
অতিরিক্ত গরম ঘরে ঘুমালে হৃদ্যন্ত্রের কার্যকলাপে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য এটি অনেক ক্ষতিকর। ‘বিএমসি মেডিসিন’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শোয়ার ঘরের তাপমাত্রা যদি ৭৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট কিংবা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্নায়ুতন্ত্রে পরিবর্তন ঘটে।
গ্রিফিথ ইউনিভার্সিটির ড. ফার্গুস ও’কনর এবং তাঁর দল নভেম্বর ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত গ্রীষ্মকালে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ৪৭ জনের ওপর রাত ৯টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নজরদারি চালান। সেখানে উঠে আসে, গরম ঘরে শরীর ঠান্ডা করতে রক্তনালি প্রসারিত হওয়ায় হৃদ্যন্ত্রকে দ্রুত রক্ত পাম্প করতে হয়। তখন প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে হৃৎস্পন্দন মিনিটে ১০ বিট বাড়ে। এতে ঘুমের স্বাভাবিক রিকভারি ব্যাহত হয় এবং হার্ট রেট ভ্যারিয়েবিলিটি কমে যায়। তাপমাত্রা ৭৫ থেকে ৭৯ ডিগ্রিতে ঝুঁকির মাত্রা ১ দশমিক ৪ গুণ। ৭৯ থেকে ৮২ ডিগ্রিতে ২ গুণ এবং ৮২ থেকে ৯০ ডিগ্রিতে ২ দশমিক ৯ গুণ বাড়ে। এটি দীর্ঘ মেয়াদে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দিনের বেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৭৯ ডিগ্রি নির্ধারণ করলেও রাতের কোনো সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে তাপপ্রবাহজনিত মৃত্যুর বড় অংশই গরম রাতের কারণে ঘটবে। তাই হৃদ্যন্ত্র সুরক্ষায় রাতের তাপমাত্রা ৭৫ ডিগ্রির নিচে রাখা জরুরি।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারাল ১২৮ জন। অন্যদিকে, একদিনের হিসাবে চলতি মাসে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে...
১১ মিনিট আগে
এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই রয়েছে সিলেট বিভাগ, যেখানে ১৭৫ জন মারা গেছে। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ৬০, চট্টগ্রামে ৮১, খুলনায় ৪৪, ময়মনসিংহে ৭৯, রাজশাহীতে ৯৩ ও রংপুর বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হলো।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট ২১৯ জনের মৃত্যু হলো। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১, জুনে ১৩, জুলাইয়ে ৩৬ ও আগস্টে ৪৩ জন মারা যায়।
১ দিন আগে