
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আনন্দে বা দুঃসময়ে একে অন্যকে জড়িয়ে ধরার প্রবণতা আমাদের আদিম পূর্বপুরুষ থেকে আসা এক সহজাত প্রবৃত্তি। বন্য প্রাণীরাও যেমন একে অপরের গায়ের লোম পরিষ্কার করে বা মমতা দিয়ে গা ঘষে সামাজিক বন্ধন তৈরি করে, মানুষের ক্ষেত্রেও স্পর্শ তেমনি নিরাপত্তা ও বিশ্বাসের প্রতীক।

কর্মজীবনে বড় কোনো সাফল্য পেতে হলে কেবল কঠোর পরিশ্রমই যথেষ্ট নয়, মাঝে মাঝে সাহসী কিছু সিদ্ধান্ত বা ‘ঝুঁকি’ নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়ে। আমাদের মস্তিষ্ক প্রাকৃতিকভাবেই আমাদের নিরাপদ রাখতে চায়, যাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় ‘নেতিবাচক পক্ষপাত’বলা হয়। এই আদিম স্বভাবের কারণেই আমরা সম্ভাব্য লাভের চেয়ে ক্ষতির ভয়

মানুষের আচরণ তাঁকে অন্যের সামনে তুলে ধরে। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অতি সাধারণ কিছু আচরণগত পরিবর্তন কীভাবে অন্যের চোখে আমাদের গুরুত্ব এবং ব্যক্তিত্বকে আমূল বদলে দিতে পারে, তা সত্যিই বিস্ময়কর। অনেকে এই বিষয়গুলোকে বাহ্যিক বা অগভীর মনে করতে পারেন। কিন্তু সত্য এটাই, আমাদের অবচেতন সংকেতগুলো যদি ভুল

দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া বা মতবিরোধ চলতে থাকে। তবে এমন পরিস্থিতিতে অনেক স্ত্রীর অভিযোগ, রাগ বা অভিমান করলে তাদের স্বামী নীরব হয়ে যায়। বাইরে থেকে এটি উদাসীনতা বা অনুভূতি প্রকাশ না করা মনে হলেও, মনোবিজ্ঞান বলছে, বিষয়টি সব সময় তেমন নয়। অনেক ক্ষেত্রে এই নীরবতা আসলে পুরুষদের মস্তিষ্কের একটি স্বাভাবিক