ছাতু ধীরে ধীরে হজম হয়। কারণ এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম। ফলে ছাতু খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। এ জন্য একে স্লো ফুড বলে। ছাতু শরীরের হজম প্রক্রিয়ায় চাপ তৈরি করে না। এতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, ম্যাংগানিজ, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম থাকে। সে কারণে এর স্বাস্থ্য-সুবিধাগুলো পাওয়া যায়। যবের ছাতু হচ্ছে সবচেয়ে ভালো। প্রতিদিন সকাল অথবা বিকেলের নাশতায় এটি রাখা যেতে পারে। ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য এটি চমৎকার পথ্য।
ছাতু খাওয়ার উপকার
- এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে।
- রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
- নিয়মিত খেলে রক্তের বিষাক্ত উপাদান দূর হয়।
- এতে থাকা প্রোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
- ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে।
- ছাতু খেলে শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে, কম খেয়েও শরীর সবল থাকে।
- বয়সকালীন রোগ শরীরে বাসা বাঁধার সুযোগ পায় না।
- কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার প্রকোপ কমতে শুরু করে।
- হজমক্ষমতার উন্নতি ঘটে।
- গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।










