ডা. অদিতি সরকার

এপ্রিল মাস এসে গেছে। তীব্র গরমের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে এবার। গরম একা আসে না, সঙ্গে কিছু অসুখ-বিসুখও নিয়ে আসে। এই গরমে যে যতই লেবুর শরবত আর ফ্যানের বাতাসে নিজেকে বাঁচাতে চান না কেন, রোগবালাই কিন্তু লুকিয়ে বসে আছে ঠিকই! তাই জানতে হবে গরমের বিশেষ পাঁচ রোগ এবং এর সমাধান।
লু লাগা সিনড্রোম বা হিট স্ট্রোক
লু মানে সূর্যের রাগ! আপনি যদি দুপুরের রোদে বাহাদুরি দেখাতে চান, তবে মাথার তালু দিয়ে ধোঁয়া ওঠা নিশ্চিত! মাথা ঘোরা, বমি ভাব আর হঠাৎ করে মনে হবে, এটা কি পৃথিবী, নাকি জ্বলন্ত আগুনের পিণ্ড?
সমাধান
» ছাতা নিন, পানি খান। আর যদি একটু বুদ্ধি থাকে, তাহলে দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টার মধ্যে রোদে বের হওয়া যাবে না।
অতিরিক্ত ঘামজনিত মানসিক বিপর্যয়
গরমে এমন কিছু মানুষের দেখা মেলে, যাদের দেখে মনে হয়, তারা বালতির পর বালতি পানি ঢেলে ভিজে এসেছে! ঘাম পায়ের মোজা পর্যন্ত পৌঁছে গেলে বুঝবেন, শরীর আপনাকে ‘দয়া করে গোসল করুন’ সিগন্যাল দিচ্ছে।
সমাধান
» বেবি পাউডার, সুগন্ধি আর দিনে অন্তত দুবার গোসল—এটাই বাঁচার প্রধানতম উপায়!
পানির অভাবে সাপের মতো জিহ্বা বের করা রোগ
যাঁরা পানি কম পান করেন, তাঁদের দেখা যায় জিহ্বা বের করে হাঁসফাঁস করছেন। এটা অনেকটা মরুভূমির উটের মতো পরিস্থিতি।
সমাধান
» দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। না হলে আপনার অবস্থা এমন হবে যে রাস্তার কলের পানিকেও কোমল পানীয় মনে হবে!
ফ্রিজ ঠান্ডা-গরম কোল্ড ফাইট
গরমে একদল মানুষ আছে, যারা সারা দিন ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করে টনসিল ফুলিয়ে ফেলে। তারপর বলে, ‘ডাক্তার সাব, জ্বর এসেছে, গলাব্যথা!’
সমাধান
» হঠাৎ বরফ-ঠান্ডা পানি পান করবেন না। বরং ঠান্ডা একটু কম রেখে পান করুন। তা না হলে গরমে কষ্ট কমাতে গিয়ে ঠান্ডায় আরও বেশি কষ্ট পাবেন।
গরমজনিত অলসতা রোগ
এই রোগ হলে মানুষ শুধু ফ্যানের নিচে বসে দিন পার করে। আর মুখে থাকে একটাই সংলাপ, ‘উফ্! কিছু করতে ইচ্ছে করছে না!’
সমাধান
» গরমকে দোষ না দিয়ে সক্রিয় থাকুন। ফল খান, শরীর হালকা রাখুন। না হলে এই গরম আপনার শরীর স্থবির বানিয়ে ফেলতে পারে।
স্পেশাল প্রেসক্রিপশন
» পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমাণে।
» লেবুর শরবত বা ডাবের পানি পান করলে শরীর সতেজ থাকবে।
» রোদে বেরোলে হ্যাট, ছাতা, সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
» অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার; যেমন ঠান্ডা পানি কিংবা আইসক্রিম ইত্যাদি না খাওয়াই ভালো।
সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন। আর গরমে বুদ্ধি করে বাঁচুন।
ডা. অদিতি সরকার, রেসিডেন্ট চিকিৎসক, বিএমইউ

