আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় নতুন করে অভিযান শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। তথাকথিত অভিযানের নামে এই হত্যাযজ্ঞের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন গিদিওনস চ্যারিয়ট’ বা ‘গিদিওনের রথ।’ ইসরায়েলি বাহিনী এই অভিযান শুরু করার পর গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে এই প্রতিবেদন লেখার কিছু সময় আগ পর্যন্ত অন্তত ১১৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আজ শনিবার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা গাজা উপত্যকায় ‘বিস্তৃত হামলা’ চালিয়েছে। অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তাদের নতুন অভিযানের ‘প্রাথমিক পর্যায়’ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে টেলিগ্রামে আরবিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা গাজা উপত্যকায় ‘যুদ্ধের সম্প্রসারণের অংশ।’ এর লক্ষ্য ‘জিম্মিদের মুক্তি ও হামাসকে পরাজিত করাসহ যুদ্ধের সব উদ্দেশ্য অর্জন করা।’
এদিকে, গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ১১৫ জন নিহত হয়েছেন। ‘অপারেশন গিদিওনের রথ’ নামে পরিচিত এই অভিযান এমন সময়ে শুরু করল ইসরায়েল, যখন হামাসের হাতে আটক এক মার্কিন-ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে গাজায় ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার চাপের মুখে রয়েছে তেল আবিব।
এর আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। দুই মাস বিরতির পর গত ১৮ মার্চ ইসরায়েল গাজায় তার সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করে। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল নতুন করে হামলা শুরু করার পর থেকে সেখানে ২ হাজার ৯৮৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে যুদ্ধের মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ১১৯ জনে।
কেবল ইসরায়েলি হামলায় নয়, ফিলিস্তিনিরা অনাহারেও মারা যাচ্ছেন। গত মার্চের শুরুতে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর ইসরায়েল আবারও গাজায় সাহায্য প্রবেশে বাধা দেয়। তাদের যুক্তি ছিল, গোষ্ঠীটি ত্রাণসামগ্রী চুরি করছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো শুক্রবার জানিয়েছে, সামরিক বাহিনী এই মাসের শুরুতে সরকার অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আক্রমণ তীব্র করেছে। যদিও বর্ধিত অভিযানের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় নতুন করে অভিযান শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। তথাকথিত অভিযানের নামে এই হত্যাযজ্ঞের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন গিদিওনস চ্যারিয়ট’ বা ‘গিদিওনের রথ।’ ইসরায়েলি বাহিনী এই অভিযান শুরু করার পর গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে এই প্রতিবেদন লেখার কিছু সময় আগ পর্যন্ত অন্তত ১১৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আজ শনিবার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা গাজা উপত্যকায় ‘বিস্তৃত হামলা’ চালিয়েছে। অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তাদের নতুন অভিযানের ‘প্রাথমিক পর্যায়’ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে টেলিগ্রামে আরবিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা গাজা উপত্যকায় ‘যুদ্ধের সম্প্রসারণের অংশ।’ এর লক্ষ্য ‘জিম্মিদের মুক্তি ও হামাসকে পরাজিত করাসহ যুদ্ধের সব উদ্দেশ্য অর্জন করা।’
এদিকে, গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ১১৫ জন নিহত হয়েছেন। ‘অপারেশন গিদিওনের রথ’ নামে পরিচিত এই অভিযান এমন সময়ে শুরু করল ইসরায়েল, যখন হামাসের হাতে আটক এক মার্কিন-ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে গাজায় ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার চাপের মুখে রয়েছে তেল আবিব।
এর আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। দুই মাস বিরতির পর গত ১৮ মার্চ ইসরায়েল গাজায় তার সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করে। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল নতুন করে হামলা শুরু করার পর থেকে সেখানে ২ হাজার ৯৮৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে যুদ্ধের মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ১১৯ জনে।
কেবল ইসরায়েলি হামলায় নয়, ফিলিস্তিনিরা অনাহারেও মারা যাচ্ছেন। গত মার্চের শুরুতে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর ইসরায়েল আবারও গাজায় সাহায্য প্রবেশে বাধা দেয়। তাদের যুক্তি ছিল, গোষ্ঠীটি ত্রাণসামগ্রী চুরি করছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো শুক্রবার জানিয়েছে, সামরিক বাহিনী এই মাসের শুরুতে সরকার অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আক্রমণ তীব্র করেছে। যদিও বর্ধিত অভিযানের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
২ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে