
ইরান যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায় মিত্রদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় স্পেনকে ন্যাটো থেকে বাদ এবং আর্জেন্টিনার নিকটবর্তী ফকল্যান্ড দ্বীপের মালিকানা ব্রিটিশদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনের এক গোপন নথির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এসব বিকল্পের মধ্যে রয়েছে স্পেনকে ন্যাটো থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর ব্রিটেনের দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা।
ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ই-মেইলটির বিষয়ে জানান, এই নীতিগত বিকল্পগুলো এমন একটি নোটে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে কিছু মিত্রদেশের অনীহা বা অস্বীকৃতির প্রতি হতাশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান যুদ্ধের জন্য প্রবেশাধিকার, ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ এবং আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এই ক্ষোভ।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, এসব বিকল্প পেন্টাগনের উচ্চপর্যায়ে ঘুরপাক খাচ্ছে। ই-মেইলের একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘কঠোর মনোভাবের’ দেশগুলোকে ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ বা মর্যাদাপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। ন্যাটো থেকে কোনো সদস্যকে স্থগিত করা সম্ভব কি না—এই প্রশ্নে এক ন্যাটো কর্মকর্তা বলেন, ‘ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা চুক্তিতে সদস্যপদ স্থগিত করার কোনো বিধান নেই।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি বৈশ্বিক জাহাজ চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে সেটি খুলে দিতে মিত্ররা তাদের নৌবাহিনী পাঠায়নি। তিনি এটাও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
১ এপ্রিল রয়টার্স জানতে চায়—ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্র বেরিয়ে যাবে কি না? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যদি আমার জায়গায় থাকতেন, তাহলে কি বেরিয়ে যেতেন না?’ তবে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ই-মেইলে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কোনো প্রস্তাব নেই। ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করার কথাও এতে বলা হয়নি।
ই-মেইলটি সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চাইলে পেন্টাগনের প্রেস সচিব কিংসলে উইলসন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো মিত্রদের জন্য এত কিছু করার পরও তারা আমাদের পাশে ছিল না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই ইস্যুতে অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে আমরা আর কোনো মন্তব্য করব না।’
এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব ‘যুক্তরাজ্যের কাছেই রয়েছে।’ এ বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মানুষ বিপুল ভোটে যুক্তরাজ্যের অধীনে থাকা অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছে। আমরা সব সময় দ্বীপবাসীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং যুক্তরাজ্যের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়িয়েছি।’
এদিকে ন্যাটো জানিয়েছে, কোনো সদস্যরাষ্ট্রের পদ স্থগিত বা বহিষ্কার করার কোনো বিধান জোটে নেই। ন্যাটোর এক কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা চুক্তিতে ‘ন্যাটো সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কারের কোনো বিধান নেই।’ স্পেনের প্রধানমন্ত্রীও এই প্রতিবেদনকে খারিজ করেছেন।

গত বছর বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটে পড়া মানুষের দুই-তৃতীয়াংশই মাত্র ১০টি দেশের বাসিন্দা। এই দুই–তৃতীয়াংশের মধ্যে আবার এক-তৃতীয়াংশের বসবাস সুদান, নাইজেরিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে। শুক্রবার প্রকাশিত জাতিসংঘ-সমর্থিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই তালিকায় আছে বাংলাদেশের নামও।
১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য আজ শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছাতে পারে ইরানি প্রতিনিধিদল। এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তানি সূত্রগুলো। তারা আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় দফাও শিগগির শুরু হতে পারে। তবে মার্কিন সূত্র ও ইরানি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে,
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন ধরে সম্মুখ সমরে থেকে খাবার ও সুপেয় পানির অভাবে কঙ্কালসার হয়ে পড়েছে ইউক্রেনীয় সেনারা। সম্প্রতি এই সেনাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দেশটিতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য একটি অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে