অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী

আমাদের যত বয়স বাড়ে, ততই বদলে যায় শরীরের কুশল, সামাজিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক অবস্থা। এ সময় সম্পর্ক দারুণ হবে নাকি মিইয়ে যাবে, তা নির্ভর করে দাম্পত্যজীবনে নানান সংকট দুজনে কীভাবে সামাল দেন তার ওপর। এই বয়সের দাম্পত্য সম্পর্কে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। সেগুলো মোকাবিলা করতে গিয়ে কিছু ভুল করা যাবে না।
সন্তান বা নাতি-নাতনিদের বেশি সময় দেবেন না: এমন বয়সে অনেক দম্পতি ছেলেমেয়ে বা নাতি-নাতনি নিয়ে মেতে থাকেন সর্বক্ষণ। সে কারণে নিজেদের সম্পর্কের মূল্য থাকে না তখন। কিন্তু এই বয়স হলো নিজেদের জীবনে পরিপূর্ণতা আনার। এ সময় পরস্পরকে সময় দেওয়া খুবই জরুরি নিজেদের আরও বেশি
জানার জন্য।
অবসরের পরিকল্পনা করুন: অবসর নেওয়ার পর কী করবেন, কীভাবে জীবন চালাবেন—তা নিয়ে আগে না ভাবলে ব্যর্থতা আসতে পারে। শেষ বয়সে অর্থনৈতিকভাবে নিরাপদ থাকতে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতে হলে নিয়ে আসুন। তার জন্য পরিকল্পনা করুন। এ সময় স্বেচ্ছাসেবী কাজে দুজনে যোগ দিন, ব্যায়ামের প্রোগ্রাম চালান, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা মারুন, দুজনে বেড়াতে যান। এগুলো জীবনে কিছুটা হলেও পূর্ণতা আনবে।
স্বাস্থ্যসমস্যা লুকাবেন না: সম্পর্কে সততা গুরুত্বপূর্ণ, যে বয়সেই হোক না কেন। কিন্তু বয়স বাড়লে একজন নিজের সমস্যাগুলো লুকায় বা লুকাতে চান। মনে করেন, সেসব জেনে জীবনসঙ্গী হবেন ব্যাকুল। সত্য হলো, এমন করলে ভালো ফল হয় না। এতে আবেগের জায়গায় আসে দূরত্ব, আসে বিচ্ছিন্নতা। সঙ্গীর জানা উচিত স্বাস্থ্যের সমস্যা। কারণ, দুজনে দুজনের ওপর নির্ভরশীল। তাই একের সমস্যা অন্যকে সাপোর্ট দিয়ে সামলাতে হবে।
সম্পর্ক উন্নত করার উপায় খুঁজুন: মনোবিজ্ঞানী ফিসার বলেন, ‘৫০-এর ওপরে যারা, তারা সন্তুষ্টি আর আত্মতৃপ্তির কাছে নিজেকে সমর্পণ করে। সম্পর্কে সমস্যা থাকলেও এ নিয়ে খোলাখুলি আলাপে যুক্ত হয় না। অথচ নিজেরা কথা বলে সব দূর করে একটি সুখী জীবন যাপন করতে পারে।’ ফলে আত্মতৃপ্তি নয়, সম্পর্ক উন্নত করার উপায় খুঁজুন বয়স ৫০ হলে।
সম্পর্কের দ্বন্দ্ব সমঝোতার মন নিয়ে আলাপ করুন: যেকোনো সম্পর্কে থাকে তর্কবিতর্ক। কিন্তু এসব কী করে স্বাস্থ্যকরভাবে সমাধা হয়, তা জানতে হবে। গঠনমূলক কথাবার্তায় সব সমস্যা দূর করা যায়। তাই সমঝোতার মন নিয়ে জীবনের সব দ্বন্দ্ব নিয়ে আলাপ করুন।
ভালোবাসার বয়স ফুরায় না: ৫০-এর ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের অনেকের ধারণা, ভালোবাসার জীবন ফুরিয়ে এল। কিন্তু তা ভুল। এই সময়ে আসে কিছু চ্যালেঞ্জ। এগুলো সামলেও সম্ভব একটি পরিপূর্ণ অন্তরঙ্গ জীবন যাপন। বয়স্ক শরীরে থাকবে কিছু সমস্যা, আকর্ষণ কমে যাবে। এটাই স্বাভাবিক। স্বাস্থ্য সমস্যায় স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা বাধা হয়ে দাঁড়ালে সাহায্য নেবেন থেরাপিস্টের বা চিকিৎসকের।
সম্পর্কে জোর থাকবে না: আমরা না চাইলেও সম্পর্কে ইতি টানা অনেক সময় দরকার হয়। যে সম্পর্কে আনন্দ নেই, সুখ নেই, তাকে টিকিয়ে রাখা ভুল। সম্পর্কের ইতি টানতে হলেও ইতিবাচকভাবে টানুন। সমঝোতার মাধ্যমে সম্পর্ক শেষ করুন।
তবে জানিয়ে রাখি, সম্পর্ক শেষ করার আগে নেওয়া যায় কাপল থেরাপি। দুজনে মিলে বসে খোলাখুলি আলাপ করে সমাধান করা যায় সবকিছু। বিচ্ছেদ জিনিসটা বেদনার। এ এক দুঃখের স্মৃতি। সারা জীবন কষ্ট দেবে। তাই কাপল থেরাপি কিংবা খোলাখুলি আলাপ করে নিন। কারণ, এই বয়সে আপনাদের কাউকে জবাবদিহি করতে হবে না বা হচ্ছে না।
অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী, সাবেক অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

