আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সৌদি আরবের আগেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারে সিরিয়া ও লেবানন। এমনটাই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইখিয়েল লইতার। রক্ষণশীল মার্কিন সংবাদমাধ্যম প্রেগার-ইউকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত লইতার মনে করেন, সৌদি আরবের আগে সিরিয়া ও লেবানন আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারে। তিনি বলেন, ‘এখন আর কোনো কারণ নেই যে, আমরা সিরিয়া ও লেবাননের সঙ্গে সমঝোতায় যাব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সেখানকার (সিরিয়া-লেবাননে) দৃষ্টান্ত নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করেছি। সিরিয়া ও লেবাননের সঙ্গে আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হওয়ার সম্ভাবনার বিষয়ে আমি খুবই আশাবাদী। এটি আসলে সৌদি আরবের আগেও হতে পারে।’
প্রেগার-ইউ-এর সিইও মারিসা স্ট্রিটকে লইতার বলেন, সৌদি আরব আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। কারণ, ২০১৯ সালেও দেশটি এই চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিল। যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২০ সালেও ক্ষমতায় থাকতেন, তবে আমরা সম্ভবত সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যেতাম। তিনি আরও বলেন, গাজা যুদ্ধের কারণে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে জটিলতা থাকলেও ইসরায়েল ও সৌদি আরব এখনো সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে রয়েছে।
লেবাননের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘লেবাননের একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে একটি সুশীল সমাজ হিসেবে নিজেদের পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ রয়েছে।’ সিরিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আরও দ্বিধা করা উচিত ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিরিয়ার পদক্ষেপ দেখার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। তিনি সিরিয়ার দ্রুজ ও আলভীদের মতো সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার গুরুত্বের কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা জিহাদিদের আমাদের সীমান্তে থাকতে দিতে পারি না। ৭ অক্টোবরের ঘটনা থেকে আমরা এটি শিখেছি। আমরা চাই আল-শারা এমন একটি দিকে যান, যেখানে আমরা দেখব তিনি জিহাদি গোষ্ঠীগুলোকে ভেঙে দিচ্ছেন, হামাস-হিজবুল্লাহর মতো সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করছেন এবং সংখ্যালঘুদের রক্ষা করছেন।’

সৌদি আরবের আগেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারে সিরিয়া ও লেবানন। এমনটাই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইখিয়েল লইতার। রক্ষণশীল মার্কিন সংবাদমাধ্যম প্রেগার-ইউকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত লইতার মনে করেন, সৌদি আরবের আগে সিরিয়া ও লেবানন আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারে। তিনি বলেন, ‘এখন আর কোনো কারণ নেই যে, আমরা সিরিয়া ও লেবাননের সঙ্গে সমঝোতায় যাব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সেখানকার (সিরিয়া-লেবাননে) দৃষ্টান্ত নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করেছি। সিরিয়া ও লেবাননের সঙ্গে আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হওয়ার সম্ভাবনার বিষয়ে আমি খুবই আশাবাদী। এটি আসলে সৌদি আরবের আগেও হতে পারে।’
প্রেগার-ইউ-এর সিইও মারিসা স্ট্রিটকে লইতার বলেন, সৌদি আরব আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। কারণ, ২০১৯ সালেও দেশটি এই চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিল। যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২০ সালেও ক্ষমতায় থাকতেন, তবে আমরা সম্ভবত সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যেতাম। তিনি আরও বলেন, গাজা যুদ্ধের কারণে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে জটিলতা থাকলেও ইসরায়েল ও সৌদি আরব এখনো সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে রয়েছে।
লেবাননের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘লেবাননের একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে একটি সুশীল সমাজ হিসেবে নিজেদের পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ রয়েছে।’ সিরিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আরও দ্বিধা করা উচিত ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিরিয়ার পদক্ষেপ দেখার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। তিনি সিরিয়ার দ্রুজ ও আলভীদের মতো সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার গুরুত্বের কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা জিহাদিদের আমাদের সীমান্তে থাকতে দিতে পারি না। ৭ অক্টোবরের ঘটনা থেকে আমরা এটি শিখেছি। আমরা চাই আল-শারা এমন একটি দিকে যান, যেখানে আমরা দেখব তিনি জিহাদি গোষ্ঠীগুলোকে ভেঙে দিচ্ছেন, হামাস-হিজবুল্লাহর মতো সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করছেন এবং সংখ্যালঘুদের রক্ষা করছেন।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে