
যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) প্রথমবারের মতো ওষুধ জেপবাউন্ডকে ঘুমের অসুখের (স্লিপ অ্যাপনিয়া-ওএসএ) চিকিৎসার জন্য অনুমোদন দিয়েছে। গত শুক্রবার এফডিএ ঘোষণা দিয়েছে, ইলাই লিলি অ্যান্ড কোং নির্মিত এই ওষুধটি প্রাপ্তবয়স্কদের স্থূলতা এবং মাঝারি থেকে তীব্র পর্যায়ের ওএসএ চিকিৎসায় ব্যবহার করা যাবে। তবে এটি কম ক্যালরিযুক্ত ডায়েট এবং শারীরিক ব্যায়ামের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসা সাময়িকী এনপিআরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এফডিএর মতে, ‘এটি স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগীদের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ।’
ওএসএ হলো একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা, যেখানে ঘুমের সময় সঠিকভাবে শ্বাস নেওয়া কষ্টকর হয়ে ওঠে। এটি যে কারও হতে পারে, তবে স্থূল ব্যক্তিদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।
এফডিএ জানিয়েছে, ওজন কমাতে সহায়তা করে জেপবাউন্ড কিছু রোগীর ক্ষেত্রে স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণগুলো কমাতে পারে। ৫২ সপ্তাহ ধরে স্থূল এবং মাঝারি থেকে তীব্র পর্যায়ের ওএসএতে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে দুটি গবেষণায় দেখা গেছে, জেপবাউন্ড গ্রহণকারী অংশগ্রহণকারীরা প্লাসিবো গ্রহণকারীদের তুলনায় ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস-প্রশ্বাসে সাময়িক বিরতির ক্ষেত্রে ‘পরিসংখ্যানগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং চিকিৎসাগতভাবে কার্যকর’ উন্নতি করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, যারা সিপিএপি মেশিন ব্যবহার করেন এবং যারা করেন না, উভয় রোগীদের ক্ষেত্রেই এই উন্নতি দেখা গেছে।

বাংলাদেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ দ্রুত শনাক্ত, নির্ণয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি জাতীয় চিকিৎসা প্রটোকল তৈরি করা হয়েছে। যা দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কিডনি রোগ শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনার জন্য মানসম্মত নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদ
১ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পদে অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক...
৩ দিন আগে
দেশে সরকারি চিকিৎসকদের ৭৫ শতাংশই শহরে এবং বাকি ২৫ শতাংশ গ্রামে সেবা দেন। নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য জনবলের চিত্রও অনেকটা একই। অথচ দেশের জনসংখ্যার মাত্র ৩৮ শতাংশের বসবাস শহরে। আবার চিকিৎসকের সঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্য জনবলের অনুপাতও ঠিক নেই।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৭ শতাংশ কিডনি রোগে আক্রান্ত। এ সংখ্যা ২ কোটির বেশি হতে পারে। প্রতিবছর এই সংখ্যা বাড়ছে। পবিত্র রমজান মাসে কিডনি রোগীরা রোজা রাখার সময় সমস্যা অনুভব করলে অবশ্যই তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৭ দিন আগে