আফ্রিকার দেশ মালিতে একটি নৌকা ও সেনাঘাঁটিতে পৃথক দুই হামলায় ১৫ জন সেনা ও ৪৯ জন বেসামরিক নাগরিকসহ ১১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন আক্রমণকারীও রয়েছেন। মালির সশস্ত্র বাহিনীর বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মালির সশস্ত্র বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে একদল সশস্ত্র আক্রমণকারী রারহাউস এলাকারা আবাকোরিয়া ও ঝরগোইয়ের মধ্যবর্তী অঞ্চলে কোমানাভ নামে একটি ফেরিসহ বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি হামলা চালায়।’ রারহাউস এলাকাটি মালির কেন্দ্রীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
পৃথক এক বিবৃতিতে কোমানাভ ফেরির মালিকপক্ষ জানিয়েছে, ফেরিটিতে যখন হামলা হয়, তখন সেটি নাইজারের নদী ধরে বয়ে যাচ্ছিল। তারা আরও জানিয়েছে, ফেরিটি লক্ষ্য করে তিনটিরও বেশি রকেট আক্রমণ চালানো হয়েছে, যার অধিকাংশই ছিল ফেরির ইঞ্জিন লক্ষ্য করে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফেরিটি মাঝ নদীতে আটকে পড়লে সেনাসদস্যরা আটকে পড়াদের উদ্ধার করেন।
এদিকে মালির গাও অঞ্চলের বাউরেম সার্কেলের এক সেনাঘাঁটিতে পৃথক একটি হামলায় ১৫ জন সেনার মৃত্যু হয়। এ সময় ৫০ জন আক্রমণকারীও নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মালির সেনাবাহিনী। সেনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়াতে পারে। এ ঘটনায় মালির অন্তর্বর্তী সামরিক সরকার দেশে এক দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে।
আলকায়েদাসংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী উভয় হামলার দায় স্বীকার করেছে। বিগত দশক ধরেই সাহেল অঞ্চলের মালির অংশে আলকায়েদা, ইসলামিক স্টেটসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কারণে সহিংস কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে