‘এই জয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আমার দুই বন্ধু আমার সঙ্গে ইতিমধ্যে উদ্যাপন শুরু করেছেন।’ এই কথাগুলো বলছিলেন লটারি জেতা শামসু মিয়া। আসলে কত বড় লটারি তিনি জিতেছেন, সেটা জানলে অনেকের চক্ষু চড়কগাছ হবে। শামসু মিয়া জিতেছেন বাংলাদেশি ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। বাংলাদেশি এই প্রবাসী লটারি জিতেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৮ বছর ধরে থাকেন শামসু মিয়া। জিতেছেন দেড় কোটি দিরহাম। গত মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে ‘বিগ টিকিট আবুধাবি’ নামে ওই লটারির জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশি ওই প্রবাসী শামসু মিয়া আমিরাতের আল-আইন শহরের বাসিন্দা। তাঁর কেনা লটারির টিকিটের নম্বর ২০১৯১৮। এই টিকিট পুরস্কার জেতার পর অনুষ্ঠান থেকে শামসু মিয়াকে ফোন দেন উপস্থাপকেরা। খুশির এ খবর শুনে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন তিনি। তিনি বলেন, ‘এই পুরস্কার আমি আমার বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেব। প্রথমে আমি আমার ভিসা রিনিউ করে নেব। এরপর ভেবে দেখব, লটারির অর্থ দিয়ে কী করব।’
শামসু ছাড়াও আরও ১০ জন এই লটারিতে ১ লাখ দিরহাম করে পুরস্কার জিতেছেন। বাকিদের মধ্যে একজন রাশিয়ার নাগরিক। এ ছাড়া সবাই ভারতের নাগরিক।
এর আগে গত মাসে বিগ টিকিট আবুধাবি লটারিতে প্রথম পুরস্কার জিতেছিলেন তুষার দেশকার নামের এক ব্যক্তি। এ মাসের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। আজকের বিজয়ীকে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া হয় তাঁকে। তাঁর হাতেই ওঠে শামসু মিয়ার টিকিটের নম্বরটি।
এদিকে এরই মধ্যে আগামী মাসের জন্য লটারির টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বিগ টিকিট আবুধাবি। এবারের প্রথম পুরস্কার ২ কোটি দিরহাম।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৭ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৯ ঘণ্টা আগে