ফিচার ডেস্ক

প্রতিদিনের ছোট কোনো অভ্যাস ওজন কমানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে পারে। অনেক নারী কঠোর ডায়েট বা ব্যায়াম করেন, তবু তাঁরা ইতিবাচক ফল পান না।
পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া
প্রোটিন ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্ষুধা কমায়, দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভর্তি রাখে। ডিম, মাছ, ডেইরি, শিম, ডাল বা অন্যান্য উদ্ভিদজাতীয় প্রোটিন ওজন কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
পর্যাপ্ত ফাইবার না নেওয়া
ফাইবার হজম এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। কম ফাইবারযুক্ত খাবার ওজন কমানোর গতি ধীর করে, রক্তের শর্করা বাড়ায় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফল, সবজি, হোল গ্রেইন এবং ডাল আপনার পেট দীর্ঘ সময় ধরে ভরা রাখে এবং খিদে কমায়।
পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
ঘুমও ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করে, যা ক্ষুধা বাড়ায় এবং মেটাবলিজম ধীর করে। দৈনিক ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম শক্তি বৃদ্ধি, চর্বি হ্রাস এবং সামগ্রিক সুস্থতায় সাহায্য করে।
খুব কম বা খুব বেশি ব্যায়াম করা
শরীরের জন্য ব্যায়াম জরুরি। তবে অতিরিক্ত বা অপর্যাপ্ত ব্যায়াম—কোনোটাই উচিত নয়। কম ব্যায়াম পেশি হ্রাস এবং মেটাবলিজম ধীরে হয়। আবার অতিরিক্ত ব্যায়াম ক্লান্তি এবং ওজন বাড়াতে পারে।
স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ না করা
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ ওজন কমানোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে পারে। স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল বাড়ায়, বিশেষ করে পেটে চর্বি জমতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ অনেক সময় আবেগভিত্তিক অতিরিক্ত খাবারের কারণও হয়।
সূত্র: হেলথশট

প্রতিদিনের ছোট কোনো অভ্যাস ওজন কমানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে পারে। অনেক নারী কঠোর ডায়েট বা ব্যায়াম করেন, তবু তাঁরা ইতিবাচক ফল পান না।
পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া
প্রোটিন ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্ষুধা কমায়, দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভর্তি রাখে। ডিম, মাছ, ডেইরি, শিম, ডাল বা অন্যান্য উদ্ভিদজাতীয় প্রোটিন ওজন কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
পর্যাপ্ত ফাইবার না নেওয়া
ফাইবার হজম এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। কম ফাইবারযুক্ত খাবার ওজন কমানোর গতি ধীর করে, রক্তের শর্করা বাড়ায় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফল, সবজি, হোল গ্রেইন এবং ডাল আপনার পেট দীর্ঘ সময় ধরে ভরা রাখে এবং খিদে কমায়।
পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
ঘুমও ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করে, যা ক্ষুধা বাড়ায় এবং মেটাবলিজম ধীর করে। দৈনিক ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম শক্তি বৃদ্ধি, চর্বি হ্রাস এবং সামগ্রিক সুস্থতায় সাহায্য করে।
খুব কম বা খুব বেশি ব্যায়াম করা
শরীরের জন্য ব্যায়াম জরুরি। তবে অতিরিক্ত বা অপর্যাপ্ত ব্যায়াম—কোনোটাই উচিত নয়। কম ব্যায়াম পেশি হ্রাস এবং মেটাবলিজম ধীরে হয়। আবার অতিরিক্ত ব্যায়াম ক্লান্তি এবং ওজন বাড়াতে পারে।
স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ না করা
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ ওজন কমানোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে পারে। স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল বাড়ায়, বিশেষ করে পেটে চর্বি জমতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ অনেক সময় আবেগভিত্তিক অতিরিক্ত খাবারের কারণও হয়।
সূত্র: হেলথশট

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২১ ঘণ্টা আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে