Ajker Patrika

মালয়েশিয়ায় বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে নবজাতক উদ্ধার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
মালয়েশিয়ায় বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে নবজাতক উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত টয়লেটের স্যানিটারি বিন থেকে জীবিত এক নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এক নারী ও এক পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানায়, গত সোমবার মালয়েশিয়ার পেনাং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওই টয়লেটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করার সময় এক কর্মী স্যানিটারি বিন থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে বিনের ভেতর থেকে জীবিত নবজাতককে উদ্ধার করা হয়। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

পেনাংয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম জেলা পুলিশের প্রধান আনুওয়াল আব ওয়াহাব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২৩ বছর বয়সী এক মালয়েশীয় নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কাছের একটি শপিং মল থেকে ওই নারীকে আটক করা হয়।

পরে তদন্তের ভিত্তিতে মিয়ানমারের ২২ বছর বয়সী এক নাগরিককেও গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির কাছে বৈধ ভ্রমণ নথিও পাওয়া যায়নি।

পুলিশের ভাষ্য, শিশুটিকে জন্মের পরপরই পরিত্যাগ করা হয়ে থাকতে পারে। কারণ উদ্ধারের সময় তার সঙ্গে প্লাসেন্টা ও নাড়িও সংযুক্ত ছিল বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে’ জানিয়েছে।

শিশুকে পরিত্যাগের ঘটনায় ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে অভিভাবক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির মাধ্যমে পরিত্যাগ-সংক্রান্ত আইনে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কী ধরনের সম্পর্ক রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের সম্পৃক্ততা কতটুকু, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে, স্যানিটারি বিনের ভেতর থেকে শিশুটিকে উদ্ধারের একটি ভিডিও মালয়েশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘটনাটি ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরের তাম্পিনিস এমআরটি স্টেশনের একটি টয়লেটের স্যানিটারি বিন থেকে মৃত নবজাতকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে। সে ঘটনায় এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী লাল প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর শিশুটির মরদেহ দেখতে পান। পরে তদন্তে তিন ইন্দোনেশীয় নারীর সম্পৃক্ততার কথা উঠে আসে, যাদের একজনকে শিশুটির মা বলে ধারণা করা হয়েছিল।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত