লিটন বড়ুয়া

‘খুব চাপে আছি ভাই’—বর্তমান সময়ে বহুল প্রচলিত একটি সংলাপ। বিভিন্ন কারণেই মানুষ চাপে থাকে। ‘খুব চাপে আছি’ বলার মাধ্যমে মানুষ মূলত তাদের মন ও শরীরের ভেতরে সৃষ্ট একটি নেতিবাচক অবস্থাকে বোঝানোর চেষ্টা করে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপে যা হতে পারে:
• বুক ধড়ফড় করা
• মাথা ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হওয়া
• রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া
• মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া
• মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া
• প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও একই কাজ বারবার করা
• মনোযোগ নষ্ট হয়ে যাওয়া
• সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা
• মাদকাসক্ত বা ধূমপায়ী হওয়া
• হজমে ও ঘুমে সমস্যা দেখা দেওয়া
চাপ দূরে রাখতে যা করবেন:
চাপ বোঝার চেষ্টা করুন
সব মানুষ একই রকম বিষয়ের প্রতি, একই রকমভাবে এবং একই মাত্রায় মানসিক চাপ অনুভব করেন না। তাই কোন বিষয়গুলোয়, কোন মাত্রায়, কখন ও কীভাবে মানসিক চাপ তৈরি হয়, সেগুলো বুঝতে চেষ্টা করতে হবে। সোজা কথায়, মানসিক চাপের উৎসগুলো খুঁজে বের করতে হবে। চাপের বিপরীতে মন ও শরীর প্রায়ই কী রকম প্রতিক্রিয়া করে, সেটা খেয়াল করুন এবং সেভাবে ব্যবস্থা নিন।
সমন্বয় করুন
অনেকে আছেন যাঁরা শুধু সময়কে ঠিকঠাকভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। সে জন্য বিভিন্ন রকম চাপের সম্মুখীন হন। তাই সারা দিন বা পুরো সপ্তাহের সময়টা কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেটার একটি পরিকল্পনা থাকলে সুবিধা পাবেন। দিন বা সপ্তাহ শেষে সেই পরিকল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যে ফারাক থাকলে তার কারণগুলো বের করে ব্যবধান ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে। এ ছাড়া কোনটা জরুরি, সেটা বুঝে কাজ করতে হবে।
বিকল্প চিন্তার চর্চা করুন
মানসিক চাপ মোকাবিলায় একটি ভালো কৌশল হলো বিকল্প চিন্তা করতে পারার ক্ষমতা। কোনো ঘটনা বা সময় অথবা পরিস্থিতিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবতে পারলে চাপ অনেক কমে যাবে।
বর্তমানে থাকুন
বর্তমান একই সঙ্গে আমাদের অতীতে পরিণত হয় এবং ভবিষ্যতের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আমাদের শরীর বর্তমানে অবস্থান করলেও মন অধিকাংশ সময় অতীত নতুবা ভবিষ্যৎকেন্দ্রিক বিষয়ের ভেতরে ঘুরপাক খায়। ফলে দেহ ও মনের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। মন বর্তমানের ওপর মনোযোগী না হয়ে অতীতের ভেতরে ডুবে গেলে হতাশা, বিষণ্ণতা দেখা দেয় এবং ভবিষ্যতের ভেতরে ঘুরপাক খেলে উদ্বিগ্নতা, দুশ্চিন্তা দেখা দেয়। তাই দৈনন্দিন জীবনকে চাপমুক্ত রাখতে হলে মনকে বর্তমানের ভেতরে আবদ্ধ রাখার চেষ্টা করতে হবে।
লেখক: মনোবিজ্ঞানী, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত

‘খুব চাপে আছি ভাই’—বর্তমান সময়ে বহুল প্রচলিত একটি সংলাপ। বিভিন্ন কারণেই মানুষ চাপে থাকে। ‘খুব চাপে আছি’ বলার মাধ্যমে মানুষ মূলত তাদের মন ও শরীরের ভেতরে সৃষ্ট একটি নেতিবাচক অবস্থাকে বোঝানোর চেষ্টা করে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপে যা হতে পারে:
• বুক ধড়ফড় করা
• মাথা ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হওয়া
• রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া
• মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া
• মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া
• প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও একই কাজ বারবার করা
• মনোযোগ নষ্ট হয়ে যাওয়া
• সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা
• মাদকাসক্ত বা ধূমপায়ী হওয়া
• হজমে ও ঘুমে সমস্যা দেখা দেওয়া
চাপ দূরে রাখতে যা করবেন:
চাপ বোঝার চেষ্টা করুন
সব মানুষ একই রকম বিষয়ের প্রতি, একই রকমভাবে এবং একই মাত্রায় মানসিক চাপ অনুভব করেন না। তাই কোন বিষয়গুলোয়, কোন মাত্রায়, কখন ও কীভাবে মানসিক চাপ তৈরি হয়, সেগুলো বুঝতে চেষ্টা করতে হবে। সোজা কথায়, মানসিক চাপের উৎসগুলো খুঁজে বের করতে হবে। চাপের বিপরীতে মন ও শরীর প্রায়ই কী রকম প্রতিক্রিয়া করে, সেটা খেয়াল করুন এবং সেভাবে ব্যবস্থা নিন।
সমন্বয় করুন
অনেকে আছেন যাঁরা শুধু সময়কে ঠিকঠাকভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। সে জন্য বিভিন্ন রকম চাপের সম্মুখীন হন। তাই সারা দিন বা পুরো সপ্তাহের সময়টা কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেটার একটি পরিকল্পনা থাকলে সুবিধা পাবেন। দিন বা সপ্তাহ শেষে সেই পরিকল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যে ফারাক থাকলে তার কারণগুলো বের করে ব্যবধান ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে। এ ছাড়া কোনটা জরুরি, সেটা বুঝে কাজ করতে হবে।
বিকল্প চিন্তার চর্চা করুন
মানসিক চাপ মোকাবিলায় একটি ভালো কৌশল হলো বিকল্প চিন্তা করতে পারার ক্ষমতা। কোনো ঘটনা বা সময় অথবা পরিস্থিতিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবতে পারলে চাপ অনেক কমে যাবে।
বর্তমানে থাকুন
বর্তমান একই সঙ্গে আমাদের অতীতে পরিণত হয় এবং ভবিষ্যতের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আমাদের শরীর বর্তমানে অবস্থান করলেও মন অধিকাংশ সময় অতীত নতুবা ভবিষ্যৎকেন্দ্রিক বিষয়ের ভেতরে ঘুরপাক খায়। ফলে দেহ ও মনের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। মন বর্তমানের ওপর মনোযোগী না হয়ে অতীতের ভেতরে ডুবে গেলে হতাশা, বিষণ্ণতা দেখা দেয় এবং ভবিষ্যতের ভেতরে ঘুরপাক খেলে উদ্বিগ্নতা, দুশ্চিন্তা দেখা দেয়। তাই দৈনন্দিন জীবনকে চাপমুক্ত রাখতে হলে মনকে বর্তমানের ভেতরে আবদ্ধ রাখার চেষ্টা করতে হবে।
লেখক: মনোবিজ্ঞানী, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ ঘণ্টা আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৪ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৪ দিন আগে