
বাংলাদেশে তরুণ ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ‘ম্যাচিউরিটি অনসেট ডায়াবেটিস ইন ইয়াং’ বা ‘মডি’ নামের বিশেষ ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) এক গবেষণায় এই দাবি করা হয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন তরুণ রোগীদের প্রায় প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনের শরীরে এই ধরনের ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত জিনগত পরিবর্তন পাওয়া গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিএমইউর শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ‘ম্যাচিউরিটি অনসেট ডায়াবেটিস ইন ইয়াং’ বা মডি-সংক্রান্ত কিছু জিনে পরিবর্তন শনাক্ত হয়েছে, যা এই রোগের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব জিনগত বৈশিষ্ট্য পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় ভিন্ন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কম পরিচিত জিনে এই পরিবর্তন দেখা গেছে। ফলে শুধু ক্লিনিক্যাল লক্ষণ দেখে মডি ও অন্যান্য ডায়াবেটিস আলাদা করা চিকিৎসকদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।
তাঁরা আরও জানান, এই ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের। চিকিৎসা ব্যবস্থায় সরাসরি প্রয়োগের আগে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন। কারণ, মডি ডায়াবেটিস টাইপ-১ বা টাইপ-২-এর মতো প্রচলিত শ্রেণিতে পড়ে না, অথচ সঠিকভাবে শনাক্ত করা না গেলে রোগীর চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
‘ডিসেমিনেশন অব পাবলিশড পিএইচডি রিসার্চ অব ডা. মাশফিকুল হাসান’ শীর্ষক এই আয়োজনে জানানো হয়, দেশে তরুণদের মধ্যে ডায়াবেটিসের হার বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রেই তা প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাসের বাইরে থেকে যাচ্ছে।
গবেষণাটি ইঙ্গিত করছে, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ডায়াবেটিসের জিনগত গঠন অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় আলাদা হতে পারে। ফলে বিদ্যমান নির্ণয় পদ্ধতি সব ক্ষেত্রে কার্যকর নাও হতে পারে। এ কারণে স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন গবেষণা ও উপযোগী সমাধান উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য, গবেষণাটি সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক কিউ-১ মানের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, যা এর বৈজ্ঞানিক গুরুত্বকে আরও জোরালো করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএমইউ উপাচার্য এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘দেশে জেনেটিক গবেষণা পরিচালনা করা কঠিন হলেও রোগীর সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এই ধরনের উদ্যোগ বাড়ানো জরুরি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ হাসানাতের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গবেষক ডা. মাশফিকুল হাসানসহ অন্য বক্তারা অংশ নেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে কেউ নজর দেয়নি। তাই আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে সাজাতে চাচ্ছি।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭০ জনের। এর মধ্যে চলতি মাসে ১৬ জন মারা গেছে। আর জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু নেই। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০৮। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৮০৯ এবং হাম শনাক্ত হয়ে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৭৩০ জন।
২ দিন আগে