আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাশিয়ার টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো বিপর্যস্ত। তবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্যেও জীবন থেমে থাকেনি দেশটির মানুষের। বরং অন্ধকার, শীত আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে তারা নতুন নতুন উপায়ে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিচ্ছে।
৪০ বছর বয়সী লুদমিলা শ্রামকোর কথাই ধরা যাক। যুদ্ধের কারণে ২০২৪ সালে তিনি গোলাবর্ষণ ও বিদ্যুৎবিভ্রাট এড়াতে যমজ কন্যা নিয়ে কিয়েভ থেকে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু এক বছর পর যুদ্ধের আঁচ লাগে সেখানেও, শুরু হয় বিদ্যুৎসংকট। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে কখনো কখনো ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে তীব্র শীতের মধ্যে লুদমিলার পরিবারকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কারণ, ইউক্রেনের বেশির ভাগ বাড়িতেই বিদ্যুৎ চলে গেলে গরম রাখার ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যায়।
আবার ২০২৪ সালে গ্রীষ্মের গরমে কিয়েভে টানা দুই দিন বিদ্যুৎ না থাকায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে সন্তানদের নিয়ে নাজেহাল অবস্থায় পড়েছিলেন লুদমিলা। সেই সময়টিতে এসি চালানো তো দূরের কথা, রান্না করা কিংবা লিফট ব্যবহারের সুযোগও ছিল না। তাই নতুন শহরে বাসা নেওয়ার সময় তিনি গ্যাসের চুলার মতো ‘ব্ল্যাকআউটেও নিরাপদ’ থাকা যাবে, এমন সুবিধা খুঁজেছিলেন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়া আবারও ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে বড় ধরনের হামলা চালাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির মতে, এসব হামলার লক্ষ্য জনগণের মধ্যে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও মানসিক চাপ বাড়ানো’। গত ২৭ ডিসেম্বর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বড় ধরনের হামলার পর শহরটির ৪০ শতাংশের বেশি আবাসিক ভবনে গরমের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া গত ডিসেম্বরেই কিয়েভের বাসিন্দাদের প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে।
অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে লোডশেডিং এখন ইউক্রেনীয়দের দৈনন্দিন জীবনের নতুন ছন্দ ঠিক করে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ এলে মায়েরা দ্রুত শিশুদের কাপড় ধুয়ে ফেলেন, বয়স্করা লিফট চালু হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন। আর অনেক ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ গ্রিড বিদ্যুতের বদলে জেনারেটর ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে খাবারের মেনু ও দামও বদলে ফেলছে।
ইউক্রেনের ওডেসায় গত ১৩ ডিসেম্বর রাতের হামলায় বিদ্যুৎ, পানি ও ঘর গরম রাখার ব্যবস্থা—সব একসঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই রাতকে ‘প্রলয়ংকর’ বলে বর্ণনা করেছেন শহরটির এক বাসিন্দা। সেই রাতটুকু কোনো রকমে পাড়ি দিয়ে পরদিন সকালে তিনি একটি ক্যাফেতে গিয়ে ফোন চার্জ দেন, গা গরম করেন এবং নাশতা সারেন।
বর্তমানে কিয়েভে বিদ্যুৎ না থাকলেও শিশুরা খেলাধুলা ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছে। ফেন্সিং অনুশীলনে ইলেকট্রনিক সেন্সর না চলায় কোচ নিজেই এখন পয়েন্ট গুনছেন। তিন সন্তানের মা ওকসানা দানিলুক বলেন, ‘আলো না থাকলেও জীবন থামে না। স্কুলে প্রশিক্ষণ চলে, সংগীত বিদ্যালয় কনসার্টের প্রস্তুতি নেয়।’
লুদমিলার মতে, ইউক্রেনের জন্য দয়া নয়, প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সহায়তা। তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতেও আমরা আরও শক্ত হচ্ছি। চার বছরের যুদ্ধ আমাদের বদলে দিয়েছে, কিন্তু আমরা একটি বুদ্ধিমান জাতি। এই সময় পাড়ি দিতে আমাদের পাশে বিশ্বের দাঁড়ানো উচিত।’

রাশিয়ার টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো বিপর্যস্ত। তবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্যেও জীবন থেমে থাকেনি দেশটির মানুষের। বরং অন্ধকার, শীত আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে তারা নতুন নতুন উপায়ে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিচ্ছে।
