
ঢাকা কলেজ ও ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে এক পথচারী আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ঢাকা কলেজ ও ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন এবং সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন। এতে মিরপুর থেকে নিউমার্কেটগামী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, সংঘর্ষের একপর্যায়ে ঢাকা কলেজের একটি বাস মিরপুর রোড থেকে আটক করে ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের সামনে নিয়ে গিয়ে ভাঙচুর করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও শিক্ষার্থীদের ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
সংঘর্ষের সূত্রপাত প্রসঙ্গে দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, তাঁদের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আইডিয়াল কলেজের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন।
অন্যদিকে আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, তাঁদের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মারধরের শিকার হয়েছেন।
প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে ওই এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে এবং ধাওয়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়। বেলা সোয়া একটার পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে পুলিশ বলছে, কারা সঠিক বক্তব্য দিচ্ছেন, তা নিশ্চিত করা যায়নি। তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
নিউমার্কেট অঞ্চলের পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. শওকত আলী বলেন, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়ে নিজ নিজ ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ছোড়া ইটের আঘাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

পরিমিত ঘুমাচ্ছেন, খাবারেরও নেই সমস্যা তবুও যেন ক্লান্তি পিছু ছাড়ে না। বসা থেকে উঠতেই মাথা চক্কর দেওয়ার অনুভূতি হয়। কিছুটা সিঁড়ি বেয়ে উঠলে বা পরিশ্রমের কাজ করলে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়ে যায়। পরিচিত লাগছে এসব সমস্যা? যদি এসব সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে ভাবনারই বিষয় বলা যায়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
৫ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
৫ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৫ দিন আগে