
ইরানের দুটি সোভিয়েত আমলের ‘সু-২৪’ ট্যাকটিক্যাল বোম্বার গত সোমবার সকালে কাতারের আকাশসীমায় অত্যন্ত গভীরে প্রবেশ করে। বোম্বার দুটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটি আল-উদেইদ এবং কাতারের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র রাস লাফান গ্যাস প্রসেসিং ফ্যাসিলিটি লক্ষ্য করে ধেয়ে আসছিল। গোয়েন্দা সূত্রমতে, লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার মাত্র ২ মিনিট আগে কাতারি বিমান বাহিনীর এফ-১৫ ফাইটার জেট সেগুলোকে আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়।
কাতারি বিমান বাহিনীর ইতিহাসে এটিই প্রথম কোনো আকাশপথের সরাসরি লড়াই, যেখানে তাঁরা প্রতিপক্ষের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি বোমারু বিমানগুলো রাডার ফাঁকি দেওয়ার জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৮০ ফুট উচ্চতা দিয়ে উড়ছিল। কাতারি বাহিনীর পক্ষ থেকে রেডিওর মাধ্যমে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও তেহরানের পাইলটরা কোনো সাড়া দেয়নি।
কাতারি পাইলটেরা চাক্ষুষভাবে নিশ্চিত হন ইরানি যুদ্ধবিমানগুলো গাইডেড বোমা এবং শক্তিশালী মরণাস্ত্র বহন করছিল। সময় ফুরিয়ে যাওয়ায় এবং প্রমাণের ভিত্তিতে বিমানগুলোকে ‘শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত করে কাতার। এরপর একটি কাতারি এফ-১৫ ইগল ফাইটার দ্রুততার সঙ্গে ইরানি বিমান দুটিকে আকাশযুদ্ধে ভূপাতিত করে।
বিধ্বস্ত ইরানি বিমান দুটি কাতারের জলসীমায় আছড়ে পড়ে। নিখোঁজ পাইলটদের সন্ধানে বর্তমানে তল্লাশি চলছে।
গত কয়েক দিনে ইরান মূলত কয়েক’শ ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে হামলা চালিয়েছে। তবে আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর এই প্রথম ইরান সরাসরি পাইলটবাহী যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে প্রতিবেশীর ওপর আক্রমণের দুঃসাহস দেখাল।
পেন্টাগনের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাতারের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল থানি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে সরাসরি ফোন করে জানিয়েছেন, এই হামলা প্রমাণ করে যে ইরান উত্তেজনা প্রশমন করতে চায় না, বরং তার প্রতিবেশীদের এক অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চায়।
তবে কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে একটি ইরানি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ৬ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি দেশটিতে স্থল আক্রমণ চালায় তবে তা মোকাবিলার জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এমনকি সম্ভাব্য মার্কিন হামলার জন্য তারা ‘অপেক্ষা করছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
১ ঘণ্টা আগে
‘একের পর এক বিস্ফোরণ, ধ্বংসযজ্ঞ, এখানে যা ঘটছে তা অবিশ্বাস্য। প্রতিটি দিন যেন মনে হচ্ছে একেকটি মাস। মুহুর্মুহু হামলা করা হচ্ছে।’ ইরানের রাজধানী তেহরানের চিত্র তুলে ধরতে এসব কথা বলছিলেন সালার।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়েছে। যুদ্ধের ষষ্ঠ দিন গতকাল বৃহস্পতিবারও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। সে অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও।
২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানে এক নজিরবিহীন যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র শুরুর দিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করতে ইসরায়েল ব্যবহার করে তাদের অন্যতম আধুনিক ও বিধ্বংসী অস্ত্র ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক মিসাইল।
২ ঘণ্টা আগে