শরীর পর্যাপ্ত পানি না পেলে বা বেশি ঘাম, ডায়রিয়া, বমি ইত্যাদির কারণে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। এটি শুরুতে ছোটখাটো অসুবিধার মাধ্যমে প্রকাশ পায়, কিন্তু সময়মতো সতর্ক না হলে শরীরের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। শরীর পানিশূন্য হলে এই লক্ষণগুলো দেখা যায়: জিব শুকনো ও চটচটে হওয়া শরীরে পানি কম থাকার কারণে জিব সাধারণত শুকনা অনুভূত হয়।
চোখের সমস্যা
চোখ বসে যেতে পারে বা ঝাপসা দেখা শুরু হতে পারে। এ ছাড়া চোখের অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শরীর দুর্বল ও অবসন্ন লাগা
হঠাৎ বা ধীরে ধীরে শরীর দুর্বল বোধ করতে পারে। তাই সেদিকে খেয়াল রাখুন।
মাথাব্যথা
অনেক সময় পানিশূন্যতার কারণে মাথাব্যথা শুরু হয়।
মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ
শরীরে পানি কম থাকলে হঠাৎ মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।
প্রস্রাবের রং ও গন্ধ পরিবর্তন
সাধারণত হালকা হলুদ প্রস্রাব গাঢ় হলুদ হয়ে যায় এবং দুর্গন্ধ তৈরি হয়।
মলত্যাগে কষ্ট
শরীরে পানি কম থাকলে পায়খানা শক্ত এবং কষ্টসহকারে হয়।
এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। নিয়মিত পানি পান শরীরকে সচল রাখে এবং ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে সহায়ক।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নটর ডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান হয়ে গেল। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়...
৩ ঘণ্টা আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে মাহে রমজান, মুসলিম জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ মাস। সুন্দরভাবে সিয়াম সাধনা করতে আগে থেকে মাসটি নিয়ে থাকে অনেক পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার একটা বড় অংশ হচ্ছে মাহে রমজানের খাওয়াদাওয়া। কীভাবে খাবার খেলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখা যাবে, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
১ দিন আগে
রমজান এলে বড়দের মতো অনেক কিশোর-কিশোরী রোজা রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পুষ্টির ঘাটতি ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের খাবার ব্যবস্থাপনা করা এ সময় বেশ কঠিন। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে অল্প পরিমাণে খাবার খেয়ে সহজে পুষ্টির চাহিদা পূরণের পথ খুঁজতে হয়।
১ দিন আগে
পবিত্র রমজান মাসে মুসলমানরা সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির চর্চা করেন। এ সময় অনেকে দৈনন্দিন জীবনযাপনে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেন, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়ে। নাক-কান-গলার (ইএনটি) কোনো সমস্যা দেখা দিলে রোজা রেখে চিকিৎসা গ্রহণ করা যাবে কি না—এ প্রশ্ন প্রায়ই রোগীদের মনে সংশয় তৈরি করে।
২ দিন আগে