এক মাসের সিয়াম সাধনা এবং ঈদের আমেজ শেষে আমাদের শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক কিংবা ঘুমের স্বাভাবিক চক্রে পরিবর্তন আসে। কর্মস্থলে ফেরার এ সময়ে ক্লান্তি ও মেজাজ খিটখিটে হওয়া এড়াতে কিছু টিপস অনুসরণ করতে পারেন।
» হুট করে এক রাতে রুটিন না বদলে প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে ঘুমানোর সময় এগিয়ে আনুন। এতে শরীর পরিস্থিতির সঙ্গে সময় নিয়ে মানিয়ে নেবে।
» ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে টাটকা ফল ও সবজি রাখুন খাদ্যতালিকায়।
» সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ১ ঘণ্টা আলো কিংবা রোদে থাকার চেষ্টা করুন। এটি শরীর জেগে ওঠার সংকেত দেয় এবং দিনের ঝিমুনি কমায়।
» চা, কফি বা কোমল পানীয় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে থেকে এগুলো এড়িয়ে চলুন।
» মেলাটোনিন হরমোনের প্রবাহ ঠিক রাখতে ঘুমানোর ২ ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ বা টিভির পর্দা থেকে চোখ সরিয়ে নিন।
» শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে পর্যাপ্ত পানি ও রসাল ফল খান। এটি ভেতর থেকে শরীর সতেজ রাখবে।
» বিকেলে কিছুটা হাঁটাহাঁটি করুন এবং রাতে ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানিতে গোসল করে নিন। এতে পেশি শিথিল হবে এবং দ্রুত ঘুম আসবে।
» দিনের বেলা খুব ক্লান্তি লাগলে ২০-৩০ মিনিটের ঘুম দিতে পারেন। তবে বিকেল ৪টার পর আর ঘুমানো ঠিক হবে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। এর মধ্যে চলতি মাসে ৩৯ জন মারা গেছে। আর জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৮৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪৯ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৫৩, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৪, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯৯৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৬ জন।
২ দিন আগে
আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২ দিন আগে