
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং উত্তেজনা প্রশমনে ইরান যেকোনো ‘সিরিয়াস’ বা কার্যকর প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ওমান। আজ রোববার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সঙ্গে এক ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ কথা জানান।
ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ফোনালাপে আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইরান সব সময় শান্তি বজায় রাখার পক্ষে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো যৌথ হামলা পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। সংঘাত থামিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যেকোনো ‘সিরিয়াস’ বা কার্যকর প্রচেষ্টায় ইরান ইতিবাচক সাড়া দিতে প্রস্তুত।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানকে সর্বোচ্চ ‘সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে না, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যমান সুসম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত বা বিঘ্নিত করে।
প্রসঙ্গত, ওমান দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে; বিশেষ করে পারমাণবিক চুক্তি (নিউক্লিয়ার টক) নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা তৈরিতে মাসকাটের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
১৩ মিনিট আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির অবস্থান গাল্লেহ দার বলে নিশ্চিত করেছে। ভিডিওতে দেখা যাওয়া গোলচত্বর, সড়কের নকশা, ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং গাছপালার অবস্থান স্যাটেলাইট ও ফাইল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে এই সত্যতা যাচাই করা হয়েছে
১ ঘণ্টা আগে