
আফ্রিকার দেশ কঙ্গোয় সশস্ত্র বাহিনী ও স্থানীয় উপজাতিদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। এই সংঘর্ষে আহত হয়েছে আরও অন্তত ৫৬ জন। স্থানীয় সময় গত বুধবার কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের একটি শহরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশটির সরকারের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কঙ্গো সরকার জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কঙ্গোর এক পুলিশ কর্মকর্তার ওপর আক্রমণের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায় একজন পুলিশ সদস্যকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হচ্ছে। পরে সেনাবাহিনী সেই ঘটনা দেখে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে ছয়জন নিহত হয়।
এর পরপরই দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমায় স্থানীয় উপজাতিরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এবং অন্যান্য বিদেশি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী বল প্রয়োগ করে বিক্ষোভ দমন করতে চাইলে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সেই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সরকার বলেছে, নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে এবং ১৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকার আরও জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করতে সামরিক বাহিনীর একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গোমার ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রসের স্থানীয় শাখা প্রধান অ্যান-সিলভি লিন্ডার বলেছেন, বিক্ষোভের পর তাদের ক্লিনিকে গুরুতর ছুরিকাঘাত ও গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়ে বেশ কয়েকজন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে হাসপাতালে আসার আগেই মারা যায়।
পূর্ব কঙ্গোতে অবস্থিতি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন এমওএনইউএসসিও এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছে এবং বলেছে, তারা সহিংসতার হুমকিতে উদ্বিগ্ন।

আফ্রিকার দেশ কঙ্গোয় সশস্ত্র বাহিনী ও স্থানীয় উপজাতিদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। এই সংঘর্ষে আহত হয়েছে আরও অন্তত ৫৬ জন। স্থানীয় সময় গত বুধবার কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের একটি শহরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশটির সরকারের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কঙ্গো সরকার জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কঙ্গোর এক পুলিশ কর্মকর্তার ওপর আক্রমণের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায় একজন পুলিশ সদস্যকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হচ্ছে। পরে সেনাবাহিনী সেই ঘটনা দেখে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে ছয়জন নিহত হয়।
এর পরপরই দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমায় স্থানীয় উপজাতিরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এবং অন্যান্য বিদেশি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী বল প্রয়োগ করে বিক্ষোভ দমন করতে চাইলে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সেই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সরকার বলেছে, নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে এবং ১৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকার আরও জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করতে সামরিক বাহিনীর একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গোমার ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রসের স্থানীয় শাখা প্রধান অ্যান-সিলভি লিন্ডার বলেছেন, বিক্ষোভের পর তাদের ক্লিনিকে গুরুতর ছুরিকাঘাত ও গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়ে বেশ কয়েকজন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে হাসপাতালে আসার আগেই মারা যায়।
পূর্ব কঙ্গোতে অবস্থিতি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন এমওএনইউএসসিও এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছে এবং বলেছে, তারা সহিংসতার হুমকিতে উদ্বিগ্ন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে