Ajker Patrika

মধ্যপ্রাচ্যে এফ-৩৫সহ বিপুলসংখ্যক যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১৭: ১৭
মধ্যপ্রাচ্যে এফ-৩৫সহ বিপুলসংখ্যক যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
এফ-৩৫বি ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে ইসরায়েলে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও মাঝ-আকাশে জ্বালানি ভরার রিফুয়েলিং বিমান আনতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে অঞ্চলজুড়ে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন, কঠোর ভ্রমণ সতর্কতা, সামরিক কৌশলে পরিবর্তন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন অভিযানের প্রস্তুতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, ওয়াশিংটন আবারও সংঘাতের মাত্রা বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে। যদিও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখনই পূর্ণমাত্রার যুদ্ধকে অনিবার্য বলতে নারাজ, তবু তাদের মূল্যায়ন, পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যেতে পারে।

টানা আট রাত ধরে চলা পাল্টাপাল্টি হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে গোলাগুলির এই বিনিময় যেন এখন একধরনের দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়েছে। ইরানে প্রতিটি নতুন দফার হামলা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি বিবৃতি দেয়, আবার অভিযান শেষ হওয়ার পর আরেকটি বিবৃতি প্রকাশ করে। জবাবে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে দেয় এবং নতুন করে হুমকি উচ্চারণ করে। শনিবার রাত থেকে আজ রোববার সকাল পর্যন্তও একই ধারা অব্যাহত ছিল। আজ রোববার সকালে কুয়েতে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে।

সাম্প্রতিক কয়েক দিনের একাধিক ঘটনার পর এমন মূল্যায়ন সামনে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আরেক দফা উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য নিজেদের প্রস্তুতির মাত্রা বাড়াচ্ছে, যা প্রয়োজনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার পথও খুলে দিতে পারে। অঞ্চলে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন, রিফুয়েলিং বিমান ও যুদ্ধবিমান পৌঁছানো, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জন্য আরও কঠোর ভ্রমণ সতর্কতা জারি এবং সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে শিক্ষা নিয়ে সামরিক পরিকল্পনায় পরিবর্তনের খবর, সব মিলিয়ে বড় ধরনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মূল্যায়ন হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনের আগে ওয়াশিংটন যদি নতুন কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি করে, তবে তা সম্ভবত সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত রাখার চেষ্টা করবে। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সীমিত সংঘর্ষও নিয়ন্ত্রণে রাখা মোটেও সহজ নয়। গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা দেয়, এক দিন আগে জর্ডানে ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও এক সেনা এখনো নিখোঁজ। সংঘর্ষ পুনরায় শুরু হওয়ার পর এটাই প্রথম মার্কিন সামরিক প্রাণহানির ঘটনা।

মার্কিন কর্মকর্তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে জানান, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে জর্ডানে আরও কয়েক ডজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, এর জবাব হিসেবে টানা অষ্টম রাতেও ইরানে হামলা চালানো হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রতিশোধকে যথেষ্ট বলে মনে না-ও করতে পারেন।

আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, নিহত সেনারা মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে অবস্থান করছিলেন। এই ঘাঁটির একটি টার্মিনাল হাই অলটিট্যুড এয়ার ডিফেন্স বা থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গত মার্চ মাসে হামলার শিকার হয়েছিল। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ইরান মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে এবং এমন অত্যন্ত দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে, যা ভূমির কাছে পৌঁছানোর সময় কৌশলে দিক পরিবর্তন করতে সক্ষম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ইরানের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, মার্কিন মহলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, লক্ষ্য নির্ধারণে (টার্গেট অ্যাকুইজিশন) ইরান হয়তো চীন বা রাশিয়ার সহায়তা পাচ্ছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্যও ফুরিয়ে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ধারাবাহিক হামলা এবং মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের ভেতরে কঠোরপন্থীদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাদের দাবি, এখন ‘কাজ শেষ করার’ সময় এসে গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেন্টাগন সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে শিক্ষা নিচ্ছে। ভবিষ্যৎ হামলাকে আরও কার্যকর করতে এবং ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অতিক্রম করতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ড্রোন ও অন্যান্য মানববিহীন ব্যবস্থার ব্যবহার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

ইসরায়েলে পৌঁছাচ্ছে মার্কিন যুদ্ধবিমান

এদিকে আরেক দফা উত্তেজনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে রিফুয়েলিং বিমান এবং যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে। মার্কিন পাইলট ও ক্রুরা শুরুতে তেল আবিবের কাছাকাছি অবস্থান, সমুদ্র উপকূল এবং রাতের জীবনযাত্রার সুবিধার কারণে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে, ট্যাংকার বিমানগুলো শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর ঘাঁটিতেই মোতায়েন করা হবে।

ক্রুদের অবসর সময়ে দক্ষিণ ইসরায়েলের ঘাঁটি থেকে তেল আবিবে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পৌঁছে যাওয়া কয়েক ডজন রিফুয়েলিং বিমানের পাশাপাশি যুদ্ধবিমানও ইসরায়েলে স্থানান্তর করা হচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র জার্মানির স্পাংডাহলেম বিমানঘাঁটি থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে ব্রিটেন থেকে অত্যাধুনিক স্টিলথ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও এই অঞ্চলে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব যুদ্ধবিমান অন্যান্য মিশনের পাশাপাশি ইরানের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে সহায়তা করা রাডার ধ্বংসের কাজেও ব্যবহার করা হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভ্রমণ সতর্কতা

শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর জন্য নতুন ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং অনির্দেশ্য পরিস্থিতির ঝুঁকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মার্কিন নাগরিকদের পুরো অঞ্চলে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছে।’

