আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীনে প্রথমবারের মতো ব্রেইন ডেড ব্যক্তির শরীরে জেনেটিক্যালি পরিবর্তিত শূকরের ফুসফুস প্রতিস্থাপনের একটি অভূতপূর্ব পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রেইন ডেড রোগীদের শরীরে শূকরের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন—কিডনি ও হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। আর চীনে আগেই একটি শূকরের লিভার বা যকৃৎ প্রতিস্থাপনের পরীক্ষা করা হয়েছে। এ ধরনের গবেষণা শূকরের অঙ্গ জীবিত মানুষের শরীরে সফলভাবে প্রতিস্থাপনের পথ তৈরি করেছে, যদিও এখন পর্যন্ত এ ধরনের মাত্র কয়েকটি অস্ত্রোপচার হয়েছে।
ব্রেইন ডেড যারা
ব্রেইন ডেড হলো এমন একটি অবস্থা, যখন কোনো ব্যক্তির মস্তিষ্ক সম্পূর্ণরূপে কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং সেই অবস্থায় সে আর জীবিত নয়, যদিও হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুসের সাহায্যে কিছুক্ষণ কাজ করতে পারে।
সাধারণত, যারা মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত, রক্তক্ষরণ, স্ট্রোক বা অক্সিজেনের অভাবে দীর্ঘ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তাদের ব্রেইন ডেড ঘোষণা করা হয়।
চীনের এই পরীক্ষা ৩৯ বছর বয়সী পুরুষের শরীরে সম্পন্ন হয়। রোগী আসলে ব্রেইন ডেড কি না, তা নিশ্চিত করতে চারটি আলাদা পরীক্ষা করা হয় এবং তার পরিবার থেকে লিখিত সম্মতি নেওয়া হয়।
এটি প্রথমবারের মতো অন্য প্রজাতির ফুসফুস মানবদেহে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা।
গুয়াংঝৌ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংযুক্ত হাসপাতালের অঙ্গ প্রতিস্থাপন বিভাগের ডাক্তার জিয়াং শি বলেন, ‘আমাদের দলের জন্য এটি একটি অর্থবহ সূচনা। ফুসফুসের এ ধরনের প্রতিস্থাপন অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় জটিল এবং বৈজ্ঞানিকভাবে চ্যালেঞ্জপূর্ণ।’ তিনি আরও বলেন, এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল মানব প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা, এখনই এটি জীবিত রোগীদের জন্য ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত নয়।
অস্ত্রোপচারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই ব্যক্তির শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা শূকরের ফুসফুসের বিরুদ্ধে সক্রিয় হওয়া শুরু করে। তবে এর পরও ওই ব্যক্তির শরীরে নবম দিন পর্যন্ত কার্যকরী ছিল শূকরের ফুসফুস।
রোগীর পরিবারের অনুরোধে নবম দিন পরীক্ষা বন্ধ করা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই যে, ফুসফুস কত দিন পর্যন্ত কাজ করতে পারত, তবে নবম দিনে ফুসফুসের ক্ষতি স্পষ্ট ছিল।
এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন ট্রান্সপ্লান্ট ইনস্টিটিউটের সিনিয়র গবেষক ড. অ্যাডাম গ্রাইসমার বলেন, ‘নবম দিনের ফুসফুস প্রতিস্থাপনে কেউ সাইন আপ করবে না। তবে এ ধরনের গবেষণা মস্তিষ্ক মৃত রোগীদের শরীরে করা জরুরি, কারণ পশুর মডেল থেকে মানবদেহের সঠিক প্রতিক্রিয়া অনুমান করা কঠিন।’
এই পরীক্ষায় ব্যবহৃত শূকরের ফুসফুস জেনেটিক্যালি পরিবর্তিত ছিল, যেখানে সিআরআইএসপিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে শূকরের তিনটি জিন নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং তিনটি মানব জিন যুক্ত করা হয়, যাতে মানবশরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা তাকে গ্রহণ করে।
২০২৪ সালের মে মাসে ওই রোগীর শরীরে শূকরের বাম ফুসফুস লাগানো হয়, আর তার ডান ফুসফুস আগের মতোই থাকে। অস্ত্রোপচারের এক দিন আগে থেকেই রোগীর শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা দমনকারী ওষুধ দেওয়া শুরু করা হয়।
