আসছে বৈশাখ। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় গরম পড়া শুরু হয়ে গেছে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, এবার বেশ ভালোই গরম পড়তে চলেছে। গরমের মাসগুলোতে বাতাসে পরাগরেণু এবং অন্যান্য অ্যালার্জেনের আধিক্য বেড়ে যায়, যা অনেকের জন্য সাইনাসের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং সাইনাসকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কী করা উচিত, তা আগে থেকে জেনে রাখা ভালো। নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী বলেন, গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সর্দি-কাশির পাশাপাশি প্রথম যে সমস্যা মানুষকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেল, তা হলো সাইনাস। গ্রীষ্মের গরম এবং শুষ্ক বাতাসের কারণে সৃষ্ট ঠান্ডা সাইনাসে পরিণত হতে সময় লাগে না। এই পরিস্থিতিতে নাকে সর্দি, মাথাব্যথা এবং জ্বরের মতো সমস্যা লেগে থাকে। প্রতিবছর এই মৌসুমে সাইনাসের শিকার হন অনেকে।
সাবধান থাকতে হবে পরাগরেণু থেকে
গরমের সময় বাতাসে প্রচুর পরাগরেণু থাকে। এগুলো নাক বন্ধ হওয়া কিংবা চোখ চুলকানোর মতো সমস্যা তৈরি করে। সকালবেলা ঘরে থাকার চেষ্টা করুন। কারণ, সাধারণত সকালে পোলেনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। আপনার যদি সাইনাসের সমস্যা থাকে, তাহলে এ সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। ঘরে কিংবা গাড়িতে থাকার সময় জানালা বন্ধ করে এসি ব্যবহার করতে হবে। তবে বেশিক্ষণ এসির মধ্যে থাকা ঠিক হবে না।
ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী বলেন, দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার পর, আপনি যখন গরম আবহাওয়ায় বাইরে যান এবং তারপরে ঠান্ডা কিছু খান, তখন ঠান্ডা লাগার পাশাপাশি সাইনাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে তিনি পরামর্শ দেন, খুব গরম থেকে এসে হুট করে বেশি ঠান্ডায় এসি ছেড়ে থাকা মোটেই ঠিক হবে না। এসির বাতাসের ক্ষেত্রে সময় নিন, অর্থাৎ শরীর স্বাভাবিক উষ্ণতায় আসতে সময় দিন। ঘরে যদি কার্পেট থাকে, তাহলে সেগুলো সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করুন।
নাকের খেয়াল রাখুন
নাকের ভেতরের দিকটা সব সময় ভেজা কিংবা আর্দ্র রাখা সাইনাসের জন্য জরুরি। বাজারে পাওয়া যায় এমন সাধারণ লবণপানির স্প্রে ব্যবহার করতে হবে; অথবা ঘরেই লবণপানি ব্যবহার করে নাক পরিষ্কার করুন। এটি শ্লেষ্মা বের করে দিতে এবং সাইনাসের ফোলাভাব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এসব দিনে কয়েকবার নাকে দিলে নাকের ছিদ্র শুকিয়ে যাবে না এবং ভাইরাস অথবা ব্যাকটেরিয়া জমার সুযোগ পাবে না। নাকের ভেতরের ঝিল্লির ক্ষতি করতে পারে, এমন কিছু জিনিস থেকে দূরে থাকুন। যেমন সিগারেট অথবা আগুনের ধোঁয়া সাইনাসের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
ঘরোয়া উপায়ে স্বস্তি না ফিরলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যদি ক্রমেই মাথাব্যথা বাড়ে; সঙ্গে জ্বর, দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন কিংবা ঘাড়ে শক্ত ভাব দেখা যায়, তাহলে সময় নষ্ট করবেন না। একই সঙ্গে আবার নাক থেকে যদি হলুদ কিংবা সবুজ শ্লেষা বের হয়, তাহলে দ্রুততম সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হাম (মিজলস) শুধু একটি সাধারণ জ্বর বা ত্বকের র্যাশ নয়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সাময়িকভাবে ধ্বংস করে দেয় এবং বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে জটিলতা সৃষ্টি করে। হামের ভয়াবহ প্রভাবগুলোর মধ্যে একটি হলো চোখের ক্ষতি। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে এ রোগে যে কেউ চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৪০ মিনিট আগে
২০২৫ সালে চীনের মানুষের গড় আয়ু বেড়ে ৭৯ বছর ৩ মাসে দাঁড়িয়েছে, ২০২০ সালের তুলনায় যা ১ দশমিক ৩২ বছর বেশি। সম্প্রতি চীনের বার্ষিক আইনসভা অধিবেশনের ফাঁকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের প্রধান লেই হাইছাও এই তথ্য জানান।
২ ঘণ্টা আগে
মানুষের মস্তিষ্ক ২০ শতাংশ শক্তি কিংবা ক্যালরি ব্যবহার করে। এই শক্তি মূলত আসে খাদ্য থেকে পাওয়া গ্লুকোজ এবং পুষ্টি উপাদান থেকে। মস্তিষ্ক শরীরে একটি জটিল অঙ্গ, যা সঠিক পুষ্টি ছাড়া কোনোভাবে সর্বোচ্চ দক্ষতায় কাজ করতে পারে না।
২ ঘণ্টা আগে
ডায়াবেটিসের নীরব সতর্কবার্তা বলা হয় প্রি-ডায়াবেটিসকে। এর অর্থ হলো, রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। কিন্তু তা টাইপ-২ ডায়াবেটিস হিসেবে গণ্য করার মতো যথেষ্ট বেশি নয়। সঠিক জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমে এই অবস্থার পরিবর্তন করা সম্ভব।
৩ ঘণ্টা আগে