৪০ বছর বয়সী লুদমিলা শ্রামকোর কথাই ধরা যাক। যুদ্ধের কারণে ২০২৪ সালে তিনি গোলাবর্ষণ ও বিদ্যুৎবিভ্রাট এড়াতে যমজ কন্যা নিয়ে কিয়েভ থেকে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু এক বছর পর যুদ্ধের আঁচ লাগে সেখানেও, শুরু হয় বিদ্যুৎসংকট। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে কখনো কখনো ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে তীব্র শীতের মধ্যে লুদমিলার পরিবারকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কারণ, ইউক্রেনের বেশির ভাগ বাড়িতেই বিদ্যুৎ চলে গেলে গরম রাখার ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যায়।
আবার ২০২৪ সালে গ্রীষ্মের গরমে কিয়েভে টানা দুই দিন বিদ্যুৎ না থাকায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে সন্তানদের নিয়ে নাজেহাল অবস্থায় পড়েছিলেন লুদমিলা। সেই সময়টিতে এসি চালানো তো দূরের কথা, রান্না করা কিংবা লিফট ব্যবহারের সুযোগও ছিল না। তাই নতুন শহরে বাসা নেওয়ার সময় তিনি গ্যাসের চুলার মতো ‘ব্ল্যাকআউটেও নিরাপদ’ থাকা যাবে, এমন সুবিধা খুঁজেছিলেন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়া আবারও ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে বড় ধরনের হামলা চালাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির মতে, এসব হামলার লক্ষ্য জনগণের মধ্যে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও মানসিক চাপ বাড়ানো’। গত ২৭ ডিসেম্বর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বড় ধরনের হামলার পর শহরটির ৪০ শতাংশের বেশি আবাসিক ভবনে গরমের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া গত ডিসেম্বরেই কিয়েভের বাসিন্দাদের প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে।
অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে লোডশেডিং এখন ইউক্রেনীয়দের দৈনন্দিন জীবনের নতুন ছন্দ ঠিক করে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ এলে মায়েরা দ্রুত শিশুদের কাপড় ধুয়ে ফেলেন, বয়স্করা লিফট চালু হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন। আর অনেক ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ গ্রিড বিদ্যুতের বদলে জেনারেটর ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে খাবারের মেনু ও দামও বদলে ফেলছে।
ইউক্রেনের ওডেসায় গত ১৩ ডিসেম্বর রাতের হামলায় বিদ্যুৎ, পানি ও ঘর গরম রাখার ব্যবস্থা—সব একসঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই রাতকে ‘প্রলয়ংকর’ বলে বর্ণনা করেছেন শহরটির এক বাসিন্দা। সেই রাতটুকু কোনো রকমে পাড়ি দিয়ে পরদিন সকালে তিনি একটি ক্যাফেতে গিয়ে ফোন চার্জ দেন, গা গরম করেন এবং নাশতা সারেন।
বর্তমানে কিয়েভে বিদ্যুৎ না থাকলেও শিশুরা খেলাধুলা ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছে। ফেন্সিং অনুশীলনে ইলেকট্রনিক সেন্সর না চলায় কোচ নিজেই এখন পয়েন্ট গুনছেন। তিন সন্তানের মা ওকসানা দানিলুক বলেন, ‘আলো না থাকলেও জীবন থামে না। স্কুলে প্রশিক্ষণ চলে, সংগীত বিদ্যালয় কনসার্টের প্রস্তুতি নেয়।’
লুদমিলার মতে, ইউক্রেনের জন্য দয়া নয়, প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সহায়তা। তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতেও আমরা আরও শক্ত হচ্ছি। চার বছরের যুদ্ধ আমাদের বদলে দিয়েছে, কিন্তু আমরা একটি বুদ্ধিমান জাতি। এই সময় পাড়ি দিতে আমাদের পাশে বিশ্বের দাঁড়ানো উচিত।’

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
২৭ মিনিট আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন সময়ে ইরান সরকারের দমন-পীড়নের শিকার পানাহি আরও লিখেছেন, ‘সামষ্টিক যন্ত্রণা এখন রাজপথের প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়েছে। এই বিক্ষোভের লক্ষ্য ইতিহাসকে এগিয়ে নেওয়া। যখন হারানোর কিছু থাকে না, তখন ভয় উবে যায়। সব কণ্ঠস্বর এক হয়, নীরবতা ভেঙে যায় এবং ফিরে আসার কোনো পথ থাকে না।’
২ ঘণ্টা আগে
জাপানের বর্তমান পার্লামেন্ট ভবনটি ১৯৩৬ সালে নির্মিত হয়েছিল। মজার বিষয় হলো, জাপানে নারীদের ভোটাধিকার পাওয়ার (১৯৪৫ সাল) এক দশক আগে ভবনটি তৈরি হয়। ১৯৪৬ সালে প্রথম নারী সংসদ সদস্যরা এখানে বসার সুযোগ পান। ফলে ঐতিহাসিকভাবেই ভবনটি পুরুষদের আধিপত্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী নকশা করা হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে