ফিচার ডেস্ক

নিরামিষভোজী ছাড়া খুব কম মানুষই আছে, যারা ডিম খেতে ভালোবাসে না। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে ডিম অন্যতম। একটি ডিমে সাধারণত ৭ গ্রাম প্রোটিনসহ আছে মাত্র ৭৫ ক্যালরি। এখন প্রশ্ন হলো, প্রতিদিন কি ডিম খাওয়া যায়? জেনে নিন, প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে কী ঘটতে পারে।
ডিমে থাকা প্রোটিন ও চর্বির মিশ্রণ অন্য কিছু খাওয়ার ইচ্ছা কমিয়ে দেয় বলে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে বিপাক-প্রক্রিয়া উন্নত হয়। তবে রান্না করা ডিমে শতভাগ গুণ পাওয়া যায় না।
ডিম রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে এতে। ডিমের কুসুমে ভিটামিন ডি থাকে। এটি মানুষকে সাধারণ সর্দি ও ফ্লু থেকে দ্রুত নিস্তার পেতে সাহায্য করে। বুদ্ধি বৃদ্ধিকারী প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকায় প্রতিদিন ডিম খাওয়া মেধাবিকাশে সাহায্য করে। ডিমের কুসুমে থাকা প্রধান দুটি ক্যারোটিনয়েড হলো লুটেইন ও জেক্সানথিন। এগুলো চোখের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বয়সের কারণে হওয়া চোখের রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে ডিমের কুসুম।
একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, ডিমে থাকা লাইসিন নামের অ্যামিনো অ্যাসিড দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগ ও চাপ কমাতে কাজ করে। হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিংয়ের মতে, ডিমে থাকা জিংক উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন পাতে ডিম রাখলে তার একটি ভালো প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর লক্ষ করা যায়। ডিমে ভিটামিন বি১২, বি৬, কোলিন ও ফোলেট থাকে। এই পুষ্টিগুলো একজন মানুষের মেজাজ ও স্মৃতিশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে। হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। একটি ডিম দৈনিক ভিটামিন ডির চাহিদার ৬ শতাংশ পূরণ করে। তাই প্রতিদিন প্লেটে একটি ডিম থাকলে তা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
অনেকে বিশ্বাস করে, ডিম কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। বিষয়টি অসত্য নয়। তবে প্রতিদিন এক থেকে দুটি ডিম খেলে শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে। যেহেতু উচ্চ কোলেস্টেরলে হৃদ্রোগের আশঙ্কা বাড়ে, তাই অনেকে ডিম এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের শরীরের বেশির ভাগ কোলেস্টেরল তৈরি করে লিভার। খাবারে থাকা কোলেস্টেরল থেকে সেটা আসে না।
নিয়মিত ডিম খেলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমে। ডিম সেলেনিয়ামের উৎস। এটি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উজ্জ্বল ও নীরোগ ত্বক চাইলে প্রতিদিন পাতে একটি ডিম রাখুন। প্রোটিন, আয়রন, জিংক ও ভিটামিন বি১২-এর ওপর চুলের বিকাশ নির্ভর করে। এর সবই পাওয়া যায় ডিমে। ডিম বায়োটিনসমৃদ্ধ বলে কেরাটিনের বিকাশে ভূমিকা পালন করে। ডিম দ্রুত চুল ও নখ উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে।

নিরামিষভোজী ছাড়া খুব কম মানুষই আছে, যারা ডিম খেতে ভালোবাসে না। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে ডিম অন্যতম। একটি ডিমে সাধারণত ৭ গ্রাম প্রোটিনসহ আছে মাত্র ৭৫ ক্যালরি। এখন প্রশ্ন হলো, প্রতিদিন কি ডিম খাওয়া যায়? জেনে নিন, প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে কী ঘটতে পারে।
ডিমে থাকা প্রোটিন ও চর্বির মিশ্রণ অন্য কিছু খাওয়ার ইচ্ছা কমিয়ে দেয় বলে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে বিপাক-প্রক্রিয়া উন্নত হয়। তবে রান্না করা ডিমে শতভাগ গুণ পাওয়া যায় না।
ডিম রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে এতে। ডিমের কুসুমে ভিটামিন ডি থাকে। এটি মানুষকে সাধারণ সর্দি ও ফ্লু থেকে দ্রুত নিস্তার পেতে সাহায্য করে। বুদ্ধি বৃদ্ধিকারী প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকায় প্রতিদিন ডিম খাওয়া মেধাবিকাশে সাহায্য করে। ডিমের কুসুমে থাকা প্রধান দুটি ক্যারোটিনয়েড হলো লুটেইন ও জেক্সানথিন। এগুলো চোখের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বয়সের কারণে হওয়া চোখের রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে ডিমের কুসুম।
একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, ডিমে থাকা লাইসিন নামের অ্যামিনো অ্যাসিড দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগ ও চাপ কমাতে কাজ করে। হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিংয়ের মতে, ডিমে থাকা জিংক উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন পাতে ডিম রাখলে তার একটি ভালো প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর লক্ষ করা যায়। ডিমে ভিটামিন বি১২, বি৬, কোলিন ও ফোলেট থাকে। এই পুষ্টিগুলো একজন মানুষের মেজাজ ও স্মৃতিশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে। হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। একটি ডিম দৈনিক ভিটামিন ডির চাহিদার ৬ শতাংশ পূরণ করে। তাই প্রতিদিন প্লেটে একটি ডিম থাকলে তা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
অনেকে বিশ্বাস করে, ডিম কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। বিষয়টি অসত্য নয়। তবে প্রতিদিন এক থেকে দুটি ডিম খেলে শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে। যেহেতু উচ্চ কোলেস্টেরলে হৃদ্রোগের আশঙ্কা বাড়ে, তাই অনেকে ডিম এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের শরীরের বেশির ভাগ কোলেস্টেরল তৈরি করে লিভার। খাবারে থাকা কোলেস্টেরল থেকে সেটা আসে না।
নিয়মিত ডিম খেলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমে। ডিম সেলেনিয়ামের উৎস। এটি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উজ্জ্বল ও নীরোগ ত্বক চাইলে প্রতিদিন পাতে একটি ডিম রাখুন। প্রোটিন, আয়রন, জিংক ও ভিটামিন বি১২-এর ওপর চুলের বিকাশ নির্ভর করে। এর সবই পাওয়া যায় ডিমে। ডিম বায়োটিনসমৃদ্ধ বলে কেরাটিনের বিকাশে ভূমিকা পালন করে। ডিম দ্রুত চুল ও নখ উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে