
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান মোকাবিলায় ১০ লাখেরও বেশি ইরানি যোদ্ধাকে সংগঠিত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে দেশটির উচ্চপদস্থ একটি সামরিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থল আক্রমণের ক্রমবর্ধমান জল্পনার মধ্যে ইরানি যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ওই সামরিক সূত্রটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরানি যোদ্ধারা নিজ মাটিতে মার্কিনিদের জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক জাহান্নাম’ তৈরি করতে প্রস্তুত।
সূত্রটি জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ১০ লাখের বেশি যোদ্ধা সংগঠিত করার পাশাপাশি দেশটির হাজার হাজার তরুণ বাসিজ, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য গণ-আবেদন জমা দিচ্ছে। তরুণদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে যুদ্ধের ময়দানে বড় শক্তি হিসেবে দেখছে তেহরান।
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার সমালোচনা করে ওই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আত্মঘাতী ও ধ্বংসাত্মক কৌশলের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খুলতে চায়, তা বেশ ভালো। আমরা তাদের এই আত্মঘাতী কৌশল মোকাবিলা করতে এবং হরমুজ বন্ধ রাখতে পুরোপুরি প্রস্তুত।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই দিনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় ইরানের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ হতাহত হয়েছেন।
এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।

হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের নাহারিয়ায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ হামলায় অপর এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। ইরান ও হিজবুল্লাহর হামলার কারণে ইসরায়েলের তেল আবিব, মধ্যাঞ্চলীয় এলাকা ও জেরুজালেমে বৃহস্পতিবার প্রায় সারাদিন থেমে থেমে সতর্ক সংকেত বেজেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের এই পদক্ষেপকে ‘উপহার’ ও ‘ভালো ইঙ্গিত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত কেবিনেট মিটিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
২ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করে সুবিধা পাওয়ার পর, এবার পাল্টা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে রাশিয়া। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইরানকে সহায়তার জন্য রাশিয়া ড্রোন, ওষুধ...
২ ঘণ্টা আগে
তেহরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, এই চুক্তির সদস্যপদ ইরানের জন্য কোনো সুবিধা তো আনেইনি, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দাগিরির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে