আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়েই বলেন, ‘সাহায্য আসছে।’ কয়েক দিন ধরে ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে বিবেচনা করছেন।
ট্রাম্প তাঁর নিজ মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘ইরানি দেশপ্রেমিকেরা, প্রতিবাদ চালিয়ে যান—আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন!!! হত্যাকারী ও নির্যাতনকারীদের নাম সংগ্রহ করে রাখুন। তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য আসছে। মিগা (MIGA)!! মাগা (MAGA)।’
তেহরানকে মার্কিন দাবিগুলোর সঙ্গে আরও বেশি সংগতিপূর্ণ করতে চাপ দেওয়ার কৌশল হিসেবে ট্রাম্প অতীতেও ইরানকে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। গত এক সপ্তাহে তিনি বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরানি কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। মঙ্গলবার স্টেট ডিপার্টমেন্ট একটি সতর্কতা জারি করে বলেছে, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন নাগরিকদের ‘এখনই ইরান ত্যাগ করা’ উচিত।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে ‘সাহায্য আসছে’ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন, ট্রাম্প তখন সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আপনাদেরই এটি বুঝে নিতে হবে। আমি দুঃখিত।’
পরবর্তী সময়ে সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প পুনরায় বলেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে। তিনি আরও যোগ করেন, কতজন নিহত হয়েছে সে বিষয়ে তিনি এখনো ‘সঠিক পরিসংখ্যান’ পাননি।
বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, মার্কিন হামলা, যা সম্ভবত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করবে, ইরানের ওপর অপ্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে। ইরান বর্তমানে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ আন্দোলনের মুখোমুখি হচ্ছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রজেক্টের পরিচালক আলী ভায়েজ আল জাজিরাকে দেওয়া এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ইরানি জনগণ একটি দমনমূলক শাসনব্যবস্থা এবং বিদেশি আগ্রাসনের মধ্যে আটকা পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) যদি ইরানের রাজনৈতিক শীর্ষ নেতৃত্বকে হটিয়ে দেওয়ার (political decapitation) সিদ্ধান্ত নেন, তবে এরপর কী হবে? ইরানের ভেতরে এমন কোনো সংগঠিত বা কার্যকর বিরোধী দল নেই, যারা তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে। ফলে আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রেভল্যুশনারি গার্ডের ভেতরকার দমনমূলক পক্ষগুলোর।’
ভায়েজ যোগ করেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) যদি ইরানের শাসনব্যবস্থার শীর্ষে সম্পূর্ণ শূন্যতা তৈরি করেন, তবে দেশটি লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন বা ইরাকের মতো সহিংস বিশৃঙ্খলা এবং গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হতে পারে।’
এদিকে ইরানের বাইরে মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১০০ জনের বেশি নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আল জাজিরা স্বাধীনভাবে এই পরিসংখ্যানগুলো যাচাই করতে পারেনি। ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পাঁচ দিন ধরে তথ্যের প্রবাহ সীমিত হয়ে আছে।
এদিকে ইরানি কর্মকর্তারা বারবার যুক্তরাষ্ট্রকে এই অস্থিরতা উসকে দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।
সর্বশেষ ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার আবদুর রহিম মোসাভি কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার জন্য দেশটির ভেতরে সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসআইএল (আইএসআইএস)-এর সদস্যদের মোতায়েন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়েই বলেন, ‘সাহায্য আসছে।’ কয়েক দিন ধরে ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে বিবেচনা করছেন।
ট্রাম্প তাঁর নিজ মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘ইরানি দেশপ্রেমিকেরা, প্রতিবাদ চালিয়ে যান—আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন!!! হত্যাকারী ও নির্যাতনকারীদের নাম সংগ্রহ করে রাখুন। তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য আসছে। মিগা (MIGA)!! মাগা (MAGA)।’
তেহরানকে মার্কিন দাবিগুলোর সঙ্গে আরও বেশি সংগতিপূর্ণ করতে চাপ দেওয়ার কৌশল হিসেবে ট্রাম্প অতীতেও ইরানকে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। গত এক সপ্তাহে তিনি বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরানি কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। মঙ্গলবার স্টেট ডিপার্টমেন্ট একটি সতর্কতা জারি করে বলেছে, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন নাগরিকদের ‘এখনই ইরান ত্যাগ করা’ উচিত।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে ‘সাহায্য আসছে’ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন, ট্রাম্প তখন সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আপনাদেরই এটি বুঝে নিতে হবে। আমি দুঃখিত।’
পরবর্তী সময়ে সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প পুনরায় বলেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে। তিনি আরও যোগ করেন, কতজন নিহত হয়েছে সে বিষয়ে তিনি এখনো ‘সঠিক পরিসংখ্যান’ পাননি।
বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, মার্কিন হামলা, যা সম্ভবত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করবে, ইরানের ওপর অপ্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে। ইরান বর্তমানে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ আন্দোলনের মুখোমুখি হচ্ছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রজেক্টের পরিচালক আলী ভায়েজ আল জাজিরাকে দেওয়া এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ইরানি জনগণ একটি দমনমূলক শাসনব্যবস্থা এবং বিদেশি আগ্রাসনের মধ্যে আটকা পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) যদি ইরানের রাজনৈতিক শীর্ষ নেতৃত্বকে হটিয়ে দেওয়ার (political decapitation) সিদ্ধান্ত নেন, তবে এরপর কী হবে? ইরানের ভেতরে এমন কোনো সংগঠিত বা কার্যকর বিরোধী দল নেই, যারা তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে। ফলে আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রেভল্যুশনারি গার্ডের ভেতরকার দমনমূলক পক্ষগুলোর।’
ভায়েজ যোগ করেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) যদি ইরানের শাসনব্যবস্থার শীর্ষে সম্পূর্ণ শূন্যতা তৈরি করেন, তবে দেশটি লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন বা ইরাকের মতো সহিংস বিশৃঙ্খলা এবং গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হতে পারে।’
এদিকে ইরানের বাইরে মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১০০ জনের বেশি নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আল জাজিরা স্বাধীনভাবে এই পরিসংখ্যানগুলো যাচাই করতে পারেনি। ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পাঁচ দিন ধরে তথ্যের প্রবাহ সীমিত হয়ে আছে।
এদিকে ইরানি কর্মকর্তারা বারবার যুক্তরাষ্ট্রকে এই অস্থিরতা উসকে দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।
সর্বশেষ ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার আবদুর রহিম মোসাভি কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার জন্য দেশটির ভেতরে সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসআইএল (আইএসআইএস)-এর সদস্যদের মোতায়েন করেছে।

তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
১৫ মিনিট আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নানাবিধ বিধিনিষেধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বেড়েছে। গত শুক্রবার হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। বাণিজ্য
১৯ মিনিট আগে
গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তীব্র ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ছয় শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১৩ ঘণ্টা আগে