ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম

যেকোনো সময় শরীরের যেকোনো অংশের হাড় ভাঙতে বা মচকাতে পারে। এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভুল করার সুযোগ নেই। তাতে দীর্ঘ মেয়াদে হাড়ের ক্ষতিসহ চিকিৎসা জটিল হয়ে যেতে পারে। হাড় ভাঙার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে চিকিৎসা-প্রক্রিয়া সহজ হবে।
শিশুদের হাড় এমনি এমনি জোড়া লেগে যায়। এর জন্য কোনো চিকিৎসার দরকার নেই।
এটি ভুল ধারণা। শিশুদের হাড় জোড়া লাগার প্রবণতা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাদের তেমন কোনো অপারেশনের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু সঠিকভাবে প্লাস্টার করে চিকিৎসা না করলে পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে।
আঘাতজনিত ব্যথায় বরফ পানি, নাকি গরম পানি উপকারী?
বরফ পানি উপকারী। অবশ্যই যেকোনো আঘাতের পর প্রথম কিছুদিন বরফ পানি ব্যবহার করতে হবে। এতে আঘাতজনিত ফোলা কমবে এবং আঘাতের স্থানে রক্ত জমাট বাঁধবে না।
কোনো ধরনের আঘাতের পর হাড় ভেঙে গেছে সন্দেহ হলে, টেনে সোজা করার চেষ্টা করা উচিত?
না। হাড় ভেঙেছে সন্দেহ হলে কোনোভাবেই সে অংশ টানাটানি বা মালিশ করা উচিত নয়; বরং ভাঙা হাড় যাতে নড়াচড়া করতে না পারে, তার জন্য শক্ত কোনো কিছুর সাপোর্ট দিতে হবে। এরপর যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। হাড়ে সাপোর্ট দেওয়ার কারণে ভাঙা জায়গার আশপাশে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায় এবং রোগী ব্যথা কম অনুভব করে।
হাড় ভাঙা সমস্যায় কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁক কি বিজ্ঞানসম্মত?
অবশ্যই না। যেকোনো হাড় ভাঙায় সঠিকভাবে এক্স-রে করাতে হবে। তারপর হাড়ের অবস্থা দেখে সে অনুযায়ী প্লাস্টার অথবা অপারেশনের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব হাড় আগের অবস্থায় এনে চিকিৎসা করাতে হবে। নইলে পরবর্তী সময়ে সেই ভাঙা হাড় বাঁকাভাবে জোড়া লাগতে পারে অথবা জোড়া না-ও লাগতে পারে। এতে সেই হাড় আগের অবস্থার মতো কর্মক্ষম থাকবে না এবং পরে এর চিকিৎসা হবে জটিলতর।
হাঁটতে গিয়ে যেকোনোভাবে পা মচকে গেলে সে ক্ষেত্রে প্লাস্টার করা কি জরুরি, নাকি ক্রেপ ব্যান্ডেজ ব্যবহারই যথেষ্ট?
যদি পা মচকানোর পর ফুলে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথা থাকে, সে ক্ষেত্রে প্লাস্টার করে দুই সপ্তাহ বিশ্রামে থাকা জরুরি।
লেখক: অর্থোপেডিক অ্যান্ড ট্রমা সার্জন, সহকারী অধ্যাপক, আদ-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

যেকোনো সময় শরীরের যেকোনো অংশের হাড় ভাঙতে বা মচকাতে পারে। এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভুল করার সুযোগ নেই। তাতে দীর্ঘ মেয়াদে হাড়ের ক্ষতিসহ চিকিৎসা জটিল হয়ে যেতে পারে। হাড় ভাঙার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে চিকিৎসা-প্রক্রিয়া সহজ হবে।
শিশুদের হাড় এমনি এমনি জোড়া লেগে যায়। এর জন্য কোনো চিকিৎসার দরকার নেই।
এটি ভুল ধারণা। শিশুদের হাড় জোড়া লাগার প্রবণতা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাদের তেমন কোনো অপারেশনের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু সঠিকভাবে প্লাস্টার করে চিকিৎসা না করলে পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে।
আঘাতজনিত ব্যথায় বরফ পানি, নাকি গরম পানি উপকারী?
বরফ পানি উপকারী। অবশ্যই যেকোনো আঘাতের পর প্রথম কিছুদিন বরফ পানি ব্যবহার করতে হবে। এতে আঘাতজনিত ফোলা কমবে এবং আঘাতের স্থানে রক্ত জমাট বাঁধবে না।
কোনো ধরনের আঘাতের পর হাড় ভেঙে গেছে সন্দেহ হলে, টেনে সোজা করার চেষ্টা করা উচিত?
না। হাড় ভেঙেছে সন্দেহ হলে কোনোভাবেই সে অংশ টানাটানি বা মালিশ করা উচিত নয়; বরং ভাঙা হাড় যাতে নড়াচড়া করতে না পারে, তার জন্য শক্ত কোনো কিছুর সাপোর্ট দিতে হবে। এরপর যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। হাড়ে সাপোর্ট দেওয়ার কারণে ভাঙা জায়গার আশপাশে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায় এবং রোগী ব্যথা কম অনুভব করে।
হাড় ভাঙা সমস্যায় কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁক কি বিজ্ঞানসম্মত?
অবশ্যই না। যেকোনো হাড় ভাঙায় সঠিকভাবে এক্স-রে করাতে হবে। তারপর হাড়ের অবস্থা দেখে সে অনুযায়ী প্লাস্টার অথবা অপারেশনের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব হাড় আগের অবস্থায় এনে চিকিৎসা করাতে হবে। নইলে পরবর্তী সময়ে সেই ভাঙা হাড় বাঁকাভাবে জোড়া লাগতে পারে অথবা জোড়া না-ও লাগতে পারে। এতে সেই হাড় আগের অবস্থার মতো কর্মক্ষম থাকবে না এবং পরে এর চিকিৎসা হবে জটিলতর।
হাঁটতে গিয়ে যেকোনোভাবে পা মচকে গেলে সে ক্ষেত্রে প্লাস্টার করা কি জরুরি, নাকি ক্রেপ ব্যান্ডেজ ব্যবহারই যথেষ্ট?
যদি পা মচকানোর পর ফুলে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথা থাকে, সে ক্ষেত্রে প্লাস্টার করে দুই সপ্তাহ বিশ্রামে থাকা জরুরি।
লেখক: অর্থোপেডিক অ্যান্ড ট্রমা সার্জন, সহকারী অধ্যাপক, আদ-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে