পেট ফাঁপা, গ্যাস, বুক জ্বালাপোড়া কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যায় ভোগেননি এমন মানুষের সংখ্যা কমই। আমাদের পরিপাকতন্ত্র বা হজমপ্রক্রিয়া ঠিক না থাকলে পুরো শরীর ও মনের ওপর তার প্রভাব পড়ে। সুস্থ হজমপ্রক্রিয়া বজায় রাখা স্বচ্ছন্দ জীবনযাপনের অংশ। শীতের চলে যাওয়া আর বসন্ত আগমনের এই সময়ে
সুস্থ রাখুন হজমপ্রক্রিয়া। তা না হলে ঋতুবদলের এই সময়ে ফ্লুর সঙ্গে আপনার বিপাকপ্রক্রিয়াও পড়ে যাবে বিপাকে। জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই বিপাকপ্রক্রিয়া ঠিক রাখা যায়। তাই যা করতে পারেন—
প্রাকৃতিক ও আঁশযুক্ত খাবার
খাবার অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম কিংবা উপকারী জীবাণুর বাস্তুসংস্থান নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে প্রাকৃতিক অবস্থায় থাকা ফলমূল ও সবজি খেলে তা অন্ত্রের হরমোন এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করে। হজমের জন্য আঁশযুক্ত খাবার অপরিহার্য। পানিতে অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজমপ্রক্রিয়া সচল রাখে এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার অবস্থা উন্নত করতে সহায়তা করে।
দ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবার পাওয়া যায় বীজ ও বিনসে। আর অদ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবার পাওয়া যায় গোটা শস্য ও সবজিতে।
স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত ও মাইন্ডফুল ইটিং
অ্যাভোকাডো, বাদাম ও সামুদ্রিক মাছের চর্বি মানুষের পিত্তথলি থেকে পিত্তরস নিঃসরণে সাহায্য করে। এটি ভিটামিন ও, ডি, ই এবং কে-এর মতো পুষ্টি উপাদান শোষণের জন্য জরুরি।
যা-ই খান না কেন, খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে স্বাদ ও গন্ধ উপভোগ করে খাওয়ার নামই ‘মাইন্ডফুল ইটিং’। এটি শরীরকে ‘রেস্ট-অ্যান্ড-ডাইজেস্ট’ মোডে নিয়ে যায়, যা এনজাইম নিঃসরণে সহায়ক। আর মনে রাখতে হবে, হজমপ্রক্রিয়া শুরু হয় মুখ থেকে। ভালো করে চিবিয়ে খেলে খাবারের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল বাড়ে, ফলে পাকস্থলীর এনজাইমগুলোর পুষ্টি শোষণ সহজ হয়। এটি পেটে গ্যাস হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়।
পানিতে আর্দ্র ও চাপমুক্ত থাকা
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে পরিপাক এনজাইমগুলো সক্রিয় হয় না। এর ফলে খাবার হজম হতে দেরি হয় এবং পেট ফাঁপা ও পেটে ক্র্যাম্প বা ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। অন্যদিকে আমাদের মস্তিষ্ক ও অন্ত্র, গাট-ব্রেইন অ্যাক্সিসের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। আপনি যখন মানসিক চাপে থাকেন, তখন শরীরের ‘ফাইট-অর-ফ্লাইট’ মুডে গিয়ে হজমপ্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।

নিয়মিত ব্যায়াম
শারীরিক পরিশ্রম অন্ত্রে রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া হজমকারী পেশিগুলোর সংকোচন উদ্দীপিত করে। ২০২৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যায়াম করা হলে তা ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ সারাতেও সহায়ক হতে পারে।
জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনুন
ধূমপান লালা উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং পাকস্থলী ও খাদ্যনালির পেশি দুর্বল করে আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ধূমপান বর্জনের চেষ্টা করুন। রাতে ঘুমানোর আগে খাবার খেলে বিপাকপ্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। তাই ঘুমানোর ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে খাবার শেষ করুন।
প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান
প্রোবায়োটিকস: দই বা ফারমেন্টেড খাবারে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে।
গ্লুটামিন: এটি একধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, যা অন্ত্রের ক্ষত সারিয়ে তুলতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
জিংক: অন্ত্রের কোষের পুনর্গঠন ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে জিংক অত্যন্ত কার্যকর।
সূত্র: হেলথ লাইন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৮৬৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ৯৭ হাজার ৫২২।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে তরুণদের মধ্যে ক্যানসারের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে, মিলেনিয়াল ও জেন-জেড প্রজন্মের মানুষ আগের প্রজন্মের তুলনায় জৈবিকভাবে (বায়োলজিক্যালি) দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন আর এই দ্রুত বার্ধক্যই অল্প বয়সে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
১ দিন আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৬৯৮ জনে। একই সময়ে ৮৯৩ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ ও ৫২ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।
১ দিন আগে
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে আগামী রোববার (২৮ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় প্রায় ৬ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এই লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার নগর ভবনের অডিটরিয়ামে কেন্দ্রীয় অ্যাডভোকেসি ওরিয়েন্টেশন সভার আয়োজন করে ডিএসসিসি।
১ দিন আগে