নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৫২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর মৃত্যু হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ৩২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫১ জন আছে। এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ ও রংপুর বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) হাসপাতালে ৫ জন রয়েছে।
সরকারের তথ্য বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫ হাজার ৫৭৬ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক ১ শতাংশ নারী রয়েছে। আর মারা গেছে মোট ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী। বর্তমানে সারা দেশে হাসপাতালে মোট ১ হাজার ২৭২ জন ভর্তি আছে।
পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে জুলাই মাসে। ওই মাসে মোট ৪১ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত, মে মাসে তিন এবং জুনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। আর আগস্টের প্রথম ১৪ দিনে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০ হাজার ৬৮৪ জন হাসপাতালে এসেছে জুলাই মাসে। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ এবং জুন মাসে ৫ হাজার ৯৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪ হাজার ৫৯৬ জন রোগী।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই বছর ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৫২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর মৃত্যু হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ৩২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫১ জন আছে। এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ ও রংপুর বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) হাসপাতালে ৫ জন রয়েছে।
সরকারের তথ্য বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫ হাজার ৫৭৬ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক ১ শতাংশ নারী রয়েছে। আর মারা গেছে মোট ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী। বর্তমানে সারা দেশে হাসপাতালে মোট ১ হাজার ২৭২ জন ভর্তি আছে।
পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে জুলাই মাসে। ওই মাসে মোট ৪১ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত, মে মাসে তিন এবং জুনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। আর আগস্টের প্রথম ১৪ দিনে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০ হাজার ৬৮৪ জন হাসপাতালে এসেছে জুলাই মাসে। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ এবং জুন মাসে ৫ হাজার ৯৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪ হাজার ৫৯৬ জন রোগী।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই বছর ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে