সুষম খাদ্য চোখের সাধারণ সুস্থতা ও বিভিন্ন ধরনের সমস্যার ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সুষম খাদ্যের পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিজেনসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে তা চোখ ভালো রাখতে বিশেষ উপকার করবে।
চোখ ভালো রাখতে যা খাবেন
» ভিটামিন এ: এই ভিটামিনের অভাবে রাতকানা রোগ হয়। তাই ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ খাবার, যেমন ডিম, গরু ও খাসির কলিজা, ঘি, মাখন, দুধ ও দই ইত্যাদি খেতে হবে। এগুলোয় প্রচুর ভিটামিন এ এবং জিংক রয়েছে।
» ভিটামিন সি: এটি চোখের রক্ত চলাচল, সংক্রমণ, কোষ নষ্ট হওয়া এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্য লেবু, আমড়া, আমলকী, কাঁচা মরিচ, আঙুর ইত্যাদি ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
» গাঢ় পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজি: এগুলো ভিটামিন সি ও ই-সমৃদ্ধ। এ ছাড়া এগুলোয় ক্যারোটিনয়েড, লুটেইন ও জেক্রানথিন রয়েছে। এই উপাদানগুলোতে আছে ভিটামিন এ। চোখের ছানি এবং এএমডির ঝুঁকি কমায় এগুলো। চোখ চুলকানো ও শুকনো চোখে আলসার না হতে ভূমিকা পালন করে পালংশাক।
» বিভিন্ন ফল ও শাকসবজি: বিভিন্ন ফল ও শাকসবজি, যেমন গাজর, মিষ্টিআলু, পেঁপে, আম, এপ্রিকটস ইত্যাদি ফলে বিটাক্যারোটিন বেশি থাকে। এটি ভিটামিন এ-এর একটি সমৃদ্ধ রূপ, যা রাতের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে, চোখের যেকোনো সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া এটি রেটিনা রক্ষা করার জন্য ক্ষতিকর নীল ও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করতে সাহায্য করে।
» ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: রেটিনা যাতে সঠিকভাবে কাজ করতে পারে, সে জন্য ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রয়োজন। চোখের গ্লুকোমা ও শুকিয়ে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে এটি। এ জন্য ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার, যেমন ইলিশ, পাঙাশ, টুনা, রুই, স্যামন মাছ ইত্যাদি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে।
» বাদাম ও বীজ: বিভিন্ন প্রকার বাদাম ও বীজে থাকে ভিটামিন ই। এটি চোখের ম্যাকুলাকে খারাপ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া চোখে ছানি হওয়া থেকে রক্ষা করে এটি।
» চর্বিহীন মাছ, মাংস: এসব খাবারে ভালো পরিমাণে জিংক থাকে। এটি লিভার থেকে চোখের রেটিনায় ভিটামিন এ পৌঁছে দিতে সহায়তা করে। জিংক চোখের মেলানিন গঠন করে। যাঁরা নিরামিষ খাবার গ্রহণ করেন, তাঁরা লেগুম ও মটরশুঁটি-জাতীয় খাবার খেতে পারেন। এগুলোর মধ্যে আছে মসুর ডাল, রাজমা, ছোলা ইত্যাদি। এগুলো চোখের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।
» পানি: চোখের স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। পানি শুষ্ক চোখের উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।
লিনা আকতার, পুষ্টিবিদ, রায়হান হেলথ কেয়ার, হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার

হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৮৫ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে রাজশাহী বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ৮৯ জন। এ ছাড়া সিলেটে ৮৮, চট্টগ্রামে ৫৩, বরিশালে ৪২, ময়মনসিংহে ৬২, খুলনায় ২৯ ও রংপুর বিভাগে ৯ জন মারা গেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বিশেষায়িত হাসপাতালের মর্যাদা পাওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি জনবল নিয়োগ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে গতি আসবে। এতে শিশুদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে...
১২ ঘণ্টা আগে
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ওই দুইজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে চলতি বছরের গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৫৪ জন। আর নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৩ জনের। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪৭ জন।
১ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ঢাকা ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৪ জন মারা গেছে। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ১২ জন নারী। চলতি মাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ছয়জনে।
১ দিন আগে