
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৫৬ জন।
আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৫৬ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৭, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭০, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৯, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১০১, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১৩, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৮, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫, রংপুর ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন ভর্তি হয়েছে।
এদিকে গত এক দিনে সারা দেশে ৬১২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছে ৪৪ হাজার ৭৯৬ জন।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনই পুরুষ। তাঁরা সবাই বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৪৭ হাজার ৩৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১৯৮ জনের।

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের পেছনের কারণ এবং হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় রয়েছে এবং সেসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
১৮ ঘণ্টা আগে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশু নিশ্চিতভাবে হামে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫২ জনে।
২০ ঘণ্টা আগে
বিশ ও একুশ শতকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অকল্পনীয় উন্নতি সত্ত্বেও একটি সাধারণ অভ্যাস এখনো প্রাণ বাঁচানোর কার্যকরী হাতিয়ার হিসেবে স্বীকৃত। সেটি হলো ‘হাত ধোয়া’। ৫ মে ছিল ‘বিশ্ব হাত পরিচ্ছন্নতা দিবস’। ‘পদক্ষেপই জীবন বাঁচায়—নিরাপদ চিকিৎসা পরিচ্ছন্ন হাত থেকে শুরু হয়’ প্রতিপাদ্যে প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিশ্ব....
১ দিন আগে
জন্মগত গ্লকোমা হলো এমন একটি চক্ষুরোগ, যা শিশুর জন্মের সময় বা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে চোখের ভেতরের চাপ বাড়ার কারণে ঘটে। এটি বিরল রোগ। তবে চিকিৎসা ছাড়া তা স্থায়ীভাবে চোখের ক্ষতি এবং অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। জন্মগত গ্লকোমার মূল কারণ হলো চোখের অভ্যন্তরীণ তরল সঠিকভাবে নিষ্কাশিত না হওয়া, যা চোখের ভেতরের..
১ দিন আগে