
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইস্টার সানডেতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নজিরবিহীন পোস্ট দিয়েছেন। ওই পোস্টে তিনি হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে ভয়াবহ হুমকি ও গালমন্দ করেছেন। তবে পোস্টের শেষ লাইনে বলেছেন, 'সকল প্রশংসা আল্লাহর।'
মহান আল্লাহর নাম মার্কিন প্রেসিডেন্ট মুখে নিলেও তাতে খুশি হয়নি আমেরিকার মুসলিম সমাজ। বরং উল্টো তারা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
আমেরিকার মুসলিম অধিকার সংগঠন 'কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন্স' (কেয়ার) অভিযোগ করেছে, ওই পোস্টে ট্রাম্প আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে মূলত ইসলামকে বিদ্রূপ করেছেন এবং ইরানে বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দিয়ে ‘যুদ্ধাপরাধের’ ইঙ্গিত দিয়েছেন।
কেয়ার এক বিবৃতিতে বলেছে, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিকৃত ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্য এবং ইরানে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকি বেপরোয়া ও বিপজ্জনক। এটি এমন এক মানসিকতার পরিচয় দেয়, যা মানবজীবনের প্রতি খামখেয়ালি এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অবজ্ঞাপূর্ণ।”
বিতর্কিত ওই পোস্টে ট্রাম্প সহিংস বার্তার শেষে ‘Praise be to Allah’ বা 'সকল প্রশংসা আল্লাহ' বাক্যটি ব্যবহার করেন। পশ্চিমা বিশ্বে অনেকেই এই বাক্যটিকে ইসলামি হিসেবে বিবেচনা করলেও, বাস্তবে ‘আল্লাহ’ শব্দটি আরবি ভাষায় ‘ঈশ্বর’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো একক ধর্মের নিজস্ব নয় বলে দাবি করেছে কেয়ার।
কেয়ার আরও অভিযোগ করেছে, এই ধরনের মন্তব্য বিচ্ছিন্ন নয়; বরং মুসলিমদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য ও নীতির ধারাবাহিকতা।
সংগঠনটির ভাষ্য, “সহিংস হুমকির প্রেক্ষাপটে ‘আল্লাহর প্রশংসা’ বাক্যের ব্যবহার ধর্মীয় ভাষাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা উদ্বেগজনক প্রবণতা, যেখানে একইসঙ্গে ইসলাম ও মুসলমানদের অবমাননা করা হচ্ছে।”
ট্রাম্পের এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে এ ধরনের মন্তব্য নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য একটি ‘অপরাধমূলক মানসিকতার’ প্রতিফলন। এসব বক্তব্য ‘যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল নিরাপদ করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম তীরে প্রত্নতত্ত্ব এখন শুধু অতীত খোঁজার বিজ্ঞান নয়, এটি হয়ে উঠেছে গভীর রাজনৈতিক বিতর্কের একটি ক্ষেত্র। পশ্চিম তীর অঞ্চলের নানা খননকাজ ঘিরে ইতিহাস, পরিচয় ও ভূখণ্ডের দাবি নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গালিবাফ বলেন, ‘আপনার বেপরোয়া পদক্ষেপগুলো প্রতিটি মার্কিন পরিবারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে একটি “জীবন্ত নরকে” পরিণত করছে। আপনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশ অনুসরণ করায় আমাদের পুরো অঞ্চল এখন পুড়ে ছাই হওয়ার পথে।’
৪ ঘণ্টা আগে