
টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে সারা দেশে শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই কর্মসূচি নিয়েছে। এই টিকাদান কার্যক্রমের জন্য ১ আগস্ট থেকে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো, দেশের সব শিশু-কিশোরকে টিকার আওতায় আনা, যাতে টাইফয়েডের মতো সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
কারা এই টিকা পাবে
এই কার্যক্রমের আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু ও কিশোর টিকা পাবে। প্রায় পাঁচ কোটি শিশু এই কর্মসূচির আওতায় আসবে। এই বয়সে শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা পুরোপুরি গড়ে ওঠে না বলে টাইফয়েডের মতো মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। সে ক্ষেত্রে টিকা দিতে পারে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা।
টাইফয়েডের টিকা রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া
টিকা পেতে প্রথমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। ধাপগুলো হলো—
এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। তারপর,
টিকার ধরন ও বাছাই
রেজিস্ট্রেশনের পর শিশুর জন্য টাইফয়েড বা মেনিনজাইটিস থেকে একটি নির্বাচন করতে হবে। টাইফয়েড নির্বাচন করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত নবম শ্রেণি বা সমমানের শিক্ষার্থী ও স্কুলবহির্ভূত ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের শিশু—এই দুই বিকল্পের মধ্যে বাছাই করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলের নাম, ঠিকানা ও শ্রেণির তথ্য পূরণ করতে হবে। নির্ধারিত স্কুলের টিকাদান কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। স্কুলবহির্ভূত শিশুদের ক্ষেত্রে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র বেছে নিতে হবে। সব তথ্য সাবমিট করার পর ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড করা যাবে। এই কার্ড সঙ্গে নিয়ে শিশুকে নির্ধারিত দিন টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।
টিকা দেওয়ার সময় ও কার্যক্রম
নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নির্বাচিত কেন্দ্রে গিয়ে শিশুকে টিকা দিতে হবে। এক ডোজের এই ইনজেকশন শিশুদের ৩ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে।
সরকার এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং টাইফয়েডের মতো মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক অভিভাবককে তাঁদের শিশুদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
টিকা দেওয়ার পর যা করতে হবে
টিকা দেওয়ার সময় অনেক শিশু ভয় পেতে পারে। সে কারণে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কান্নাও করতে পারে। এমন হলে শিশুকে শান্ত করার চেষ্টা করুন। তাকে কোলে নিন, আদর করুন। এতে কিছুক্ষণের মধ্যে সে শান্ত হয়ে যাবে। ইনজেকশন দেওয়ার বিষয়টি হাসাহাসি করলে বা বিদ্রূপ করলে অনেক শিশু মানসিকভাবে আঘাত পেতে পারে। তাই তেমন কিছু করা যাবে না।
টাইফয়েডের টিকা মুখে খাওয়ানো হতে পারে, আবার ইনজেকশনের মাধ্যমেও দেওয়া হতে পারে। মুখে খাওয়ালে শিশুর তেমন কোনো ঝামেলা না হওয়ারই কথা। কিন্তু ইনজেকশন দিলে কিছুটা সমস্যা হতে পারে কারও কারও।
শিশুদের জন্য টিকা দেওয়ার পরে কয়েকটি সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সেগুলো হলো—
⦁ ইনজেকশন দেওয়ার জায়গায় ব্যথা, লাল বা ফোলা ভাব দেখা দেওয়া
⦁ সাইটে ফুসকুড়ি হতে পারে
⦁ স্বল্প জ্বর হতে পারে
⦁ জ্বরের কারণে মাথাব্যথা ও বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে
⦁ অনেক ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও হতে পারে
এগুলো খুব সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এসব লক্ষণ প্রমাণ করে যে শিশুর শরীর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি করছে। এ লক্ষণগুলো সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে চলে যায় নিজে থেকে। তবে কখনো কখনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া, খিঁচুনি, শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া, মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া কিংবা জ্বর না সারার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অবিলম্বে শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৬ জনে...
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশে নিবন্ধিত অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ৩২২টি। এর মধ্যে সক্রিয় ২৫৮টি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৩০টি শীর্ষ কোম্পানি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ড অনুসরণ করে সিংহভাগ মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন করছে। এসব কোম্পানির প্রায় ১০০টি উৎপাদন কারখানা রয়েছে। মানহীন ও অপ্রয়োজনীয় ওষুধ উৎ
১৭ ঘণ্টা আগে
ইঁদুরের মস্তিষ্কে সচল মানব কোষ সফলভাবে রূপান্তর ও স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। তাঁরা আশা করছেন, যেসব মানসিক ও স্নায়ুবিক বিকাশজনিত রোগ কেবল মানুষের মধ্যেই দেখা যায়, সেগুলোর সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি এখন থেকে গবেষণাগারের এসব ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা সম্ভব হবে।
১ দিন আগে
হামের পাশাপাশি দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমশ আশঙ্কাজনক রূপ নিচ্ছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৭৫৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা চলতি বছরে এক দিনে সংক্রমণের নতুন রেকর্ড..
২ দিন আগে