দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৮৩৯ জন।
আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১১৭, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০০, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৫, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৬১, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৯১, খুলনা বিভাগে ১৬৯, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৯, রাজশাহী বিভাগে ৭১, রংপুর বিভাগে ২৩ ও সিলেট বিভাগে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ২৮ হাজার ৯২৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭৯৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬ হাজার ৮৯৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৮২ জনের। এর মধ্যে চলতি মাসে ২৮ জন মারা গেছে। আর জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৬৭ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই আছে সিলেট; সেখানে মারা গেছে ১৩৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯২, চট্টগ্রামে ৬৩, বরিশালে ৪৯, ময়মনসিংহে ৭৪, খুলনায় ৩৩ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ১৬ বছর বয়সী ইকবাল। দিনের প্রায় পুরোটায় সময়ই সে কাটায় পুকুরের পানিতে। তার দাবি, পানি থেকে উঠে এলেই শরীরে তীব্র জ্বলুনি হয় তার। বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও এর কোনো সমাধান মেলেনি বলেও জানায় সে।
১ দিন আগে
দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয় প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ টন মেডিকেল বর্জ্য জমা হয়। এসব বর্জ্য সাধারণ আবর্জনার মতো নয়। এর বড় একটি অংশ মারাত্মক সংক্রামক ও বিপজ্জনক। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এই মেডিকেল বর্জ্য আমাদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ দিন আগে
রাতে হঠাৎ পায়ের মাংসপেশিতে তীব্র টান বা খিঁচুনি। ঘুম থেকে জেগে উঠে অস্বস্তিকর অনুভূতি। এভাবে ঘুম ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। সাধারণত পেশির ক্লান্তি এবং স্নায়ুজনিত নানা অস্বস্তির কারণে এটি ঘটে থাকে বলে মনে করা হয়।
১ দিন আগে