
ঘানায় ট্রাক বিস্ফোরণে পুরো একটি শহর বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার সংঘটিত ওই বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫৯ জন। বিস্ফোরকবাহী একটি ট্রাকের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর সিএনএন।
বিস্ফোরণের ফলে পশ্চিম ঘানার আপিয়াতে নামে ওই শহরটির অধিকাংশই মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। কওয়াদো বেমপাহ নামে ঘটনাস্থলের পাশেই কর্মরত এক শ্রমিক সিএনএনকে বলেন, ‘সেখানকার সব ঘরবাড়িই প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। মানুষজন এবং গৃহপালিত প্রাণী ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, চারদিকেই কেবল মরদেহ।
প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, মৃতের সংখ্যা ১৭ কিন্তু পরে তা ১৩ জনে নেমে আসে। ঘানার তথ্যমন্ত্রী কোজো অপং নক্রুমা মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
কোজো নক্রুমা বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বিষয়ে বলেন, ‘প্রথমে মৃতের সংখ্যা ১৭ জন গণনা করা হয়। স্থানীয় বিভিন্ন পক্ষ ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা দিচ্ছিল। পরে আমরা পরামর্শ করে সব হিসাব আমলে এনে মৃতের সংখ্যা ১৩ জন হিসাব করা হয়।’
স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অধিকাংশ আহতকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা আর কোনো তথ্য জানায়নি।
বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১০ হাজার অধিবাসীর ওই শহরটির অধিকাংশই গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

ঘানায় ট্রাক বিস্ফোরণে পুরো একটি শহর বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার সংঘটিত ওই বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫৯ জন। বিস্ফোরকবাহী একটি ট্রাকের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর সিএনএন।
বিস্ফোরণের ফলে পশ্চিম ঘানার আপিয়াতে নামে ওই শহরটির অধিকাংশই মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। কওয়াদো বেমপাহ নামে ঘটনাস্থলের পাশেই কর্মরত এক শ্রমিক সিএনএনকে বলেন, ‘সেখানকার সব ঘরবাড়িই প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। মানুষজন এবং গৃহপালিত প্রাণী ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, চারদিকেই কেবল মরদেহ।
প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, মৃতের সংখ্যা ১৭ কিন্তু পরে তা ১৩ জনে নেমে আসে। ঘানার তথ্যমন্ত্রী কোজো অপং নক্রুমা মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
কোজো নক্রুমা বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বিষয়ে বলেন, ‘প্রথমে মৃতের সংখ্যা ১৭ জন গণনা করা হয়। স্থানীয় বিভিন্ন পক্ষ ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা দিচ্ছিল। পরে আমরা পরামর্শ করে সব হিসাব আমলে এনে মৃতের সংখ্যা ১৩ জন হিসাব করা হয়।’
স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অধিকাংশ আহতকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা আর কোনো তথ্য জানায়নি।
বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১০ হাজার অধিবাসীর ওই শহরটির অধিকাংশই গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৩৬ মিনিট আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
১ ঘণ্টা আগে