প্রতিস্থাপনের পর রোগীর শরীরে কোনো ‘হাইপারঅ্যাকিউট রিজেকশন’ বা তীব্র অস্বীকৃতি দেখা যায়নি, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফুসফুসে ফুলে ওঠা ও প্রদাহ দেখা দেয়। অস্ত্রোপচারের তৃতীয় দিনে রোগীর শরীর থেকে অঙ্গের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে শুরু করে, যা ফুসফুসে ক্ষতি করে।
গবেষকেরা বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরীক্ষায় নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধ কোষের কার্যক্রম ও প্রদাহ সৃষ্টি করা সিগন্যাল ব্লক করলে উন্নতি হতে পারে। ফুসফুস একটি বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ এটি বাইরের বাতাসের সংস্পর্শে থাকায় অনেক ধরনের প্রতিরোধী প্রোটিন ধারণ করে, যা মানবশরীরের জন্য ‘বহিরাগত’ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। এ ছাড়া ফুসফুসের নরম টিস্যু অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড বিনিময়ের জন্য সংবেদনশীল হওয়ায় রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার আক্রমণ খুবই ক্ষতিকর হতে পারে।
এখনো অনেক প্রশ্ন থেকে গেছে, যেমন—বেঁচে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কতটা কার্যকর হবে। ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের থোরাসিক ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন ড. রিচার্ড পিয়ারসন বলেছেন, এই পরীক্ষার ভিত্তিতে স্পষ্ট নয় যে, যদি রোগীকে লাইফ সাপোর্ট থেকে সরানো হয়, তাহলে শূকরের ফুসফুস কতটা সহায়তা করতে পারবে।
গবেষক দল আশা প্রকাশ করেছে যে ভবিষ্যতে এই গবেষণার পদ্ধতিতে উন্নতি সাধন করে ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হবে। তারা বলেন, ‘এই গবেষণা রোগ প্রতিরোধ, শারীরবৃত্তীয় এবং জেনেটিক বাধা সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নতুন উদ্ভাবনের পথ তৈরি করেছে।’
তথ্যসূত্র: লাইভ সায়েন্স

চীনে প্রথমবারের মতো ব্রেইন ডেড ব্যক্তির শরীরে জেনেটিক্যালি পরিবর্তিত শূকরের ফুসফুস প্রতিস্থাপনের একটি অভূতপূর্ব পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রেইন ডেড রোগীদের শরীরে শূকরের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন—কিডনি ও হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। আর চীনে আগেই একটি শূকরের লিভার বা যকৃৎ প্রতিস্থাপনের পরীক্ষা করা হয়েছে। এ ধরনের গবেষণা শূকরের অঙ্গ জীবিত মানুষের শরীরে সফলভাবে প্রতিস্থাপনের পথ তৈরি করেছে, যদিও এখন পর্যন্ত এ ধরনের মাত্র কয়েকটি অস্ত্রোপচার হয়েছে।
ব্রেইন ডেড যারা
ব্রেইন ডেড হলো এমন একটি অবস্থা, যখন কোনো ব্যক্তির মস্তিষ্ক সম্পূর্ণরূপে কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং সেই অবস্থায় সে আর জীবিত নয়, যদিও হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুসের সাহায্যে কিছুক্ষণ কাজ করতে পারে।
সাধারণত, যারা মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত, রক্তক্ষরণ, স্ট্রোক বা অক্সিজেনের অভাবে দীর্ঘ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তাদের ব্রেইন ডেড ঘোষণা করা হয়।
চীনের এই পরীক্ষা ৩৯ বছর বয়সী পুরুষের শরীরে সম্পন্ন হয়। রোগী আসলে ব্রেইন ডেড কি না, তা নিশ্চিত করতে চারটি আলাদা পরীক্ষা করা হয় এবং তার পরিবার থেকে লিখিত সম্মতি নেওয়া হয়।
এটি প্রথমবারের মতো অন্য প্রজাতির ফুসফুস মানবদেহে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা।
গুয়াংঝৌ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংযুক্ত হাসপাতালের অঙ্গ প্রতিস্থাপন বিভাগের ডাক্তার জিয়াং শি বলেন, ‘আমাদের দলের জন্য এটি একটি অর্থবহ সূচনা। ফুসফুসের এ ধরনের প্রতিস্থাপন অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় জটিল এবং বৈজ্ঞানিকভাবে চ্যালেঞ্জপূর্ণ।’ তিনি আরও বলেন, এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল মানব প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা, এখনই এটি জীবিত রোগীদের জন্য ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত নয়।
