
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন আইন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি-বাবাই জানিয়েছেন, এই নতুন আইনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েলি জাহাজসহ শত্রুদেশের যেকোনো নৌযানের চলাচল পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে।
পার্লামেন্টে উত্থাপিত এই খসড়া বিল অনুযায়ী, কেবল শত্রুদেশের জাহাজই নয়, বরং ইরান যেসব দেশকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করে, তাদের যেকোনো বাণিজ্যিক বা সামরিক জাহাজের জন্য এই পথ বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে অন্য দেশের জাহাজগুলো ইরানের অনুমতি ও অনুমোদন সাপেক্ষে এই রুট দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।
যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ: বিলটিতে প্রস্তাব করা হয়েছে, যেসব দেশ ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বা যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত, তাদের জাহাজগুলো যদি এই পথ ব্যবহার করতে চায়, তবে তাদের ইরানকে ‘যুদ্ধক্ষতিপূরণ’ দিতে হবে।
নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব: ইরান সরকার এই আইন পাস করে হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। পাশাপাশি, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে টোল বা ফি আদায় করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ইরানের ‘পারস্য উপসাগর পুনর্গঠন ও উন্নয়ন তহবিলে’ জমা হবে।
পরিবর্তিত পরিস্থিতি: ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের যে স্বাভাবিক অবস্থা ছিল, ভবিষ্যতে তা আর ফিরে আসবে না। তারা এই জলপথকে এখন তাদের কৌশলগত নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও চলাচল ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ইরান এই প্রণালিকে এখন তাদের ‘কৌশলগত সম্পদ’ হিসেবে অভিহিত করছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, মার্কিন অবরোধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই আইন ইরানকে তার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানে আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশল।
এর আগে পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি এই ‘হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ অনুমোদন করেছে। এখন এটি পার্লামেন্টের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ভোটাভুটি এবং পরবর্তীতে গার্ডিয়ান কাউন্সিল অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আইনটি চূড়ান্ত হলে তা বিশ্ববাজার ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

শান্তি আলোচনা যখন স্থবির হয়ে পড়ছে, তখন এই অবরোধের প্রভাবকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে চাইছে পেন্টাগন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরান নীতিতে এই অবরোধই যুদ্ধের ইতি টানার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশলগত হাতিয়ার।
৯ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা তাদের জাহাজের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিই। আমরা কার্গো এবং তেল জব্দ করেছি। এটি একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা।’ উল্লসিত জনতার উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতো আচরণ করছি।’
৯ ঘণ্টা আগে
মাছ ধরার সময় জেলের ছিপের সুতা একটি ঝোপের মধ্যে আটকে যায়। সুতা ছাড়াতে তিনি যখন ঝোপের ভেতর প্রবেশ করেন, তখন তীব্র দুর্গন্ধ পান। প্লাস্টিকের ব্যাগটি খোলা ছিল এবং ভেতরে লোনাপানি প্রবেশ করেছিল। তিনি বুঝতে পারেন, ভেতরে মানুষের দেহাবশেষ রয়েছে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানান এবং তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
৯ ঘণ্টা আগে
অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিরা ট্যাঙ্কারটিতে উঠে এটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং সেটিকে গালফ অব এডেন হয়ে সোমালিয়ার জলসীমার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের কোস্টগার্ড।
১০ ঘণ্টা আগে