আমাদের যত বয়স বাড়ে, ততই বদলে যায় শরীরের কুশল, সামাজিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক অবস্থা। এ সময় সম্পর্ক দারুণ হবে নাকি মিইয়ে যাবে, তা নির্ভর করে দাম্পত্যজীবনে নানান সংকট দুজনে কীভাবে সামাল দেন তার ওপর। এই বয়সের দাম্পত্য সম্পর্কে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। সেগুলো মোকাবিলা করতে গিয়ে কিছু ভুল করা যাবে না।
সন্তান বা নাতি-নাতনিদের বেশি সময় দেবেন না: এমন বয়সে অনেক দম্পতি ছেলেমেয়ে বা নাতি-নাতনি নিয়ে মেতে থাকেন সর্বক্ষণ। সে কারণে নিজেদের সম্পর্কের মূল্য থাকে না তখন। কিন্তু এই বয়স হলো নিজেদের জীবনে পরিপূর্ণতা আনার। এ সময় পরস্পরকে সময় দেওয়া খুবই জরুরি নিজেদের আরও বেশি
জানার জন্য।
অবসরের পরিকল্পনা করুন: অবসর নেওয়ার পর কী করবেন, কীভাবে জীবন চালাবেন—তা নিয়ে আগে না ভাবলে ব্যর্থতা আসতে পারে। শেষ বয়সে অর্থনৈতিকভাবে নিরাপদ থাকতে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতে হলে নিয়ে আসুন। তার জন্য পরিকল্পনা করুন। এ সময় স্বেচ্ছাসেবী কাজে দুজনে যোগ দিন, ব্যায়ামের প্রোগ্রাম চালান, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা মারুন, দুজনে বেড়াতে যান। এগুলো জীবনে কিছুটা হলেও পূর্ণতা আনবে।
স্বাস্থ্যসমস্যা লুকাবেন না: সম্পর্কে সততা গুরুত্বপূর্ণ, যে বয়সেই হোক না কেন। কিন্তু বয়স বাড়লে একজন নিজের সমস্যাগুলো লুকায় বা লুকাতে চান। মনে করেন, সেসব জেনে জীবনসঙ্গী হবেন ব্যাকুল। সত্য হলো, এমন করলে ভালো ফল হয় না। এতে আবেগের জায়গায় আসে দূরত্ব, আসে বিচ্ছিন্নতা। সঙ্গীর জানা উচিত স্বাস্থ্যের সমস্যা। কারণ, দুজনে দুজনের ওপর নির্ভরশীল। তাই একের সমস্যা অন্যকে সাপোর্ট দিয়ে সামলাতে হবে।
সম্পর্ক উন্নত করার উপায় খুঁজুন: মনোবিজ্ঞানী ফিসার বলেন, ‘৫০-এর ওপরে যারা, তারা সন্তুষ্টি আর আত্মতৃপ্তির কাছে নিজেকে সমর্পণ করে। সম্পর্কে সমস্যা থাকলেও এ নিয়ে খোলাখুলি আলাপে যুক্ত হয় না। অথচ নিজেরা কথা বলে সব দূর করে একটি সুখী জীবন যাপন করতে পারে।’ ফলে আত্মতৃপ্তি নয়, সম্পর্ক উন্নত করার উপায় খুঁজুন বয়স ৫০ হলে।
সম্পর্কের দ্বন্দ্ব সমঝোতার মন নিয়ে আলাপ করুন: যেকোনো সম্পর্কে থাকে তর্কবিতর্ক। কিন্তু এসব কী করে স্বাস্থ্যকরভাবে সমাধা হয়, তা জানতে হবে। গঠনমূলক কথাবার্তায় সব সমস্যা দূর করা যায়। তাই সমঝোতার মন নিয়ে জীবনের সব দ্বন্দ্ব নিয়ে আলাপ করুন।
ভালোবাসার বয়স ফুরায় না: ৫০-এর ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের অনেকের ধারণা, ভালোবাসার জীবন ফুরিয়ে এল। কিন্তু তা ভুল। এই সময়ে আসে কিছু চ্যালেঞ্জ। এগুলো সামলেও সম্ভব একটি পরিপূর্ণ অন্তরঙ্গ জীবন যাপন। বয়স্ক শরীরে থাকবে কিছু সমস্যা, আকর্ষণ কমে যাবে। এটাই স্বাভাবিক। স্বাস্থ্য সমস্যায় স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা বাধা হয়ে দাঁড়ালে সাহায্য নেবেন থেরাপিস্টের বা চিকিৎসকের।
সম্পর্কে জোর থাকবে না: আমরা না চাইলেও সম্পর্কে ইতি টানা অনেক সময় দরকার হয়। যে সম্পর্কে আনন্দ নেই, সুখ নেই, তাকে টিকিয়ে রাখা ভুল। সম্পর্কের ইতি টানতে হলেও ইতিবাচকভাবে টানুন। সমঝোতার মাধ্যমে সম্পর্ক শেষ করুন।
তবে জানিয়ে রাখি, সম্পর্ক শেষ করার আগে নেওয়া যায় কাপল থেরাপি। দুজনে মিলে বসে খোলাখুলি আলাপ করে সমাধান করা যায় সবকিছু। বিচ্ছেদ জিনিসটা বেদনার। এ এক দুঃখের স্মৃতি। সারা জীবন কষ্ট দেবে। তাই কাপল থেরাপি কিংবা খোলাখুলি আলাপ করে নিন। কারণ, এই বয়সে আপনাদের কাউকে জবাবদিহি করতে হবে না বা হচ্ছে না।
অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী, সাবেক অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে