
ঢাকা: দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে পুরো পৃথিবী করোনাভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করছে। বিভিন্ন সময়ে দেখা যাচ্ছে করোনার বিভিন্ন রূপ। এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে প্রতিনিয়ত মানুষ আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সংক্রমণের পাশাপাশি প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা।
তবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে, কেউ আবার আক্রান্ত হয়ে শুয়ে আছে হাসপাতালের আইসিইউ বেডে। অনেকে নিজের ঘরে আইসোলেশনে বন্দি। কেউ আবার সুস্থ হয়ে ছুটে যাচ্ছে কর্মস্থলে।
করোনা এমন একটি রোগ, এই রোগে সুস্থ হলেও শরীরে থেকে যায় অবসন্নতা আর ক্লান্তি। সম্প্রতি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে এমন তথ্য। আবার অনেকেই ভুগছেন এই রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়। যা একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের জন্য মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শিমুল সেন কাজ করেন সোনালী ব্যাংকের সেগুনবাগিচা শাখায়। এই বছরের শুরুতে তিনি করোনা আক্রান্ত হন। প্রায় এক মাস পর তিনি করোনার সাথে লড়াই করে মুক্তি পান। কিন্তু ইদানীং তিনি কাজ করার সময় অল্পতেই দুর্বল হয়ে পড়েন। মনে রাখতে পারেন না অনেক কিছুই।
আসুন জেনে নিই, এই দীর্ঘ সময়ে আর কী কী সমস্যা হতে পারে–
⦁ করোনা সংক্রমণের আগে যারা অনেক বেশি পরিশ্রমের কাজ করতেন, তাদের অনেকেই এখন আগের মতো কাজ করতে পারছেন না।
⦁ সংক্রমণের আগে যারা নিয়ম করে ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করতেন, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে তারা এখন ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেই হাঁপিয়ে যান। সিঁড়ি ভেঙে ওঠার পর অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়েন ।
⦁ করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেকের শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। অনেক সময় কথা বলতে বলতে দমও হারিয়ে ফেলেন।
⦁ অনেক সময় আক্রান্তদের মাঝে মাঝে বুকে হালকা ব্যথা হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সময় ধরে কাজ করলে বুক ধড়ফড়ও করতে থাকে।
⦁ এইক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আবার অনেক সময় কাজে মনযোগ দিতে সময় লাগছে আগের তুলনায় অনেক বেশি।
⦁ স্বাভাবিকভাবে করোনা আক্রান্তদের স্বাদ ও গন্ধ চলে যায়। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে সুস্থ হওয়ার পর দীর্ঘদিনেও মুখের স্বাদ বা গন্ধ ফিরে না।
⦁ এই সময়ে অনেকের ঘুমও কম হয়। নিদ্রাহীনতার কারণে অনেকেই প্রায় সময় ভোগান্তিতে পড়ছেন।
⦁ করোনা থেকে সেরে ওঠার পর অনেকের আবার ত্বকে কিছুক্ষণ পর পর সুঁই ফোটানোর মতো অস্বস্তি হয়। এছাড়া স্বাভাবিকের তুলনায় শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথার মাত্রাও বেড়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ঢাকা: দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে পুরো পৃথিবী করোনাভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করছে। বিভিন্ন সময়ে দেখা যাচ্ছে করোনার বিভিন্ন রূপ। এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে প্রতিনিয়ত মানুষ আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সংক্রমণের পাশাপাশি প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা।
তবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে, কেউ আবার আক্রান্ত হয়ে শুয়ে আছে হাসপাতালের আইসিইউ বেডে। অনেকে নিজের ঘরে আইসোলেশনে বন্দি। কেউ আবার সুস্থ হয়ে ছুটে যাচ্ছে কর্মস্থলে।
করোনা এমন একটি রোগ, এই রোগে সুস্থ হলেও শরীরে থেকে যায় অবসন্নতা আর ক্লান্তি। সম্প্রতি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে এমন তথ্য। আবার অনেকেই ভুগছেন এই রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়। যা একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের জন্য মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শিমুল সেন কাজ করেন সোনালী ব্যাংকের সেগুনবাগিচা শাখায়। এই বছরের শুরুতে তিনি করোনা আক্রান্ত হন। প্রায় এক মাস পর তিনি করোনার সাথে লড়াই করে মুক্তি পান। কিন্তু ইদানীং তিনি কাজ করার সময় অল্পতেই দুর্বল হয়ে পড়েন। মনে রাখতে পারেন না অনেক কিছুই।
আসুন জেনে নিই, এই দীর্ঘ সময়ে আর কী কী সমস্যা হতে পারে–
⦁ করোনা সংক্রমণের আগে যারা অনেক বেশি পরিশ্রমের কাজ করতেন, তাদের অনেকেই এখন আগের মতো কাজ করতে পারছেন না।
⦁ সংক্রমণের আগে যারা নিয়ম করে ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করতেন, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে তারা এখন ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেই হাঁপিয়ে যান। সিঁড়ি ভেঙে ওঠার পর অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়েন ।
⦁ করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেকের শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। অনেক সময় কথা বলতে বলতে দমও হারিয়ে ফেলেন।
⦁ অনেক সময় আক্রান্তদের মাঝে মাঝে বুকে হালকা ব্যথা হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সময় ধরে কাজ করলে বুক ধড়ফড়ও করতে থাকে।
⦁ এইক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আবার অনেক সময় কাজে মনযোগ দিতে সময় লাগছে আগের তুলনায় অনেক বেশি।
⦁ স্বাভাবিকভাবে করোনা আক্রান্তদের স্বাদ ও গন্ধ চলে যায়। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে সুস্থ হওয়ার পর দীর্ঘদিনেও মুখের স্বাদ বা গন্ধ ফিরে না।
⦁ এই সময়ে অনেকের ঘুমও কম হয়। নিদ্রাহীনতার কারণে অনেকেই প্রায় সময় ভোগান্তিতে পড়ছেন।
⦁ করোনা থেকে সেরে ওঠার পর অনেকের আবার ত্বকে কিছুক্ষণ পর পর সুঁই ফোটানোর মতো অস্বস্তি হয়। এছাড়া স্বাভাবিকের তুলনায় শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথার মাত্রাও বেড়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১১ ঘণ্টা আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৪ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৪ দিন আগে