এরপর শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বিশ্বব্যাপী একটি নিরাপত্তা সতর্কতাও জারি করে। সেখানে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল রয়ে গেছে এবং যেকোনো সময় অনির্দেশ্যভাবে উত্তেজনা বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্থাপনাগুলো ইতিমধ্যে হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। পাশাপাশি ফ্লাইট বাতিল এবং সময়ে সময়ে আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ভ্রমণকারীরা বড় ধরনের বিঘ্নের মুখে পড়তে পারেন।

বিশ্বকাপ শেষে নতুন হিসাব

মার্কিন প্রস্তুতির এই পরিবর্তনের সময়টিও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের দৃষ্টি এড়ায়নি। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ফুটবল বিশ্বকাপ রোববার সন্ধ্যায় শেষ হচ্ছে। কিছু বিশ্লেষকের ধারণা ছিল, টুর্নামেন্ট চলাকালে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বকাপ একটি প্রভাবক হিসেবে কাজ করছিল। এখন টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ায় সেই সম্ভাব্য বাধাও দূর হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজনও শেষ হচ্ছে। এ দুটি অনুষ্ঠানের আগেই ইরানের সঙ্গে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেটি এখন কার্যত ভেঙে পড়েছে।

রহস্যময় বি-২ বোমারু বিমান নিয়ে পোস্ট

গতকাল হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ড্যান স্ক্যাভিনো একটি বি-২ বোমারু বিমানের ভিডিও প্রকাশ করেন। অপারেশন লায়নস রোর শুরুর এক দিন আগেও তিনি একই ধরনের একটি পোস্ট করেছিলেন। পরদিন সেই বি-২ বোমারু বিমানগুলো ইরানে ভূগর্ভস্থ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ওপর কয়েক ডজন ভারী বোমা নিক্ষেপ করেছিল, যা ছিল ওই যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনের অন্যতম প্রধান অভিযান। নতুন এই পোস্ট আবারও জল্পনা বাড়িয়েছে, আরেকটি বড় সামরিক অভিযান হয়তো সামনে আসছে।

প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলও

তবে এতসব সতর্কসংকেত সত্ত্বেও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখনই নিশ্চিতভাবে বলছেন না যে আরেকটি যুদ্ধ অনিবার্য, বিশেষ করে এমন কোনো যুদ্ধ যাতে ইসরায়েলের সরাসরি অংশগ্রহণ অবশ্যই থাকবে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মহলের বর্তমান মূল্যায়ন হলো, আগের সংঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে ইরান আপাতত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি নতুন ফ্রন্ট খুলতে চায় না।

তবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, এটি কেবল একটি মূল্যায়নমাত্র। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যেতে পারে। ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের আরেকটি বড় উদ্বেগ হলো, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে অভিযান শুরু করে, সেখানে ইসরায়েলের সম্ভাব্য ভূমিকা কী হবে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন পুরো অভিযান একাই পরিচালনা করতে চেয়েছে, এমনকি ইসরায়েল সহায়তা বা সরাসরি অংশগ্রহণের আগ্রহ দেখালেও। দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে নিবিড় সমন্বয় থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সরাসরি অংশগ্রহণ ঠেকিয়ে রেখেছে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য ছিল সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি কমানো এবং ইরান যাতে এটিকে যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

তবে এই নীতি স্থায়ী না-ও হতে পারে।

যদি পেন্টাগনের মূল্যায়ন হয় যে তাদের সামরিক লক্ষ্য অর্জনে ইসরায়েলের সক্ষমতা অপরিহার্য, তা সে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর অভিজ্ঞতার কারণেই হোক বা ইসরায়েলের অন্যান্য গোয়েন্দা ও সামরিক সক্ষমতার জন্যই হোক, তাহলে এই সিদ্ধান্ত খুব দ্রুত বদলে যেতে পারে। অন্যদিকে ইসরায়েল যদি সরাসরি কোনো মার্কিন অভিযানে অংশ না-ও নেয়, তবু যে তারা সংঘাতের বাইরে থাকবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা এমন সম্ভাবনার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সরাসরি জড়িত না থাকলেও ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে পারে। এ ছাড়া লেবাননে ইসরায়েলের বড় ধরনের সামরিক অভিযানও ইরানকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলায় উসকে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বৃহত্তর যুদ্ধে ইসরায়েলের জড়িয়ে পড়া প্রায় অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতির নানা লক্ষণ ক্রমেই স্পষ্ট হলেও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখনো নিশ্চিত করে বলতে রাজি নন যে নতুন করে সংঘাত বৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। এই মুহূর্তে ওয়াশিংটন মূলত প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন সামরিক বিকল্প গড়ে তুলছে। তবে মার্কিন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, গোয়েন্দা মূল্যায়নের পরিবর্তন কিংবা ইরানের কোনো অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপসহ একাধিক ভেরিয়েবলের যেকোনো একটিতে পরিবর্তন এলেই ইসরায়েল সংঘাতের বাইরে থাকবে বলে যে ধারণা করা হচ্ছে, তা মুহূর্তেই ভেঙে পড়তে পারে।

এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, ‘ইসরায়েলকে হয়তো যুদ্ধে যোগ দিতেই হবে। সমঝোতা স্মারকটি মৃত, আর তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছে। তারা আমাদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর চেষ্টা করবে, সেই সম্ভাবনার জন্য ইসরায়েলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। কিন্তু তারা যদি তা করে, তবে তাদের খুবই চড়া মূল্য দিতে হবে। আগেরবারের মতো আমরা এবার থামব না।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত