Ajker Patrika

ইরানকে ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া, দাবি পশ্চিমা গোয়েন্দাদের

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
ইরানকে ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া, দাবি পশ্চিমা গোয়েন্দাদের
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করে সুবিধা পাওয়ার পর এবার পাল্টা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে রাশিয়া। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইরানকে সহায়তার জন্য রাশিয়া ড্রোন, ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রীর একটি বড় চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হামলার মাত্র কয়েক দিন পরেই রাশিয়া ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই ড্রোন সরবরাহের বিষয়ে গোপন আলোচনা শুরু করেন। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, চলতি মার্চের শুরু থেকেই রাশিয়া এই সরবরাহ শুরু করেছে এবং মাসের শেষ নাগাদ এই চালান সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের জন্য মস্কোর এটিই প্রথম সরাসরি ও প্রাণঘাতী সামরিক সহায়তা বলে মনে করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার দাবি করে আসছেন, রাশিয়া ইরানকে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে। গতকাল বুধবার তিনি অভিযোগ করেন, মস্কো যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ব্ল্যাকমেল’ করার চেষ্টা করেছে। রাশিয়ার প্রস্তাব ছিল, ওয়াশিংটন যদি ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে, তবে বিনিময়ে মস্কোও ইরানকে সামরিক তথ্য দেওয়া বন্ধ রাখবে। জেলেনস্কি রয়টার্সকে জানান, রাশিয়ার এই গোয়েন্দা সহায়তার বিষয়ে তাঁর কাছে ‘অকাট্য প্রমাণ’ রয়েছে।

ড্রোন সরবরাহের এই খবর নিয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি বিষয়টিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে তিনি এটুকু স্বীকার করেছেন, রুশ নেতৃত্বের সঙ্গে ইরানের নিয়মিত সংলাপ ও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে ইউক্রেন এখন বিশ্বের অন্যতম অভিজ্ঞ দেশ। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন ইউক্রেনের এই ড্রোন প্রতিরক্ষা অভিজ্ঞতার প্রতি গভীর আগ্রহ দেখাচ্ছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, এই অঞ্চলে এখন কেবল শাহেদ নয়, বরং এফপিভি ড্রোনের ব্যবহারও বাড়ছে। ইউক্রেন তাদের এই বিশেষ অভিজ্ঞতা উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বিনিময় করতে প্রস্তুত, যার বিনিময়ে তারা ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষা এবং প্রতিরক্ষা তহবিলের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রত্যাশা করছে।

জেলেনস্কির মতে, ইউরোপে যখন ইউক্রেনের সহায়তা বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তখন মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে এই অংশীদারত্ব ইউক্রেনকে আরও শক্তিশালী করার একটি নতুন সুযোগ।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: বেঁচে ফিরলেন খোকসার খাইরুল, ছিনিয়ে নিয়েছে মোবাইল ফোন

সোনার দাম দীর্ঘমেয়াদি পতনে যাচ্ছে

‘ডিপ স্টেট’ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল: আসিফ মাহমুদ

হরমুজ দিয়ে চলবে বাংলাদেশসহ ৬ বন্ধু দেশের জাহাজ

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গীতা পাঠে জামায়াত এমপির ‘বারণ’, শোনেননি ইউএনও

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত