Ajker Patrika

সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত ও আমল

ইসলাম ডেস্ক 
সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত ও আমল
পবিত্র কোরআনের অন্যতম ছোট ও তাৎপর্যপূর্ণ সুরা হলো সুরা ইখলাস। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র কোরআনের অন্যতম ছোট ও তাৎপর্যপূর্ণ সুরা হলো সুরা ইখলাস। মাত্র চার আয়াতবিশিষ্ট এই সুরাটির অন্তর্নিহিত ফজিলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামি শিক্ষার আলোকে এই সুরার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ (তাওহিদ), অদ্বিতীয়তা ও অনন্য মহিমা সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এটি মুমিনের ইমানের মূলভিত্তি এবং শিরকমুক্ত থাকার ঘোষণা।

সুরা ইখলাসের অর্থ

  1. বলুন—আল্লাহ এক, একমাত্র (অদ্বিতীয়)।
  2. আল্লাহ সর্বনিঃসঙ্গ (কারও মুখাপেক্ষী নন), সমস্ত সৃষ্টির জন্য নির্ভরযোগ্য।
  3. তিনি জন্ম দেননি, জন্মগ্রহণও করেননি।
  4. কেউ তাঁর সমকক্ষ বা সমতুল্য নয়।

সুরা ইখলাসের ফজিলত ও আমল

  • কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান: আবু সাইদ আল খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তাঁর কসম, যাঁর হাতে আমার জীবন, এটি কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।’ (সহিহ্ বুখারি)
  • জান্নাত নিশ্চিত হওয়া: এক সাহাবি সুরাটিকে অনেক ভালোবাসতেন এবং প্রতি নামাজে পাঠ করতেন। রাসুল (সা.) তাঁকে সুসংবাদ দিয়ে বলেন, আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসেন এবং এই সুরার প্রতি ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।
  • জান্নাত ওয়াজিব হওয়া: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এক ব্যক্তিকে সুরা ইখলাস পাঠ করতে শুনে বললেন, ‘এটি ওয়াজিব হয়ে গেল।’ প্রশ্ন করা হলো, কী ওয়াজিব হলো? তিনি বললেন, ‘জান্নাত।’
  • নিরাপত্তা ও সুরক্ষা: হাদিসে বলা হয়েছে, সকাল-সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস এবং সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার পাঠ করলে তা সব ধরনের অনিষ্ট থেকে রক্ষার জন্য যথেষ্ট।
  • ঘুমানোর আগে আমল: হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) প্রতি রাতে বিছানায় যাওয়ার সময় দুই হাত একত্র করে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে হাতে ফুঁ দিতেন এবং পুরো শরীরে তিনবার মাসেহ করতেন।
Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত