাচাদো ফক্স নিউজকে বলেন, নতুন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ, যিনি মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তাঁকে ‘বিশ্বাস করা যায় না’।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বিচারের জন্য নিউইয়র্কে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর, দেশটিতে নিজেদের স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং স্টেশন ও অন্যান্য স্পর্শকাতর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে চীন। হংকংভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায় মর্নিং...
৫ ঘণ্টা আগে