ফিচার ডেস্ক

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং তা ধরে রাখতে মস্তিষ্কের কিছু বিশেষ ব্যায়াম বেশ কাজে দেয়। স্মৃতিশক্তির খেলা, নতুন দক্ষতা শেখা, শব্দজট মেলানো, এমনকি ভিডিও গেমও এ ক্ষেত্রে সহায়ক। আমেরিকান বোর্ড অব মেডিকেল স্পেশালটিস স্বীকৃত নিউরোলজিস্ট ড. সুসান ডব্লিউ লি বলেন, কিছু নির্দিষ্ট কার্যকলাপ মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা বয়সের কারণে মস্তিষ্কের ক্ষয় থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। তাই তিনি বেশ কয়েকটি উপায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। যে চর্চাগুলো আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াবে।
মেডিটেশন
মেডিটেশনের মাধ্যমে মনকে শান্ত ও নিয়ন্ত্রণ করার উপায়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ হেলথের তথ্য অনুযায়ী, গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেশন মস্তিষ্কের গঠন এবং কার্যকারিতার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
চিত্রকল্প তৈরি
চিত্রকল্প তৈরি মানে হলো কোনো তথ্যকে মনের চোখে ছবি অথবা দৃশ্য হিসেবে দেখা। উদাহরণস্বরূপ, বাজারে যাওয়ার আগে কল্পনা করুন কোন রাস্তা দিয়ে যাবেন, কোন দোকান থেকে কী কিনবেন। যত বেশি স্পষ্ট এবং বিস্তারিতভাবে কল্পনা করা যায়, মস্তিষ্ক তত বেশি সক্রিয় হয়। এটি স্মৃতিশক্তি, পরিকল্পনা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
খেলা
কার্ড বা বোর্ড গেম যেমন লুডো, মনস্ট্রোম বা দাবা খেললে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সক্রিয় থাকে। বয়স্কদের জন্য এ ধরনের খেলা মানসিক চাপ কমানো ধীর করতে সহায়ক। তাই খেলা কেবল সময় কাটিয়ে আনন্দ পেতে নয়, এটি সামাজিক মেলামেশার সুযোগও দেয়, যা মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রেইন ট্রেনিং গেম
ব্রেইন ট্রেনিং গেম মস্তিষ্ককে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করে। এগুলো খেলতে খেলতে আমরা স্বাভাবিকভাবেই প্যাটার্ন চিনে নেওয়ার ক্ষমতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়াই। বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এ ধরনের গেম মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে এবং মানসিক সতেজতা বজায় রাখতে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
ক্রসওয়ার্ড
ক্রসওয়ার্ড বেশ মজার এক ধাঁধার খেলা। এর মাধ্যমে মস্তিষ্ক চ্যালেঞ্জ অনুভব করে। ফলে এটি শুধু শব্দভান্ডার ও ভাষা দক্ষতা বাড়ায় না, স্মৃতিশক্তিও উন্নত করে। হালকা স্মৃতিশক্তি সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা নিয়মিত ক্রসওয়ার্ড খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ধরে রাখতে পারেন এবং মন সতেজ থাকে। কম্পিউটার বা কাগজের ক্রসওয়ার্ড—উভয়ই কাজে আসে, তাই দৈনন্দিন সময়ের মধ্যে কিছুটা মজা করে মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখা সম্ভব।
সংখ্যার ধাঁধা
সুডোকু বা এ ধরনের সংখ্যার ধাঁধা মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ করার একটি দারুণ উপায়। এগুলো সমাধান করতে গিয়ে আমাদের যৌক্তিক চিন্তাশক্তি, মনোযোগ এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়ে। প্রতিদিন মাত্র কিছু সময় দিলে দীর্ঘ মেয়াদে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব।
দাবা
দাবা খেলা মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং। এটি মনোযোগ, পরিকল্পনা, সমস্যা সমাধান এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে কগনিটিভ ফাংশন বা মস্তিষ্কের মানসিক ক্ষমতা অবনতি ধীর করতে সাহায্য করে।
সামাজিক মেলামেশা
বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। আলোচনা করা, খেলাধুলায় অংশ নেওয়া বা সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত সামাজিক মেলামেশা মানসিক চাপ কমায় এবং মানসিক সুস্থতা বাড়ায়।
নতুন দক্ষতা শেখা
নতুন দক্ষতা শেখা; যেমন ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফি, বুনাই বা অন্য কোনো হস্তশিল্প মস্তিষ্কের জন্য চ্যালেঞ্জ। এটি স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক সতেজতা বজায় রাখে। নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সক্রিয় থাকে।