এপ্রিল মাস এসে গেছে। তীব্র গরমের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে এবার। গরম একা আসে না, সঙ্গে কিছু অসুখ-বিসুখও নিয়ে আসে। এই গরমে যে যতই লেবুর শরবত আর ফ্যানের বাতাসে নিজেকে বাঁচাতে চান না কেন, রোগবালাই কিন্তু লুকিয়ে বসে আছে ঠিকই! তাই জানতে হবে গরমের বিশেষ পাঁচ রোগ এবং এর সমাধান।
লু লাগা সিনড্রোম বা হিট স্ট্রোক
লু মানে সূর্যের রাগ! আপনি যদি দুপুরের রোদে বাহাদুরি দেখাতে চান, তবে মাথার তালু দিয়ে ধোঁয়া ওঠা নিশ্চিত! মাথা ঘোরা, বমি ভাব আর হঠাৎ করে মনে হবে, এটা কি পৃথিবী, নাকি জ্বলন্ত আগুনের পিণ্ড?
সমাধান
» ছাতা নিন, পানি খান। আর যদি একটু বুদ্ধি থাকে, তাহলে দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টার মধ্যে রোদে বের হওয়া যাবে না।
অতিরিক্ত ঘামজনিত মানসিক বিপর্যয়
গরমে এমন কিছু মানুষের দেখা মেলে, যাদের দেখে মনে হয়, তারা বালতির পর বালতি পানি ঢেলে ভিজে এসেছে! ঘাম পায়ের মোজা পর্যন্ত পৌঁছে গেলে বুঝবেন, শরীর আপনাকে ‘দয়া করে গোসল করুন’ সিগন্যাল দিচ্ছে।
সমাধান
» বেবি পাউডার, সুগন্ধি আর দিনে অন্তত দুবার গোসল—এটাই বাঁচার প্রধানতম উপায়!
পানির অভাবে সাপের মতো জিহ্বা বের করা রোগ
যাঁরা পানি কম পান করেন, তাঁদের দেখা যায় জিহ্বা বের করে হাঁসফাঁস করছেন। এটা অনেকটা মরুভূমির উটের মতো পরিস্থিতি।
সমাধান
» দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। না হলে আপনার অবস্থা এমন হবে যে রাস্তার কলের পানিকেও কোমল পানীয় মনে হবে!
ফ্রিজ ঠান্ডা-গরম কোল্ড ফাইট
গরমে একদল মানুষ আছে, যারা সারা দিন ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করে টনসিল ফুলিয়ে ফেলে। তারপর বলে, ‘ডাক্তার সাব, জ্বর এসেছে, গলাব্যথা!’
সমাধান
» হঠাৎ বরফ-ঠান্ডা পানি পান করবেন না। বরং ঠান্ডা একটু কম রেখে পান করুন। তা না হলে গরমে কষ্ট কমাতে গিয়ে ঠান্ডায় আরও বেশি কষ্ট পাবেন।
গরমজনিত অলসতা রোগ
এই রোগ হলে মানুষ শুধু ফ্যানের নিচে বসে দিন পার করে। আর মুখে থাকে একটাই সংলাপ, ‘উফ্! কিছু করতে ইচ্ছে করছে না!’
সমাধান
» গরমকে দোষ না দিয়ে সক্রিয় থাকুন। ফল খান, শরীর হালকা রাখুন। না হলে এই গরম আপনার শরীর স্থবির বানিয়ে ফেলতে পারে।
স্পেশাল প্রেসক্রিপশন
» পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমাণে।
» লেবুর শরবত বা ডাবের পানি পান করলে শরীর সতেজ থাকবে।
» রোদে বেরোলে হ্যাট, ছাতা, সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
» অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার; যেমন ঠান্ডা পানি কিংবা আইসক্রিম ইত্যাদি না খাওয়াই ভালো।
সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন। আর গরমে বুদ্ধি করে বাঁচুন।
ডা. অদিতি সরকার, রেসিডেন্ট চিকিৎসক, বিএমইউ

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে