
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের একজন ঢাকা বিভাগের; অন্যজন সিলেট বিভাগের। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এই দুজনের মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সর্বশেষ দুজনসহ হামের উপসর্গ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে ৮৩১ জন মারা গেছে। এ ছাড়া হাম শনাক্ত হয়ে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৩০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ৮১৫ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গেছে। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছে ৭৫৮ জন।
ভর্তি রোগীর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২৬৫ জন, রাজশাহীতে ২২, সিলেটে ৯১, চট্টগ্রামে ১৮৮, বরিশালে ১১০, ময়মনসিংহে ৩৯, খুলনায় ২৭ ও রংপুর বিভাগে ১৬ জন। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৮৩ জন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৬৭ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই আছে সিলেট বিভাগ; সেখানে মারা গেছে ১৩৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯২, চট্টগ্রামে ৬৩, বরিশালে ৪৯, ময়মনসিংহে ৭৪, খুলনায় ৩৩ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের উপসর্গের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪০৬। আর হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ২৭৩।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ১৬ বছর বয়সী ইকবাল। দিনের প্রায় পুরোটায় সময়ই সে কাটায় পুকুরের পানিতে। তার দাবি, পানি থেকে উঠে এলেই শরীরে তীব্র জ্বলুনি হয় তার। বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও এর কোনো সমাধান মেলেনি বলেও জানায় সে।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয় প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ টন মেডিকেল বর্জ্য জমা হয়। এসব বর্জ্য সাধারণ আবর্জনার মতো নয়। এর বড় একটি অংশ মারাত্মক সংক্রামক ও বিপজ্জনক। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এই মেডিকেল বর্জ্য আমাদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
রাতে হঠাৎ পায়ের মাংসপেশিতে তীব্র টান বা খিঁচুনি। ঘুম থেকে জেগে উঠে অস্বস্তিকর অনুভূতি। এভাবে ঘুম ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। সাধারণত পেশির ক্লান্তি এবং স্নায়ুজনিত নানা অস্বস্তির কারণে এটি ঘটে থাকে বলে মনে করা হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঠান্ডা বা অ্যালার্জিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত আরাম পেতে আমরা অনেকে নাজাল ডিকনজেস্ট্যান্ট স্প্রে ব্যবহার করি। প্রথম দিকে এটি জাদুকরি কাজ করলেও, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত ব্যবহারে দেখা দেয় মারাত্মক বিপর্যয়। এসব স্প্রে নাকের ফুলে যাওয়া রক্তনালিগুলোকে দ্রুত সংকুচিত করে শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ করে।
১৫ ঘণ্টা আগে