স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন চোখের স্বাস্থ্যের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত ওজন দেহের রক্তসঞ্চালন, রক্তচাপ ও বিপাকক্রিয়াকে ব্যাহত করে, যা চোখের বিভিন্ন গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি
স্থূলতা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের অন্যতম প্রধান কারণ। তবে ডায়াবেটিস হলে রেটিনার ছোট রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে রক্তক্ষরণ ও দৃষ্টিহানি হতে পারে।
লক্ষণ: চোখে ঝাপসা দেখা, অন্ধকার বা কালো দাগ দেখা, রাতের বেলায় কম দেখা।
গ্লুকোমা
স্থূলতার কারণে চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে যেতে পারে,
যা গ্লুকোমার ঝুঁকি বাড়ায়। গ্লুকোমা হলে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এটি স্থায়ী অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ।
লক্ষণ: ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, চোখের সামনে টানেল ভিশন (কোনার দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া), চোখে ব্যথা ও লালচে ভাব।
বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন
স্থূলতা রেটিনার ম্যাকুলাতে চর্বি ও টক্সিন জমার হার বাড়িয়ে দেয়, যা বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি বাড়ায়। এটি সাধারণত ৫০ বছরের পর বেশি দেখা যায়।
লক্ষণ: মাঝখানের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া, সরল লাইন বাঁকা দেখা, বই পড়তে বা মুখ চিনতে সমস্যা হওয়া।
চোখের স্ট্রোক
স্থূলতার কারণে উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল বেড়ে যায়, যা চোখের রক্তনালিতে ব্লকেজ তৈরি করতে পারে। এতে চোখের স্ট্রোক হতে পারে, যা হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি পর্যন্ত নষ্ট করে দিতে পারে।
লক্ষণ: হঠাৎ এক চোখে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, চোখের সামনে অন্ধকার বা ছায়া দেখা, ব্যথাহীন কিন্তু দ্রুত দৃষ্টিহানি।
চোখের শুষ্কতা
স্থূলতার সঙ্গে অধিক চর্বি ও শর্করা গ্রহণ জড়িত, যা চোখের অশ্রুগ্রন্থি ঠিকমতো কাজ করতে না দেওয়ার ফলে ড্রাই আই সিনড্রোম সৃষ্টি করতে পারে।
লক্ষণ: চোখে জ্বালাপোড়া, সব সময় চোখ শুষ্ক অনুভব হওয়া, আলোতে সংবেদনশীলতা।
স্থূলতা কমিয়ে চোখের সুস্থতা বজায় রাখার উপায়—
চিকিৎসের পরামর্শ: চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হলো।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট ২১৯ জনের মৃত্যু হলো। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১, জুনে ১৩, জুলাইয়ে ৩৬ ও আগস্টে ৪৩ জন মারা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা—আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে এসব উপসর্গে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। অনেকের ক্ষেত্রে সাধারণ সর্দি-কাশি মনে হলেও এর পেছনে থাকতে পারে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। দেশে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে নিয়মিত নজরদারি চলছে।
১ দিন আগে
রোদ-বৃষ্টির খামখেয়ালি এই শরৎ ঋতুতে সাধারণ উপসর্গ ভেবে কোনো অসুস্থতাকে অবহেলা করা উচিত নয়। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা এবং দূষিত পানি এই সময়ে নানা জীবাণুর আদর্শ প্রজননক্ষেত্র হয়ে ওঠে।
১ দিন আগে