অস্ত্রোপচারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই ব্যক্তির শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা শূকরের ফুসফুসের বিরুদ্ধে সক্রিয় হওয়া শুরু করে। তবে এর পরও ওই ব্যক্তির শরীরে নবম দিন পর্যন্ত কার্যকরী ছিল শূকরের ফুসফুস।
রোগীর পরিবারের অনুরোধে নবম দিন পরীক্ষা বন্ধ করা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই যে, ফুসফুস কত দিন পর্যন্ত কাজ করতে পারত, তবে নবম দিনে ফুসফুসের ক্ষতি স্পষ্ট ছিল।
এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন ট্রান্সপ্লান্ট ইনস্টিটিউটের সিনিয়র গবেষক ড. অ্যাডাম গ্রাইসমার বলেন, ‘নবম দিনের ফুসফুস প্রতিস্থাপনে কেউ সাইন আপ করবে না। তবে এ ধরনের গবেষণা মস্তিষ্ক মৃত রোগীদের শরীরে করা জরুরি, কারণ পশুর মডেল থেকে মানবদেহের সঠিক প্রতিক্রিয়া অনুমান করা কঠিন।’
এই পরীক্ষায় ব্যবহৃত শূকরের ফুসফুস জেনেটিক্যালি পরিবর্তিত ছিল, যেখানে সিআরআইএসপিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে শূকরের তিনটি জিন নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং তিনটি মানব জিন যুক্ত করা হয়, যাতে মানবশরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা তাকে গ্রহণ করে।
২০২৪ সালের মে মাসে ওই রোগীর শরীরে শূকরের বাম ফুসফুস লাগানো হয়, আর তার ডান ফুসফুস আগের মতোই থাকে। অস্ত্রোপচারের এক দিন আগে থেকেই রোগীর শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা দমনকারী ওষুধ দেওয়া শুরু করা হয়।
প্রতিস্থাপনের পর রোগীর শরীরে কোনো ‘হাইপারঅ্যাকিউট রিজেকশন’ বা তীব্র অস্বীকৃতি দেখা যায়নি, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফুসফুসে ফুলে ওঠা ও প্রদাহ দেখা দেয়। অস্ত্রোপচারের তৃতীয় দিনে রোগীর শরীর থেকে অঙ্গের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে শুরু করে, যা ফুসফুসে ক্ষতি করে।
গবেষকেরা বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরীক্ষায় নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধ কোষের কার্যক্রম ও প্রদাহ সৃষ্টি করা সিগন্যাল ব্লক করলে উন্নতি হতে পারে। ফুসফুস একটি বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ এটি বাইরের বাতাসের সংস্পর্শে থাকায় অনেক ধরনের প্রতিরোধী প্রোটিন ধারণ করে, যা মানবশরীরের জন্য ‘বহিরাগত’ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। এ ছাড়া ফুসফুসের নরম টিস্যু অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড বিনিময়ের জন্য সংবেদনশীল হওয়ায় রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার আক্রমণ খুবই ক্ষতিকর হতে পারে।
এখনো অনেক প্রশ্ন থেকে গেছে, যেমন—বেঁচে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কতটা কার্যকর হবে। ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের থোরাসিক ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন ড. রিচার্ড পিয়ারসন বলেছেন, এই পরীক্ষার ভিত্তিতে স্পষ্ট নয় যে, যদি রোগীকে লাইফ সাপোর্ট থেকে সরানো হয়, তাহলে শূকরের ফুসফুস কতটা সহায়তা করতে পারবে।
গবেষক দল আশা প্রকাশ করেছে যে ভবিষ্যতে এই গবেষণার পদ্ধতিতে উন্নতি সাধন করে ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হবে। তারা বলেন, ‘এই গবেষণা রোগ প্রতিরোধ, শারীরবৃত্তীয় এবং জেনেটিক বাধা সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নতুন উদ্ভাবনের পথ তৈরি করেছে।’
তথ্যসূত্র: লাইভ সায়েন্স

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
১ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
১ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
১ দিন আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
১ দিন আগে