আপনার জন্য সবচেয়ে উপভোগ্য মস্তিষ্কের ব্যায়ামটি বেছে নিতে প্রথমে কয়েকটি ভিন্ন ধরনের কার্যকলাপ চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যেটি আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে, সেটি নিয়মিত অনুসরণ করতে পারেন।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং তা ধরে রাখতে মস্তিষ্কের কিছু বিশেষ ব্যায়াম বেশ কাজে দেয়। স্মৃতিশক্তির খেলা, নতুন দক্ষতা শেখা, শব্দজট মেলানো, এমনকি ভিডিও গেমও এ ক্ষেত্রে সহায়ক। আমেরিকান বোর্ড অব মেডিকেল স্পেশালটিস স্বীকৃত নিউরোলজিস্ট ড. সুসান ডব্লিউ লি বলেন, কিছু নির্দিষ্ট কার্যকলাপ মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা বয়সের কারণে মস্তিষ্কের ক্ষয় থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। তাই তিনি বেশ কয়েকটি উপায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। যে চর্চাগুলো আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াবে।
মেডিটেশন
মেডিটেশনের মাধ্যমে মনকে শান্ত ও নিয়ন্ত্রণ করার উপায়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ হেলথের তথ্য অনুযায়ী, গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেশন মস্তিষ্কের গঠন এবং কার্যকারিতার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
চিত্রকল্প তৈরি
চিত্রকল্প তৈরি মানে হলো কোনো তথ্যকে মনের চোখে ছবি অথবা দৃশ্য হিসেবে দেখা। উদাহরণস্বরূপ, বাজারে যাওয়ার আগে কল্পনা করুন কোন রাস্তা দিয়ে যাবেন, কোন দোকান থেকে কী কিনবেন। যত বেশি স্পষ্ট এবং বিস্তারিতভাবে কল্পনা করা যায়, মস্তিষ্ক তত বেশি সক্রিয় হয়। এটি স্মৃতিশক্তি, পরিকল্পনা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
খেলা
কার্ড বা বোর্ড গেম যেমন লুডো, মনস্ট্রোম বা দাবা খেললে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সক্রিয় থাকে। বয়স্কদের জন্য এ ধরনের খেলা মানসিক চাপ কমানো ধীর করতে সহায়ক। তাই খেলা কেবল সময় কাটিয়ে আনন্দ পেতে নয়, এটি সামাজিক মেলামেশার সুযোগও দেয়, যা মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রেইন ট্রেনিং গেম
ব্রেইন ট্রেনিং গেম মস্তিষ্ককে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করে। এগুলো খেলতে খেলতে আমরা স্বাভাবিকভাবেই প্যাটার্ন চিনে নেওয়ার ক্ষমতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়াই। বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এ ধরনের গেম মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে এবং মানসিক সতেজতা বজায় রাখতে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
ক্রসওয়ার্ড
ক্রসওয়ার্ড বেশ মজার এক ধাঁধার খেলা। এর মাধ্যমে মস্তিষ্ক চ্যালেঞ্জ অনুভব করে। ফলে এটি শুধু শব্দভান্ডার ও ভাষা দক্ষতা বাড়ায় না, স্মৃতিশক্তিও উন্নত করে। হালকা স্মৃতিশক্তি সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা নিয়মিত ক্রসওয়ার্ড খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ধরে রাখতে পারেন এবং মন সতেজ থাকে। কম্পিউটার বা কাগজের ক্রসওয়ার্ড—উভয়ই কাজে আসে, তাই দৈনন্দিন সময়ের মধ্যে কিছুটা মজা করে মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখা সম্ভব।
সংখ্যার ধাঁধা
সুডোকু বা এ ধরনের সংখ্যার ধাঁধা মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ করার একটি দারুণ উপায়। এগুলো সমাধান করতে গিয়ে আমাদের যৌক্তিক চিন্তাশক্তি, মনোযোগ এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়ে। প্রতিদিন মাত্র কিছু সময় দিলে দীর্ঘ মেয়াদে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব।
দাবা
দাবা খেলা মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং। এটি মনোযোগ, পরিকল্পনা, সমস্যা সমাধান এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে কগনিটিভ ফাংশন বা মস্তিষ্কের মানসিক ক্ষমতা অবনতি ধীর করতে সাহায্য করে।
সামাজিক মেলামেশা
বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। আলোচনা করা, খেলাধুলায় অংশ নেওয়া বা সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত সামাজিক মেলামেশা মানসিক চাপ কমায় এবং মানসিক সুস্থতা বাড়ায়।
নতুন দক্ষতা শেখা
নতুন দক্ষতা শেখা; যেমন ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফি, বুনাই বা অন্য কোনো হস্তশিল্প মস্তিষ্কের জন্য চ্যালেঞ্জ। এটি স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক সতেজতা বজায় রাখে। নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সক্রিয় থাকে।
আপনার জন্য সবচেয়ে উপভোগ্য মস্তিষ্কের ব্যায়ামটি বেছে নিতে প্রথমে কয়েকটি ভিন্ন ধরনের কার্যকলাপ চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যেটি আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে, সেটি নিয়মিত অনুসরণ করতে পারেন।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে