আলমগীর আলম

শীত এলে অনেক মানুষের পেশিতে ক্রেম্পিং বা খিঁচুনি হয়। এর অনেক কারণ থাকতে পারে। বয়স্ক মানুষের এটি তো হয়ই, সেই সঙ্গে যাদের আর্থ্রাইটিসজনিত সমস্যা আছে, তাদেরও এই শীতে পেশির খিঁচুনির প্রকোপ বাড়ে। একে অনেকে ঘুমের মধ্যে পা টেনে ধরা বলে জানেন। অনেকে এটার জন্য নানা ওষুধ খুঁজে থাকেন; কিন্তু এটি হয় শরীরে পুষ্টি ও পানির ঘাটতির কারণে।
যে কারণে পেশিতে খিঁচুনি হয়
পেশির খিঁচুনি প্রতিরোধের উপায়
» বিট জাদুকরী পথ্য: পেশিতে ক্রেম্পিং বা খিঁচুনি হলে পেশি টান টান হয়ে যায়। তখন পা শিথিল করা যায় না। এটি কষ্টদায়ক ও অস্বস্তিকর। এ জন্য বিট খেতে পারেন। এতে ইলেকট্রোলাইট ঠিক করার প্রায় সব উপাদান আছে। এটি খেলে পুষ্টির ঘাটতিজনিত কারণগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। বিশেষ করে দিনে দুবেলা অর্ধেক পরিমাণ বিট খেতে পারেন সালাদ কিংবা জুস করে।
» কলা পরীক্ষিত ফল: কলা পটাশিয়ামের একটি ভালো উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামও আছে। এগুলো ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখে। তাই নিয়মিত কলা খাওয়া পেশির খিঁচুনি রোধে ম্যাজিক পথ্য হিসেবে কাজ করে।
» মিষ্টি আলুতে উপশম: কলার মতো মিষ্টি আলুও পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামে ভরপুর। মিষ্টি আলু খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়ার কারণ, এতে কলার চেয়ে ছয় গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে। কেবল মিষ্টি আলু নয়, আলু ও কুমড়াও দারুণ খাবার এ ক্ষেত্রে। এ ছাড়া মিষ্টি আলুতে প্রাকৃতিকভাবে পর্যাপ্ত পানি থাকে। ফলে এটি শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখতে কাজ করে।
» পর্যাপ্ত পানি পান করুন: সাধারণত আমাদের এই জলবায়ুতে ২ থেকে আড়াই লিটার পানি প্রতিদিন পান করা উচিত। কিন্তু শীতের দিনে পানি পানের পরিমাণ কমে যায় বলে শরীরে পানির ঘাটতি হয়। পেশি ক্রেপিং হওয়ার অন্যতম কারণ এটি। এই শীতে কুসুম গরম পানি পান করে শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখুন।
আলমগীর আলম, খাদ্য পথ্য ও আকুপ্রেসার বিশেষজ্ঞ, প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরায়মকেন্দ্র

শীত এলে অনেক মানুষের পেশিতে ক্রেম্পিং বা খিঁচুনি হয়। এর অনেক কারণ থাকতে পারে। বয়স্ক মানুষের এটি তো হয়ই, সেই সঙ্গে যাদের আর্থ্রাইটিসজনিত সমস্যা আছে, তাদেরও এই শীতে পেশির খিঁচুনির প্রকোপ বাড়ে। একে অনেকে ঘুমের মধ্যে পা টেনে ধরা বলে জানেন। অনেকে এটার জন্য নানা ওষুধ খুঁজে থাকেন; কিন্তু এটি হয় শরীরে পুষ্টি ও পানির ঘাটতির কারণে।
যে কারণে পেশিতে খিঁচুনি হয়
পেশির খিঁচুনি প্রতিরোধের উপায়
» বিট জাদুকরী পথ্য: পেশিতে ক্রেম্পিং বা খিঁচুনি হলে পেশি টান টান হয়ে যায়। তখন পা শিথিল করা যায় না। এটি কষ্টদায়ক ও অস্বস্তিকর। এ জন্য বিট খেতে পারেন। এতে ইলেকট্রোলাইট ঠিক করার প্রায় সব উপাদান আছে। এটি খেলে পুষ্টির ঘাটতিজনিত কারণগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। বিশেষ করে দিনে দুবেলা অর্ধেক পরিমাণ বিট খেতে পারেন সালাদ কিংবা জুস করে।
» কলা পরীক্ষিত ফল: কলা পটাশিয়ামের একটি ভালো উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামও আছে। এগুলো ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখে। তাই নিয়মিত কলা খাওয়া পেশির খিঁচুনি রোধে ম্যাজিক পথ্য হিসেবে কাজ করে।
» মিষ্টি আলুতে উপশম: কলার মতো মিষ্টি আলুও পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামে ভরপুর। মিষ্টি আলু খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়ার কারণ, এতে কলার চেয়ে ছয় গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে। কেবল মিষ্টি আলু নয়, আলু ও কুমড়াও দারুণ খাবার এ ক্ষেত্রে। এ ছাড়া মিষ্টি আলুতে প্রাকৃতিকভাবে পর্যাপ্ত পানি থাকে। ফলে এটি শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখতে কাজ করে।
» পর্যাপ্ত পানি পান করুন: সাধারণত আমাদের এই জলবায়ুতে ২ থেকে আড়াই লিটার পানি প্রতিদিন পান করা উচিত। কিন্তু শীতের দিনে পানি পানের পরিমাণ কমে যায় বলে শরীরে পানির ঘাটতি হয়। পেশি ক্রেপিং হওয়ার অন্যতম কারণ এটি। এই শীতে কুসুম গরম পানি পান করে শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখুন।
আলমগীর আলম, খাদ্য পথ্য ও আকুপ্রেসার বিশেষজ্ঞ, প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরায়মকেন্দ্র

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
২ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৩ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৩ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
৩ দিন আগে