ফিচার ডেস্ক

শরীরের সঠিক কার্যক্রমে ম্যাগনেশিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম। এটি রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হাড় মজবুত রাখে এবং স্নায়ুর কাজ সচল রাখে। সবজি, ডাল, বাদাম ও বীজ—এসব খাবারে প্রাকৃতিকভাবে ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। তবে কিছু বাদাম ও বীজে এর পরিমাণ থাকে তুলনামূলক বেশি। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় সেসব রাখলে সহজে পূরণ হবে এর দৈনিক চাহিদা।
কুমড়ার বীজ: কুমড়ার বীজ ম্যাগনেশিয়ামের অন্যতম উৎস। এর প্রতি আউন্সে থাকে ১৫৪ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম। এই পরিমাণ দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩৭ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। এতে প্রোটিন ও জিংক থাকে। এগুলো রোগ প্রতিরোধক্ষমতা এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
চিয়া সিড: চিয়া সিডে থাকে ৯৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম এবং প্রচুর আঁশ। এক আউন্স চিয়া সিডস দৈনিক আঁশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পূরণ করে। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
কাজুবাদাম: এতে রয়েছে ৮২ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম। নিয়মিত কাজুবাদাম খেলে মানসিক চাপ সামলানো সহজ হয়।
কাঠবাদাম: প্রতি আউন্স কাঠবাদাম বা আমন্ডে রয়েছে ৭৬ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম। এতে থাকা ভিটামিন ই কোষ সুরক্ষিত রাখে এবং রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে।
চিনাবাদাম: এটি একধরনের শিমজাতীয় খাদ্য। প্রতি আউন্স চিনাবাদামে থাকে ৫৩ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি। ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বা নুডলস-স্টির ফ্রাইয়ে চিনাবাদাম ব্যবহার করা যায়।
সূত্র: হেলথ

শরীরের সঠিক কার্যক্রমে ম্যাগনেশিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম। এটি রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হাড় মজবুত রাখে এবং স্নায়ুর কাজ সচল রাখে। সবজি, ডাল, বাদাম ও বীজ—এসব খাবারে প্রাকৃতিকভাবে ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। তবে কিছু বাদাম ও বীজে এর পরিমাণ থাকে তুলনামূলক বেশি। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় সেসব রাখলে সহজে পূরণ হবে এর দৈনিক চাহিদা।
কুমড়ার বীজ: কুমড়ার বীজ ম্যাগনেশিয়ামের অন্যতম উৎস। এর প্রতি আউন্সে থাকে ১৫৪ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম। এই পরিমাণ দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩৭ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। এতে প্রোটিন ও জিংক থাকে। এগুলো রোগ প্রতিরোধক্ষমতা এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
চিয়া সিড: চিয়া সিডে থাকে ৯৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম এবং প্রচুর আঁশ। এক আউন্স চিয়া সিডস দৈনিক আঁশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পূরণ করে। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
কাজুবাদাম: এতে রয়েছে ৮২ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম। নিয়মিত কাজুবাদাম খেলে মানসিক চাপ সামলানো সহজ হয়।
কাঠবাদাম: প্রতি আউন্স কাঠবাদাম বা আমন্ডে রয়েছে ৭৬ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম। এতে থাকা ভিটামিন ই কোষ সুরক্ষিত রাখে এবং রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে।
চিনাবাদাম: এটি একধরনের শিমজাতীয় খাদ্য। প্রতি আউন্স চিনাবাদামে থাকে ৫৩ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি। ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বা নুডলস-স্টির ফ্রাইয়ে চিনাবাদাম ব্যবহার করা যায়।
সূত্র: হেলথ

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২০ ঘণ্টা আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে